<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>উদ্যোক্তার গল্প &#8211; Uddokta Journal</title>
	<atom:link href="https://uddoktajournal.com/tag/%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://uddoktajournal.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Mon, 05 Sep 2022 21:45:51 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.3</generator>

<image>
	<url>https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/01/cropped-Untitled-3-32x32.png</url>
	<title>উদ্যোক্তার গল্প &#8211; Uddokta Journal</title>
	<link>https://uddoktajournal.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>অদম্য ইচ্ছাশক্তিতেই আজকের সফল উদ্যোক্তা জেবিন সুলতানা জারা</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%85%e0%a6%a6%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%85%e0%a6%a6%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 Sep 2022 06:12:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[উই]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[জারা ফ্যাশন]]></category>
		<category><![CDATA[জেবিন সুলতানা জারা]]></category>
		<category><![CDATA[নারী উদ্যোক্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=7388</guid>

					<description><![CDATA[<p>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, কথা হলো উদ্যোক্তা জেবিন সুলতানা জারার সঙ্গে। আজ শুনবো তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প। আমি জেবিন সুলতানা জারা। আমার জন্ম হয় ১৯৮৬ সালের মার্চ মাসের ৩ তারিখে। আমি আমার বাবা-মায়ের ২য় সন্তান, আবার কন্যা হিসেবেও ২য়। আমার জন্ম হয়েছিলো ছোট্ট একটি গাঁয়ে। যে গাঁয়ের অপরূপ সৌন্দর্য, আঁকা-বাঁকা পথ, সবুজ গাছগাছালি, ছোট ছোট নদী অন্য যেকোনো গ্রাম থেকে সহজেই আলাদা করা যায়। এ যেনো প্রকৃতির সৌন্দর্য্যে বিমোহিত করে আরো প্রকৃতি প্রেমী হিসেবে গড়ে তুলে। আমার গ্রাম হলো চাঁদপুর জেলার অন্তর্গত মতলব দক্ষিণ ধনারপাড় গাঁয়ে। এই সৌন্দর্য ভরা গ্রামে আমার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%85%e0%a6%a6%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87/">অদম্য ইচ্ছাশক্তিতেই আজকের সফল উদ্যোক্তা জেবিন সুলতানা জারা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, কথা হলো উদ্যোক্তা জেবিন সুলতানা জারার সঙ্গে। আজ শুনবো তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প।</strong></p>
<p>আমি জেবিন সুলতানা জারা। আমার জন্ম হয় ১৯৮৬ সালের মার্চ মাসের ৩ তারিখে। আমি আমার বাবা-মায়ের ২য় সন্তান, আবার কন্যা হিসেবেও ২য়। আমার জন্ম হয়েছিলো ছোট্ট একটি গাঁয়ে। যে গাঁয়ের অপরূপ সৌন্দর্য, আঁকা-বাঁকা পথ, সবুজ গাছগাছালি, ছোট ছোট নদী অন্য যেকোনো গ্রাম থেকে সহজেই আলাদা করা যায়। এ যেনো প্রকৃতির সৌন্দর্য্যে বিমোহিত করে আরো প্রকৃতি প্রেমী হিসেবে গড়ে তুলে।</p>
<p>আমার গ্রাম হলো চাঁদপুর জেলার অন্তর্গত মতলব দক্ষিণ ধনারপাড় গাঁয়ে<span style="font-size: 1.21429rem;">। এই সৌন্দর্য ভরা গ্রামে আমার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে আনন্দ আর খুনসুটিতে। কৈশোর যেতে না যেতে কোনো কিছু বোঝার আগে বিয়ে হয়ে গেলো। তাইতো এসএসসি পর্যন্ত আমার পড়াশোনা। বিয়ের পর আমার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আর পড়াশোনা করা হয়নি। বিয়ের বছর দুইয়েক না যেতেই আমাকে মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণ করতে হয়।</span></p>
<p>এমন করেই কিশোর একটি মেয়ে বধু হয়ে গেলো। আর তা ধীরে ধীরে বধু থেকে মায়ে পরিণত করলো। আমার প্রথম সন্তান মেয়ে, আর দ্বিতীয় সন্তান ছেলে।<br />
একজনের নাম নাবিলা অন্যজন অনিক। ওরাই হলো আমার পৃথিবী, আমার ভালোবাসা এবং সবচেয়ে আপনজন। সকল কিছুর মধ্যে ওদের মুখগুলো সবসময় আমাকে অনুপ্রাণিত ও উৎসাহ দান করে। আজকের আমি ওদের কারণেই আজকের সফল আমি।</p>
<p>একটা সময় শুধু স্বামী ও সন্তান ছাড়া মাথায় অন্য কোনো ভাবনা ছিলো না। একজন গ্রাম্য বধু অথবা মা যা করে আমিও তার ব্যতিক্রম ছিলাম না। কিন্তু সবার কপালে কি সব সুখ সয়? সয় না। হঠাৎ করেই আমার সংসার জীবনে অন্ধকারের কালো মেঘ আমাকে ঘিরে ধরলো। সত্যি কথা বলতে কি আমার জানা ছিলো না কিভাবে এই অন্ধকার কাটিয়ে আলোর সন্ধান করবো। কিভাবে আমার চেয়ে প্রিয় আমার সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবো। আমি কি আমার দুঃখ লাঘব করবো নাকি আমার সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাববো?</p>
<p>সত্যি বলতে আমি আমার এই পরিস্থিতির জন্য কোনোভাবে প্রস্তুত ছিলাম না। তাইতো আমাকে হতাশা গ্রাস করতে চাইলো, কিন্তু আমার চেয়ে প্রিয় আমার সন্তানদ্বয় আমাকে কিছু একটা করার জন্য অনুপ্রাণিত ও উজ্জীবিত করলো তাদের অজানা ভবিষ্যতের আশায়। আমি আমার দুঃখের কথা এক পলকেই ভুলে, নতুন করে কিছু একটা করার প্রত্যয় জাগ্রত হলো আমার এই মনে অজানা ভবিষ্যতের আশায়।</p>
<p>আমি ২০১০ সালে আমার দুই সন্তানের ভবিষ্যত চিন্তা করে ঢাকাতে পারি জমাই। আমার স্বপ্ন যখন বিবর্ণ প্রায় তখন ভাবলাম আমার মেয়ে এবং ছেলেকে দিয়ে আমার স্বপ্নগুলো ছুঁতে হবে। ওদেরকে ভালো শিক্ষা ও ভালো মানসম্মত পরিবেশে মানুষের মতো মানুষ করতে হবে।</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="aligncenter wp-image-7391 size-full" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/09/Grey-Brown-Simple-Photo-Collage-1.jpg" alt="Grey Brown Simple Photo Collage 1" width="600" height="480"><br />
আমার সন্তান আমার অহংকার, সেই প্রত্যয় নিয়ে আমার হার না মানা সংগ্রামী পথ চলা শুরু। আজ থেকে ছয় বছর আগে আমি আমার প্রিয় সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যতের আশায় ব্যবসা করার ইচ্ছে নিয়ে ব্যবসা শুরু করে দিলাম। আমি নারী তাইতো সমাজ এটাকে ভালো চোখে নেয়নি, এমনকি আমার পরিবার ও আত্মীয়স্বজন কেউই এটাকে সহজভাবে নেয়নি। কিন্ত আমি নারীর চেয়ে বড় পরিচয় আমি একজন মা, মায়েরা সবসময় অদম্য ও হার না মানা এক জাতি। আমি জানি শুধু এগিয়ে যেতে হবে পিছনে ফিরে তাকাবার সময় আমার নেই, কারণ আমি যে একজন &#8220;মা&#8221;।</p>
<p>মায়েরা তাদের সন্তানের জন্য সব পারে তার উৎকৃষ্ট প্রমান আমি নিজেই। সেইদিন যদি সমাজ কিংবা আত্মীয়দের কথায় চুপ হয়ে যেতাম তাহলে কি আজকের আমি &#8220;জারা ফ্যাশন&#8221;র সত্বাধিকারী হতে পারতাম? এই সবই সম্ভব হয়েছে আমার দুই সন্তানের কারণে।</p>
<p>আমরা নারী আমরা সবই পারি। আমার পথ চলায় প্রথমদিকে তেমন কারো সহযোগিতা পায়নি। আমি নিজে নিজে নিউমার্কেট থেকে মাল ক্রয় করে অল্প লাভে আশেপাশের বন্ধুবান্ধবের কাছে বিক্রয় করতাম। আবার আমার কাছে তেমন কোনো পুঁজিও ছিলো না। তারপরেও আমার অদম্য ইচ্ছাশক্তি, অনেক পরিশ্রম, অনেক ত্যাগ আমাকে আজকের এই আমিতে পরিনত করেছে।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%be/">দেশ সেরা ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস তালিকায় নিজেকে দেখতে চান হৃদিতা মুন</a></p>
<p>বছর তিনেক আগে আমি অনলাইন বিজনেস শুরু করি। শুরু করার কিছুদিন পর &#8216;উই&#8217; পরিবারের সদস্য হই। এখানে এসে আমি একজন সফল উদ্যোক্তা হই। আমার আমাকে পরিনত করতে অনেক ত্যাগ ও পরিশ্রম করতে হয়েছে। &#8216;উই&#8217; পরিবারে যোগদানের পর অনেকের সহযোগিতা পেয়েছি এবং পাচ্ছি।</p>
<p>আপনি যদি আপনার মেধা, পরিশ্রম আর অধ্যবসায় দিয়ে কোনো কাজ করেন তাহলে সফলতা আসবেই আসবে ইনশাআল্লাহ। আপনি যদি ভালোমানের পন্য দিতে পারেন তাহলে আপনি একসময় না একসময় একজন ভালো উদ্যোক্তা হতে পারবেন। আসুন সাবলম্বী হই সমাজ ও দেশটাকে সুন্দরভাবে সাজাই। পরনির্ভরতা কমাই নিজের জীবনকে নিজের মতো করে সাজাই।</p>
<p>যেকোনো কাজ নিজেকে সম্মানিত করে ও পরনির্ভরশীলতা কমায়। আগামীর সুন্দর ভবিষ্যত গড়ে তুলি, আমরা নারী আমরাই পারি। আমরা যে মায়ের জাত, তাইতো সবাই বলে আমরা মা-জননী। আসুন সবাই মিলে অমঙ্গল দূর করি, একটি সুশীল ও সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলি। নিজ কর্মে জীবন গড়ি, সততা আর নিষ্ঠা দিয়ে ব্যবসা করি। সকল নারীদের জন্য শুভ কামনা আর সামাজিক উন্নতি প্রত্যাশা করছি।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%85%e0%a6%a6%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87/">অদম্য ইচ্ছাশক্তিতেই আজকের সফল উদ্যোক্তা জেবিন সুলতানা জারা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%85%e0%a6%a6%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দেশ সেরা ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস তালিকায় নিজেকে দেখতে চান হৃদিতা মুন</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%be/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Sep 2022 05:57:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রান্সপোর্ট]]></category>
		<category><![CDATA[নারী উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুন'স কুকিং স্টুডিও]]></category>
		<category><![CDATA[হলুদ বাতি]]></category>
		<category><![CDATA[হৃদিতা মুন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=7330</guid>

					<description><![CDATA[<p>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, নিজের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেছেন হৃদিতা মুন। চলুন শুনি তার উদ্যোক্তা জীবনের গল্প। আমি সুলতানা রাজিয়া (সার্টিফিকেট নেইম)। সবাই হৃদিতা মুন নামেই চেনে। জন্ম চট্টগ্রামে, বেড়ে ওঠা ঢাকাতে। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই চাকরি করছি, তারপর করোনাকালীন সময়ে যখন হোম অফিস করছিলাম তখনই অনলাইনে অনেককেই দেখলাম উদ্যোক্তা হতে। আমিও চিন্তা করলাম চাকরির পাশাপাশি কিছু একটা করি। তাই পথচলা শুরু করলাম &#8220;Moon&#8217;s Cooking Studio&#8221; (মুন&#8217;স কুকিং স্টুডিও) এর মাধ্যমে। আমি কাজ করছি হোমমেইড ফুড, ক্যাটারিং আর ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস নিয়ে। আমার হোমমেইড ফুড ক্যাটারিং বিজনেসের নাম &#8220;Moon&#8217;s Cooking Studio&#8221; এবং ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসের নাম &#8220;Holudbati&#8221; (হলুদ বাতি)। [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%be/">দেশ সেরা ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস তালিকায় নিজেকে দেখতে চান হৃদিতা মুন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, নিজের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেছেন হৃদিতা মুন। চলুন শুনি তার উদ্যোক্তা জীবনের গল্প।</strong></p>
<p>আমি সুলতানা রাজিয়া (সার্টিফিকেট নেইম)। সবাই হৃদিতা মুন নামেই চেনে। জন্ম চট্টগ্রামে, বেড়ে ওঠা ঢাকাতে।</p>
<p>ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই চাকরি করছি, তারপর করোনাকালীন সময়ে যখন হোম অফিস করছিলাম তখনই অনলাইনে অনেককেই দেখলাম উদ্যোক্তা হতে। আমিও চিন্তা করলাম চাকরির পাশাপাশি কিছু একটা করি। তাই পথচলা শুরু করলাম &#8220;Moon&#8217;s Cooking Studio&#8221; (মুন&#8217;স কুকিং স্টুডিও) এর মাধ্যমে।</p>
<p>আমি কাজ করছি হোমমেইড ফুড, ক্যাটারিং আর ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস নিয়ে। আমার হোমমেইড ফুড ক্যাটারিং বিজনেসের নাম &#8220;Moon&#8217;s Cooking Studio&#8221; এবং ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসের নাম &#8220;Holudbati&#8221; (হলুদ বাতি)।</p>
<p>&#8220;Moon&#8217;s Cooking Studio&#8221; এর অনলাইনের বিজনেসের শুরুটা দুর্দান্ত ছিলো। করোনাকালীন সময়ে কেউ করোনা রোগীদেরকে খাবার ডেলিভারি করতো না, কিন্তু আমি বেছে বেছে তাদেরকেই খাবার ডেলিভারি করতাম। তাই তারা যখন শুনেছে আমি খাবার ডেলিভারি করছি তখন তারা আমাকেই নক করতো। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে খাবার আমার এই কিচেন থেকে সরবরাহ করা হতো। মূলধনটা আসলে দুই থেকে তিন হাজার টাকা ছিলো। যেহেতু হোম কিচেন তাই তেমন একটা বেগ পেতে হয়নি। আর আমার &#8220;Holudbati&#8221; বিজনেস একটি গাড়ি দিয়ে শুরু করেছিলাম।</p>
<p>একজন উদ্যোক্তা হতে হলে তার ডেডিকেশনটা খুব বেশি মাত্রায় প্রয়োজন, তারপর ধৈর্য। কি নিয়ে ব্যবসা করবো সেটি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন প্রয়োজন। কোনো ভুল চোখে পড়লে সেই ভুল মেনে নিয়ে তা পরিবর্তন করার মানসিকতা প্রয়োজন।</p>
<p>বর্তমানে আমার &#8220;Moon&#8217;s Cooking Studio&#8221; তে আমরা ৪ জন কাজ করছি, আর &#8220;Haludbati&#8221; ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসে ২৬ জন লোক কাজ করছে। আমিও চাকরি খুঁজেছি, চাকরি করেছি। কিন্তু চাকরি করতে করতে এক পর্যায়ে মনে হলো নিজের কিছু একটা করা দরকার, তাতে আমার আমিত্বকে খুঁজে পাওয়া যায়।</p>
<p><img decoding="async" class="aligncenter wp-image-7334 size-full" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/09/Grey-Brown-Simple-Photo-Collage.jpg" alt="Grey Brown Simple Photo Collage" width="600" height="480"><br />
আমার &#8220;Moon&#8217;s Cooking Studio&#8221; থেকে হোমমেইড স্বাস্থ্যকর খাবার ডেলিভারি করা হয়। আর ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস &#8220;Holudbati&#8221; থেকে বিভিন্ন অফিসে অফিসে পিক এন্ড ড্রপ সার্ভিস প্রদান করা হয়। দিনে দিনে আমার &#8220;Holudbati&#8221; অনেক প্রসার লাভ করছে আলহামদুলিল্লাহ। বর্তমানে ২২ টি গাড়ি আমার প্ল্যাটফর্মে চলছে। কেউ ইচ্ছে করলেই আমার প্ল্যাটফর্মে গাড়ি দিতে পারেন।</p>
<p>আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট নারী উদ্যোক্তাদের জন্য একটু চ্যালেঞ্জিং। ফ্যামিলির সমস্ত কাজ কমপ্লিট করে তারপরে নিজের উদ্যোগে সময় অনেকেই দিতে পারেন না, তাই উদ্যোগ শুরু করার পরেও এই সমস্ত বাঁধার কারণে তারা তাদের উদ্যোগ আর চালিয়ে যেতে পারেন না।</p>
<p>আমার আসলে তেমন প্রতিবন্ধকতার অভিজ্ঞতা নেই আলহামদুলিল্লাহ। কারণ আমার স্বামী আমার সমস্ত কাজে আমাকে সহায়তা করে। দু&#8217;জন মিলিতভাবে আমরা সিদ্ধান্ত নিই। কিভাবে কোনটা করলে ভালো হবে এগুলো আমরা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করি।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8/">সফল ব্যবসায়ী হিসেবে নতুনদের আইকন হতে চান পপি হিমাদ্রি</a></p>
<p>আমার &#8220;Moon&#8217;s Cooking Studio&#8221; এর সেল মাশাআল্লাহ ভালো। আর &#8220;Haludbati&#8221; এর টার্নওভারও মাশাআল্লাহ অনেক ভালোর দিকে। আমার কিচেনের খাবারে কাস্টমাররা যথেষ্ট ইম্প্রেসড। আর আমি &#8216;রাধুনী সেরা মাংসের রেসিপি&#8217; কনটেস্টে সেরা দশে এসেছি। এজি এগ্রো ফুডে &#8216;ফার্স্ট রানার আপ&#8217; হয়েছি। ফখরুদ্দিন কিচেনে &#8216;বেস্ট রেসিপি&#8217; নির্বাচিত হয়েছি। প্রাণ ঝটপট রান্নায় &#8216;প্রথম স্থান&#8217; অধিকার করেছি।</p>
<p>এখনো কোনো সরকারি সহযোগিতা পাইনি। কিন্তু বেসরকারি বলতে ESCAP এবং কমনওয়েলথ থেকে আমি মালদ্বীপে ট্রেনিং করার সুযোগ পেয়েছিলাম ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপরে। সেখানে ৭ দিন আমাদের ট্রেনিং হয়েছিলো সম্পূর্ণ বিনা খরচে। বলতে গেলে ওই ট্রেনিং আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়, যা কিছু অজানা ছিলো ওই ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে সবকিছু জানতে পেরে গেছি।</p>
<p>আমার প্রতিষ্ঠানের অর্জন মানুষের বিশ্বাস এবং ভরসা। বাংলাদেশের ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটি আরো উন্নত করার লক্ষ্যে &#8220;হলুদ বাতি&#8221; কাজ করে যাচ্ছে নিরলসভাবে। আমি স্বপ্ন দেখি সকল চাকরিজীবীরা ঝামেলা মুক্তভাবে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে, দূষণমুক্ত পরিবেশে অফিসে যেনো আসা-যাওয়া করতে পারে। আগামী ৫ বছর পর দেশের নাম্বার ওয়ান ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে নিজেকে দেখতে চাই।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%be/">দেশ সেরা ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস তালিকায় নিজেকে দেখতে চান হৃদিতা মুন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সফল ব্যবসায়ী হিসেবে নতুনদের আইকন হতে চান পপি হিমাদ্রি</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 31 Aug 2022 07:51:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[উই]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[নারী উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[পপি হিমাদ্রি]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যবসায়ী]]></category>
		<category><![CDATA[লেদার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=7249</guid>

					<description><![CDATA[<p>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, কথা হলো সংগ্রামী উদ্যোক্তা পপি হিমাদ্রির সঙ্গে। আজ শুনবো তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প। আমি পপি হিমাদ্রি। কুমিল্লা জেলা বরুড়া থানার দেওড়া গ্রামে জন্ম। বাবা মায়ের বড় সন্তান। সবার খুব আদরের ছিলাম। লেখাপড়া আর গান নিয়ে পড়ে থাকতাম সবসময়। বরুড়ার তলাগ্রাম স্কুল থেকে এসএসসি আর বরুড়া কলেজ থেকে এইচএসসি এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করি। পড়াশোনা চলমান অবস্থায় বিয়ে হয়ে যায় কুমিল্লাতে, বিয়ের পর ঢাকায় চলে আসি। কিছু করবো মাথায় আসেনি। অবশ্য করার দরকার প্রয়োজন হয়নি। এক মেয়ে নিয়ে আমাদের ছোট সংসার। মেয়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুলে পড়ে। আমার কাজ [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8/">সফল ব্যবসায়ী হিসেবে নতুনদের আইকন হতে চান পপি হিমাদ্রি</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, কথা হলো সংগ্রামী উদ্যোক্তা পপি হিমাদ্রির সঙ্গে। আজ শুনবো তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প।</strong></p>
<p>আমি পপি হিমাদ্রি। কুমিল্লা জেলা বরুড়া থানার দেওড়া গ্রামে জন্ম। বাবা মায়ের বড় সন্তান। সবার খুব আদরের ছিলাম। লেখাপড়া আর গান নিয়ে পড়ে থাকতাম সবসময়। বরুড়ার তলাগ্রাম স্কুল থেকে এসএসসি আর বরুড়া কলেজ থেকে এইচএসসি এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করি।</p>
<p>পড়াশোনা চলমান অবস্থায় বিয়ে হয়ে যায় কুমিল্লাতে, বিয়ের পর ঢাকায় চলে আসি। কিছু করবো মাথায় আসেনি। অবশ্য করার দরকার প্রয়োজন হয়নি। এক মেয়ে নিয়ে আমাদের ছোট সংসার। মেয়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুলে পড়ে। আমার কাজ ছিলো মেয়ে নিয়ে স্কুলে যাওয়া আসা, বিকেল হলে মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে বাহির হওয়া।</p>
<p>হঠাৎ একটা ঝড় আসলো ২০১৭ সালে, এই ঝড়ে সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেলো। স্বামীর কিডনিতে সমস্যা ধরা পড়লো। ঐ যাত্রায় ঝড় টা থামলো। তারপরও ভালো চলছিলো। আবার ঝড় আসলো ২০২০ এ। এই ঝড় সবকিছু তছনছ করে দিলো। ২০২১ এ এই ঝড়টা শান্ত হয়ে গেলো। আমার স্বামী ওপারে চলে গেলো।</p>
<p>২০২১ সালে যখন আমার স্বামী হাসপাতালে ভর্তি হয়, তখন জাপান থেকে একটা ফোন আসে আমার স্বামীর কাছে। ফোন টা আমি ধরি, তারপর আমার স্বামী কথা বলে। আমার স্বামী আমাকে বলে, তুমি এই কাজ টা করতে পারবে? আমি বলে বলে দিবো কোথায় কোথায় যেতে হবে। আমার স্বামীর উৎসাহ পেয়ে রাজি হয়ে গেলাম। তারপরের দিন থেকে শুরু হলো নতুন করে পথ চলা। স্বামী হাসপাতালে, মেয়ে বাসায় আর আমি মাঝখানে। বসুন্ধরা, বারডেম, হাজারীবাগ, হেমায়েতপুর ১৫ দিন একা সবকিছু সামলিয়েছি।</p>
<p>হাসপাতালে স্বামীর অপেক্ষা, বাসায় মামনির অপেক্ষা, বারডেম, হাজারীবাগ, হেমায়েতপুর সবকিছু সামলিয়ে বাসায় ফিরতাম রাত ১২/১ টায়। সময়মতো স্বামী কে খাওয়াতে হতো। রাতে যখন খাবার খাইয়ে বাসায় আসার সময় হতো তখন বলতো আর একটু থাকো। বাসায় এসে কখন ঘুমিয়ে পড়তাম টেরও পেতাম না। ভোরে ঘুম থেকে উঠেই আবার সকাল শুরু হতো বসুন্ধরা, বারডেম, হাজারীবাগ, হেমায়েতপুর। এমন করে টানা ১৫ দিন চলে। তারপর শুরু হলো নতুন আরেক যুদ্ধ, সপ্তাহে দুই দিন সকালে হাসপাতালে আশা যাওয়া। এরপর আমার যুদ্ধটা শেষ হয়ে গেলো ১৯ আগস্ট&#8217; ২০২১ সালে।</p>
<p>আমার স্বামী ফিনিস চামড়া নিয়ে কাজ করতো। আর আমি শুরু করেছি লেদার গুডস আইটেম নিয়ে। যেমন বেল্ট, ম্যানিব্যাগ, চাবির রিং, ওয়ালেট ইত্যাদি নিয়ে। ও সবসময় বলতো তুমি একদিন অনেক দূর যাবে, সেদিন আমি থাকবোনা। প্রথম আমি আমার কোম্পানির পরিচয়ে ২০২১ এর ১৮ তারিখ একটা কোম্পানিতে যাই। বাসায় যখন আসি, তখন উনি বলে তুমি অনেক বড় হবে সেদিন আমি থাকবোনা। ১৮ তারিখ বলে আর ১৯ তারিখই আমাদের ছেড়ে চলে যায়।</p>
<p>স্বামী মারা যাওয়ার ১৮ দিনের দিনের মাথায় এক বিধবা মা তার মেয়ে কে নিয়ে ঢাকায় ফিরে আসে। ২০ দিনের দিন কাজে বাহির হই। শুরু হয় মেয়ে নিয়ে একা পথ চলা। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে আমার কোম্পানির নামে প্রথম ৪৫০ পিস ব্যাগের অর্ডার পাই, আমার স্বামীর পরিচয়ে। কারণ চামড়ার লাইনে আমার স্বামী বিশ বছর ছিলো। তবে মুলধন ছিলো ২০,০০০ টাকা। আমার অনুপ্রেরণা আমার স্বামী অপু রাউত। আজ আমি এতো তারাতাড়ি কাজের জায়গায় পরিচিত হতে পেরেছি আমার স্বামীর পরিচয়ে। কারণ এই ট্যানারী এরিয়ায় আমার স্বামী ২০ বছরের উপরে ছিলো।</p>
<p><img decoding="async" class="aligncenter wp-image-7250 size-full" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/08/Grey-Brown-Simple-Photo-Collage-11.jpg" alt="Grey Brown Simple Photo Collage 11" width="600" height="480"><br />
আমার পৃথিবী আমার রাজকন্যা। আমার মামনি অর্পি রাউত যদি সাপোর্ট না দিতো ওর বাবা মারা যাওয়ার পর আমি এতোদূর আসতে পারতাম না। যে মামনি মা ছাড়া কিছু বুঝতো না সেই মামনি মা ছাড়া থাকা শিখে গেছে, কোনো অভিযোগ নাই। মামনির বাবা মারা যাওয়ার পর ২০ দিনের দিন ওকে একা রেখে বাহির হই। কিন্তু আমি তো মা আমি তো ওকে বুঝি কতোটা কষ্ট চেপে রেখে আমাকে বলতো তুমি যাও।</p>
<p>আমি তো জানতাম মামনি একা থাকতে পারে না, তারপরও ছিলো। যদি সাপোর্ট, সাহস না দিতো আমি কিন্তু বাহির হতে পারতাম না। আমার পুরো পৃথিবী একদিকে আর আমার মামনি একদিকে ছিলো। যখন আমাকে খুব দরকার ছিলো মামনির, ওর বাবা মারা যাওয়ার পর আমি একদিন ভালোমতো সময় দিতে পারি নি। আমার মামনির সাপোর্ট না থাকলে আমি কিছুই করতে পারতাম না। আমার শুরুটা হয় একজন কে নিয়ে, সে আমার কোম্পানির জি এম আকাশ। এতোটুকু আসতে আকাশের সাপোর্টও ছিলো। আমাকে সবসময় সাপোর্ট না করলে এতো জলদি বিজনেস টা শুরু করতে পারতাম না।</p>
<p>একজন উদ্যোক্তা হতে গেলে আমি মনে করি সৎ সাহস থাকতে হবে, ঝুঁকি নেয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। পাশাপাশি ধৈর্য ও চ্যালেঞ্জ নেয়ার সক্ষমতা থাকতে হবে এবং কাজ করার জেদ থাকতে হবে। বর্তমানে আমার প্রতিষ্ঠানে ১২ জন কর্মী আছে।</p>
<p>অনেক চাকরির অফার ছিলো, কিন্তু আমার একটা জেদ ছিলো আমি চামড়া নিয়ে কিছু করবো। আমার প্রতিষ্ঠান নতুন, কাজের অভিজ্ঞতা নতুন। প্রতিবন্ধকতার অভিজ্ঞতা অনেক। তবে এই নয় মাসে একটা জিনিস শিখেছি। উপরে উঠার রাস্তা টা নিজেরই করে নিতে হয়।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%9c/">প্রত্যাশার বাস্তবতা খুঁজে পেয়েছেন আরিফা সুলতানা</a></p>
<p>আমি বেশি পরিচিত &#8216;উই&#8217; এর মাধ্যমে। তবে আমার প্রতিষ্ঠানের অর্জন হলো কম সময়ে বড় বড় ব্র্যান্ডের সাথে কাজ করার সুযোগ পাওয়া, অল্প সময়ে লেদার সেক্টরে আমার প্রতিষ্ঠান কে অনেক উপরে নিয়ে যাওয়া। আমার অনেক স্বপ্ন ১২ জনের জায়গায় ১,০০০ জন কর্মী হবে, নিজের জায়গায় বিশাল বড় একটা ফ্যাক্টরি হবে। নিজের ব্র্যান্ড টা কে আর কোম্পানি কে দেশের বাইরে প্রতিষ্ঠিত করা। সফল ব্যবসায়ী হিসেবে নতুনদের আইকন হতে চাই।</p>
<p>কখনো কারো উপর মানসিক এবং অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল হতে নেই। যে ব্যক্তি আপনাকে নির্ভরশীল হতে সহায়তা করে সে আপনার উপকার করছে না বরং আপনাকে পঙ্গুু বানিয়ে দিচ্ছে দিনদিন। পৃথিবীতে কেউ আজীবন পাশে থাকে না। সেই নির্ভরতার ব্যক্তিটিও কোনো একসময় তার জায়গা থেকে সরে দাঁড়াবে যদি তার স্বার্থে আঘাত লাগে। তখন আপনার মাঝ সমুদ্রে পড়ে যাবার মতো অবস্থা হবে।</p>
<p>এক কদম স্বনির্ভরতার সাথে হাঁটতে না পারায় নিজেকে পৃথিবীর সবথেকে অসহায় মানুষ বলে মনে হবে। কারো উপর ভরসা করে নিজের জীবনটা সঁপে দেয়া ভীষণ বোকামি। যার ফল ভোগ করতে হবে আপনাকে একদিন না একদিন, দেখবেন ততোদিনে হয়তো অনেক দেরি হয়ে গেছে। নিজেকে স্বনির্ভর করে তোলাটা ভীষণ জরুরী। ভালোবাসা, স্নেহের নামকরণে কারো সহায়তায় বেঁচে থাকা মানে একটা দায়বদ্ধতার জীবনে বাস করা।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8/">সফল ব্যবসায়ী হিসেবে নতুনদের আইকন হতে চান পপি হিমাদ্রি</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>2</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রত্যাশার বাস্তবতা খুঁজে পেয়েছেন আরিফা সুলতানা</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%9c/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 23 Aug 2022 08:28:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[আরিফা সুলতানা]]></category>
		<category><![CDATA[উই]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[টেস্ট অব রেইনবো]]></category>
		<category><![CDATA[নাছিমা আক্তার নিশা]]></category>
		<category><![CDATA[নারী উদ্যোক্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=7216</guid>

					<description><![CDATA[<p>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, নিজের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেছেন আরিফা সুলতানা। চলুন শুনি তার উদ্যোক্তা জীবনের গল্প। আমি আরিফা সুলতানা। আমার গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলায়। কিন্তু জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকাতেই। আমার বাবা একজন সরকারি কর্মকর্তা ও মা গৃহিনী। আমি তাদের একমাত্র কন্যা। আমি কাকলি হাই স্কুল থেকে এসএসসি ও বাংলাদেশ রাইফেলস্ কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করি। এরপর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ ও এমবিএ কমপ্লিট করি। বিবিএ করার পর ইন্টার্ন হিসাবে কিছু দিন ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামিক ব্যাংকে কর্মরত ছিলাম। বিবিএ শেষ করে নিজের অধিক ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও চাকরি জীবনে অগ্রগামী হতে পারিনি, কারণ ততোদিনে আমার [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%9c/">প্রত্যাশার বাস্তবতা খুঁজে পেয়েছেন আরিফা সুলতানা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, নিজের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেছেন আরিফা সুলতানা। চলুন শুনি তার উদ্যোক্তা জীবনের গল্প।</strong></p>
<p>আমি আরিফা সুলতানা। আমার গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলায়। কিন্তু জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকাতেই। আমার বাবা একজন সরকারি কর্মকর্তা ও মা গৃহিনী। আমি তাদের একমাত্র কন্যা। আমি কাকলি হাই স্কুল থেকে এসএসসি ও বাংলাদেশ রাইফেলস্ কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করি। এরপর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ ও এমবিএ কমপ্লিট করি। বিবিএ করার পর ইন্টার্ন হিসাবে কিছু দিন ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামিক ব্যাংকে কর্মরত ছিলাম।</p>
<p>বিবিএ শেষ করে নিজের অধিক ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও চাকরি জীবনে অগ্রগামী হতে পারিনি, কারণ ততোদিনে আমার বিবাহিত জীবনে পদদর্পন করা হয়ে গিয়েছিলো। ২০১৩ সালে আমার প্রথম সন্তান জন্ম গ্রহণ করে, তাই চাকরি থেকে ছেলেকে সময় দেয়াটা জরুরি মনে করেছিলাম। সে সময় ছেলেকে সময় দেয়ার পাশাপাশি এমবিএ কমপ্লিট করি। ২০১৯ সালে আমার দ্বিতীয় সন্তান জন্ম গ্রহণ করে যার কারণে চাকরি বিষয়টা আমার জন্য আরো কঠিন হয়ে যায়।</p>
<p>তবে মনের ভিতর একটা ছোট বাসনা রয়েই গিয়েছিলো যে সংসারে সব গুছিয়ে নিজেকে একটা অবস্থানে নিয়ে যাবো, যার ফলাফল সুদূরপ্রসারী হলেও চেষ্টা থাকবে অবিরাম। আর তখনই আমি চাকরি বাদে ব্যবসাক্ষেত্রে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার কথা চিন্তা করি। আর এই ইচ্ছাশক্তি কে আরো বেশি অনুপ্রেরণা ও উৎসাহিত করেছে আমার বাবা-মা সাথে আমার স্বামীর কাছ থেকে পেয়েছি পূর্ণ স্বাধীনতা, যা আমার উদ্যোক্তা জীবনকে এগিয়ে নেয়ার জন্য অনেক সাপোর্ট দিয়েছে।</p>
<p>২০২০ সালে করোনাকালীন সময় আমি আমার উদ্যোগের প্রথম সিদ্ধান্ত নেই। সে সময় আমি কেক ও চকলেটের উপর একটা শর্ট কোর্স করি এবং প্রথমে বাড়িতেই প্র্যাকটিস করতে থাকি। সবার পজিটিভ ফিডব্যাক আমাকে মানসিক শক্তি যোগায়, তখন আমি অনলাইন পেইজের মাধ্যমে প্রথম আমার উদ্যোগ চালু করি। আমার পেইজের নাম &#8220;Taste of Rainbow&#8221; (টেস্ট অব রেইনবো)। আমার প্রতিষ্ঠানে সবধরনের কেক ও চকলেট আমি নিজে তৈরি করি। যেহেতু খাবার আইটেম নিয়ে কাজ করি, তাই সীমিত লাভে সর্ব্বোচ ভালো সার্ভিস দেয়াটাই ছিলো আমার মূল লক্ষ্য।</p>
<p>শুরুতে আমি প্রায় ২০,০০০ টাকা ইনভেস্ট এর মাধ্যমে আমার উদ্যোগ শুরু করি। শুরুর দিকে কিছু দিন অফলাইন বিজনেস করলেও পরে ২০২১ সালে অনলাইন বিজনেসের সিদ্ধান্ত নেই, আর তখনই বসুন্ধরা জোন এর কোঅর্ডিনেটর শামীম আরা ডালিয়া আপুর মাধ্যমে Women and e-Commerce Trust (WE) তে যোগদান করি। যেখানে নিজের উদ্যোগকে কিভাবে ধারাবাহিক গতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারি। প্রথম দিকে কমার্শিয়াল ওয়েতে বিজনেস না করে সীমিত লাভে কাস্টমারের সন্তুষ্টি অর্জন করাই ছিলো আমার মূল লক্ষ্য। আল্লাহর রহমতে আমার উদ্যোগ জীবন শুরুর খুব অল্প সময়ে আমি আমার স্বপ্নের অনেকটা বাস্তব চিত্র খুঁজে পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।</p>
<p>আমার মতে একজন উদ্যোক্তা হতে হলে অবশ্যই তার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে এবং নিজের কাজকে ভালোবাসতে হবে সাথে থাকতে হবে পরিশ্রম ও সততা। আমি বিশ্বাস করি কাজের দক্ষতা ও সততার মাধ্যমেই আপনি আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। যেহেতু আমার বিজনেসে আমি এখনও নতুন তাই বর্তমানে আমার ১ জন কর্মী রয়েছে ও আমি নিজেই আমার পন্য তৈরি করি।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter wp-image-7217 size-full" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/08/Grey-Brown-Simple-Photo-Collage-9.jpg" alt="Grey Brown Simple Photo Collage 9" width="600" height="480"><br />
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা শেষে চাকরি খুজঁতে ব্যস্ত থাকলেও আমার মতে চাকরি আপনাকে একটা নিদিষ্ট সময় পর্যন্ত সাপোর্ট দিবে, কিন্তু আপনি যদি আপনার উদ্যোগ কে আপনার দক্ষতার মাধ্যমে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন, তবে তার ফলাফল আপনাকে কয়েক প্রজন্ম পর্যন্ত সাফল্য এনে দিতে পারে। তাই প্রথম দিকে আমি নিজেও চাকরিতে আগ্রহী থাকলেও পরবর্তীতে উদ্যোক্তা হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার বিষয়টাই আমার ভালো লেগে যায়।</p>
<p>আমার প্রতিষ্ঠানের নাম &#8220;টেস্ট অব রেইনবো&#8221;। ২০২১ সালে অনলাইন ও অফলাইন সার্ভিসের মাধ্যমে আমার প্রতিষ্ঠান চালু করি। আমার প্রতিষ্ঠানে কাস্টমারের চাহিদা অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কাস্টমাইজ কেক ও চকলেট তৈরি করা হয়। আমার সিগনেচার আইটেমের মধ্যে কাস্টমাইজ কেক ও ম্যাসেঞ্জার চকলেট উল্লেখযোগ্য, যেখানে চকলেটে অথবা কেকে কাস্টমারের পছন্দ অনুযায়ী মেসেজ লিখে দেয়া হয়।</p>
<p>একটা সময় আমাদের দেশে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা খুবই কম ছিলো, কারণ তারা সেভাবে কোনো সুযোগ সুবিধা পেতোনা, কিন্তু বর্তমানে নারীদের জন্য অনলাইন ও অফলাইনে অসংখ্য সুযোগ সুবিধা চালু রয়েছে। তেমনি একটি প্ল্যাটফর্মের নাম Women and e-Commerce Trust (WE) অনলাইন গ্রুপ। যেখানে &#8216;উই&#8217; প্রেসিডেন্ট নাছিমা আক্তার নিশা আপু ১২ লাখের অধিক নারী উদ্যোক্তাদের নিজস্ব আত্মপরিচয়ের মাধ্যমে তাদের উদ্যোগকে এগিয়ে নেয়ার জন্য বিশেষ অবদান রাখছে এবং সেই সাথে সবধরনের আর্থিক ও সামাজিক সহযোগিতা করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এধরনের আরো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশী নারী উদ্যোক্তাদের একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিচ্ছেন। বহু সংখ্যক বাংলাদেশী নারী এখন নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।</p>
<p>প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রে আমি বলবো উদ্যোগের বিষয়ে আপনার অনুকূল ও প্রতিকূল পরিবেশ চিন্তা করেই কাজ শুরু করা উচিত। আলহামদুল্লিলাহ এখন পর্যন্ত তেমন কোনো প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হইনি। তবে কাজের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা আসতেই পারে, কিন্তু আমার মতে সঠিক পরিশ্রম ও সততার মাধ্যমে কাজ করলে সকল প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে সফলতা আপনাকে ধরা দিবেই।</p>
<p>আমার ক্ষেত্রে সেলের সংজ্ঞাটা একটু অন্য রকম, ঐ যে বললাম অল্প সময়ে খুব বেশি পরিমানে সেলের আশায় আমি উদ্যোগ শুরু করিনি। আমার দক্ষতাই আমার কাস্টমার কে ফিরিয়ে আনবে এটাই আমার সবসময়ের প্রচেষ্টা থাকে। আলহামদুলিল্লাহ আমার প্রত্যাশার অনেকটা বাস্তবতা আমি খুঁজে পেয়েছি। আর তখন আরো ভালো লাগে যখন আমার রিপিট কাস্টমার অনেক দূরে থেকেও আমার বাসায় এসে পণ্য নিয়ে যায়।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%87/">সৃষ্টিশীল কাজের প্রতি নেশা আমার আজন্মকালের – হাছিনা নূপুর</a></p>
<p>সরকারি বা বেসরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা এখনো পাইনি, তবে যদি পাই সেটার সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে সামনে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবো। আমার প্রতিষ্ঠানের সব থেকে বড় অর্জন আমার কাস্টমারের ভরসা ও বিশ্বাস, যা অটুট রেখে আমি আমার প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।</p>
<p>আমার স্বপ্ন ভবিষ্যতে আমি আমার উদ্যোগ কে যেনো একটি ব্র্যান্ডে পরিনত করতে পারি ও বাংলাদেশের সব জেলাতে আমার প্রতিষ্ঠানের শাখা থাকবে। এর মাধ্যমে আমি অসহায় নারী ও পুরুষদের কর্মস্থল তৈরি করে দিতে চাই ও আমি সমাজে একজন সহযোগী হিসাবে অবদান রাখতে চাই। আল্লাহ যেনো আমার ইচ্ছা পূরণ করে সবাই সেই দোয়া করবেন।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%9c/">প্রত্যাশার বাস্তবতা খুঁজে পেয়েছেন আরিফা সুলতানা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>2</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সৃষ্টিশীল কাজের প্রতি নেশা আমার আজন্মকালের- হাছিনা নূপুর</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%87/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 22 Aug 2022 07:12:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[আইসিটি মন্ত্রণালয়]]></category>
		<category><![CDATA[ই-ক্যাব]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[এসএমই ফাউন্ডেশন]]></category>
		<category><![CDATA[নারী উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[নাসিমা আক্তার নিশা]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যাংক]]></category>
		<category><![CDATA[মায়িশাস কালেকশন]]></category>
		<category><![CDATA[রাজীব আহমেদ]]></category>
		<category><![CDATA[হাছিনা নূপুর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=7206</guid>

					<description><![CDATA[<p>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, কথা হলো উদ্যোক্তা হাছিনা নূপুরের সঙ্গে। আজ শুনবো তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প। আসসালামু আলাইকুম। আমি হাছিনা নূপুর। জন্মস্থান ফরিদপুর। শৈশব এবং বেড়ে ওঠা ফরিদপুরেই। বাবার কর্মসূত্রে কৈশোরের কতগুলো বছর কেটেছে রংপুর শহরে। কৈশোরের স্বপ্নময় দিনগুলো পেরোতে না পেরোতেই বসতে হয় বিয়ের পিঁড়িতে। মাত্র ১৪ বছর বয়সে বিয়ে হয়, তারপর জড়িয়ে পড়তে হয় সংসার জীবনে। ১৫ বছর বয়সে প্রথম সন্তানের মা হই। পরনির্ভরশীলতা আমার কখনোই পছন্দ ছিলোনা। ছোটবেলা থেকেই আমি একটু স্বাধীনচেতা মানুষ। স্বপ্ন দেখতাম নিজের একটা জগৎ থাকবে, আমি নিজেই নিজের অধীন। আত্মনির্ভরশীল হবো। অদম্য ইচ্ছাশক্তি কাজ করতো নিজের মতো করে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%87/">সৃষ্টিশীল কাজের প্রতি নেশা আমার আজন্মকালের- হাছিনা নূপুর</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, কথা হলো উদ্যোক্তা হাছিনা নূপুরের সঙ্গে। আজ শুনবো তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প।</strong></p>
<p>আসসালামু আলাইকুম। আমি হাছিনা নূপুর। জন্মস্থান ফরিদপুর। শৈশব এবং বেড়ে ওঠা ফরিদপুরেই। বাবার কর্মসূত্রে কৈশোরের কতগুলো বছর কেটেছে রংপুর শহরে। কৈশোরের স্বপ্নময় দিনগুলো পেরোতে না পেরোতেই বসতে হয় বিয়ের পিঁড়িতে। মাত্র ১৪ বছর বয়সে বিয়ে হয়, তারপর জড়িয়ে পড়তে হয় সংসার জীবনে। ১৫ বছর বয়সে প্রথম সন্তানের মা হই।</p>
<p>পরনির্ভরশীলতা আমার কখনোই পছন্দ ছিলোনা। ছোটবেলা থেকেই আমি একটু স্বাধীনচেতা মানুষ। স্বপ্ন দেখতাম নিজের একটা জগৎ থাকবে, আমি নিজেই নিজের অধীন। আত্মনির্ভরশীল হবো। অদম্য ইচ্ছাশক্তি কাজ করতো নিজের মতো করে নিজের একটা পরিচয় গড়ে তুলবো, নিজস্ব একটা সত্ত্বা থাকবে, মানসিক স্বাধীনতা, প্রশান্তি থাকবে। আমাকে আমার নামে চিনবে। উৎসাহ, প্রেরণা, সহযোগিতা যেটাই বলিনা কেনো কোনোটাই আমার ছিলোনা। ওই যে আত্মনির্ভরশীল এবং মানসিক স্বাধীনতার তাগিদে একাই সংগ্রাম করেছি।</p>
<p>আমি সম্পূর্ণ দেশি পণ্য নিয়ে কাজ করছি। আমার দেশের পণ্য বিশ্বদরবারে তুলে ধরার জন্য ভালোলাগা এবং ভালোবাসা থেকেই কাজ করছি তাঁত, টাই-ডাই, ব্লক ও বাটিক পণ্য নিয়ে। সাথে আছে নিজেদের তৈরী মেটাল এবং কাপড়ের গহনা। দেশের তাঁতিদের শ্রমের মূল্য দিতে, দেশের তাঁত শিল্পকে বাঁচাতেই মূলত তাঁত পণ্য নিয়ে কাজ করা।</p>
<p>সৃষ্টিশীল কাজের প্রতি নেশা আমার আজন্মকালের। শেখার জানার আগ্রহের কমতি নেই কখনো। নতুন কিছু জানার শেখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত। শেখার কোনো শেষ বা বয়স নেই। আত্মবিশ্বাস এবং পরিশ্রমই পারে সকল বাঁধা অতিক্রম করতে। টাই-ডাই, ব্লক-বাটিকের প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজে হাতেই এগুলো করছি এবং কিছু নারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি।</p>
<p>আমার প্রতিষ্ঠানের নাম &#8220;Mayisha&#8217;s Collection&#8221; (মায়িশাস কালেকশন)। আমি সবসময় আমার সেরাটাই দেওয়ার চেষ্টা করি। আমি বিশ্বাস করি &#8220;সততাই ব্যবসার মূল পুঁজি&#8221;। ক্রেতার সন্তুষ্টি আমাদের বড় পাওয়া। আমাদের মূল শ্লোগানই হচ্ছে : পণ্যের গুণগতমান নিয়ে &#8220;মায়িশাস কালেকশন&#8221; সর্বদাই আপোষহীন।</p>
<p>শুরুর পথটা মোটেই মসৃন ছিলোনা। রক্ষনশীল পরিবারে বেড়ে ওঠা, কম বয়সে বিয়ে হওয়া তারপর থেকে হাজারটা বাঁধা নিষেধ। মেয়ে মানুষের কেনো এসব করতে হবে? কেনো বাইরের জগতে পা রাখতে হবে? কি দরকার তোমার এসব করার? খেয়ে পরে জীবন চালিয়ে নাও ব্যস।</p>
<p>কিন্তু আমার স্বপ্ন দমে যায়নি, এক মুহূর্তের জন্যও থেমে থাকেনি। মনের কোনে ডানা ঝাপটানো অবাধ্য স্বপ্নগুলোকে পাখা মেলতে দেয়ার জন্য একাই লড়েছি আমি। নিজের আপন মানুষগুলোর তিরস্কার অবহেলা সয়ে কখনো কখনো ভেঙে পড়েছি, হোঁচট খেয়েছি কিন্তু মনোবল হারাইনি। বারবার পিছিয়ে গিয়েও আবার এগিয়ে যাবার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গেছি, ঘুরে দাঁড়িয়েছি। আমার আত্মবিশ্বাস আর মনের অবাধ্য স্বপ্নগুলো আমাকে হারতে দেয়নি, আমি পারবোই।</p>
<p>আমাদের সমাজে এমন অনেক পরিবার আছে যেখানে মেধার মূল্যায়ন করা হয়না। যদি কেউ নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে কিছু একটা করে আত্মনির্ভরশীল হতে চায়, তাকে উৎসাহ তো দূরের কথা তিরস্কার আর বঞ্চনার স্বীকার হতে হয়। উদ্যোক্তা শব্দটা যে কতোটা অর্থবহ এবং সম্মানের এটা আমাদের অধিকাংশ পরিবারই বোঝেনা।</p>
<p>খুবই সীমিত স্বল্প কিছু নিয়ে শুরু করি একটু একটু করে। প্রথম দিকে আর্থিক বা মানসিক কোনো সাপোর্টই ছিলোনা। তিল তিল করে মনের ইচ্ছাশক্তির জোরে খুবই ছোট পরিসরে ব্যবসা চালিয়ে গেছি। শুরু থেকেই দুঃসময়ের সেই দিনগুলোতে একমাত্র সাপোর্ট এবং ভরসা ছিলো আমার মেয়ে মায়িশা। যার নামেই আমার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান &#8220;Mayisha&#8217;s Collection&#8221;</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter wp-image-7207 size-full" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/08/Grey-Brown-Simple-Photo-Collage-8.jpg" alt="Grey Brown Simple Photo Collage 8" width="600" height="480"><br />
সে সাথে থেকে আমার প্রোডাক্ট সোর্স, ডিজাইন, ম্যাচিং প্রতিটা কাজে আমাকে সাহায্য করেছে। সবচেয়ে বড় কথা সে সাথে থাকলে বাইরে যাওয়ার অনুমতিটা পেতে সমস্যা হতোনা। প্রথম দিকে পণ্যের ছবি তোলা এবং মডেল সে নিজেই হয়েছে। একজন উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আত্মবিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম, সততা, কিছু মূলধন এবং পারিবারিক সাপোর্ট খুবই প্রয়োজন।</p>
<p>চাকরি মানেই পরের অধীন, নিয়ম বেঁধে জীবনযাপন। আমি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। নিজের মেধা আর শ্রমকে কাজে লাগিয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়াটাই আমি গৌরবের মনে করি। চাকরি নিবোনা চাকরি দিবো। মানুষের জন্য কিছু করতে পারার মধ্যেও আত্মতৃপ্তি আছে সুখ আছে। আমি যেনো ঘরবন্দি কিছু নারীর স্বপ্নকে পাখামেলার সুযোগ করে দিতে পারি, নিজে আত্মনির্ভরশীল হয়ে আরো মানুষকে আত্মনির্ভরশীল করতে পারি সেই চিন্তাধারা থেকেই উদ্যোক্তা হওয়া।</p>
<p>&#8220;Mayisha&#8217;s Collection&#8221; আমার স্বপ্ন। স্বপ্নটাকে বড় করে বহুদূর যেতে চাই। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে নারীদের কিছু করা বা উদ্যোক্তা হওয়া ছিলো কল্পনাতীত কিন্তু সময় এখন পাল্টে গেছে, নারী উদ্যোক্তাদের মেধা এবং শ্রমকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সরকারিভাবেই বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। উদ্যোক্তাদের নিয়ে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন গ্রুপ যেখানে অসংখ্য নারী তার মেধা এবং প্রতিভাকে কাজে লাগাচ্ছে।</p>
<p>রাজীব আহমেদ স্যার, নাসিমা আক্তার নিশা আপুর মতো আরো অনেকেই তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের তুলে আনতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আইসিটি মন্ত্রণালয়, ই-ক্যাব, এসএমই ফাউন্ডেশন, বিভিন্ন ব্যাংক এবং প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে ও নারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করছে।</p>
<p>প্রতিবন্ধকতার তিক্ত অভিজ্ঞতা আমার মনে হয় আগের প্রশ্নের উত্তরে প্রকাশ করে ফেলেছি। প্রতিবন্ধকতা নয়, নারীর শ্রম এবং মেধাকে মূল্যায়ন করে তাকে বিকশিত হতে দিয়ে তাকে সাবলম্বী করে তোলা প্রয়োজন। একজন পুরুষের পাশাপাশি বা তার অবর্তমানে দুঃসময়ে নারী যেনো সংসারের হাল ধরতে পারে, তাকে যেনো অবহেলিত জীবন যাপন করতে না হয় সেভাবেই একজন নারীকে প্রতিষ্ঠিত হতে দেয়া উচিত।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab/">নাচের পাশাপাশি নিজেকে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরী কর&#x200d;তে চান বনানী এস চৌধুরী</a></p>
<p>সেল আলহামদুলিল্লাহ ভালোই। আমাদের সেবায় আমাদের কাস্টমার দাম এবং কোয়ালিটি দুইটাতেই সন্তুষ্ট। ছবিতে যেটা দেখে, পণ্য হাতে পাওয়ার পর দেখে ছবির থেকেও আরো ভালো তাহলে বুঝতেই পারছেন। আগেই বলেছি কোয়ালিটি নিয়ে কোনো আপোষ করিনা। বিশ্বাস এবং আস্থার আরেক নাম &#8220;Mayisha&#8217;s Collection&#8221;</p>
<p>সরকারি/বেসরকারি কোনো অনুদানই আমরা এখনো পাইনি। তবে আমাদের মতো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য অনুদান খুবই সহায়ক। কাস্টমারের আস্থা এবং ভালোবাসা আমাদের বড় অর্জন।</p>
<p>ভবিষ্যতে দেশি শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। তাঁত, টাইডাই, গ্রামীণচেক, গামছা চেক নিয়ে ভিন্ন মাত্রার কিছু করার ইচ্ছা আছে। কিছু মানুষের কর্মসংস্থান করার খুবই ইচ্ছা আছে। স্বপ্ন দেখি &#8220;মায়িশাস কালেকশন&#8221; একদিন বড় হবে এক নামে সবাই চিনবে।</p>
<p>পাঁচ বছর পর আত্মপ্রত্যয়ী, সাবলম্বী নারী এবং কিছু মানুষের স্বপ্নদ্রষ্টা হয়ে তাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকতে চাই। &#8220;মাটির মানুষ আকাশ ছুঁতে চাইনা, মাটিতেই স্বপ্নগুলো কুড়াতে চাই।&#8221;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%87/">সৃষ্টিশীল কাজের প্রতি নেশা আমার আজন্মকালের- হাছিনা নূপুর</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নাচের পাশাপাশি নিজেকে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরী কর&#x200d;তে চান বনানী এস চৌধুরী</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Aug 2022 07:07:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[জামদানি]]></category>
		<category><![CDATA[নারী উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[নৃত্যশিল্পী]]></category>
		<category><![CDATA[বঙ্গজ]]></category>
		<category><![CDATA[বনানী এস চৌধুরী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=7174</guid>

					<description><![CDATA[<p>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, নিজের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেছেন বনানী এস চৌধুরী। চলুন শুনি তার উদ্যোক্তা জীবনের গল্প। আমি বনানী এস চৌধুরী। সিলেটে জন্ম ও সেখানেই বেড়ে ওঠা। আমি একজন নৃত্যশিল্পী। ৬ বছর বয়স থেকেই আমার নাচের প্রতি একটা ভালোবাসা কাজ করে, সেই থেকে এখন পর্যন্ত আমি আমার নাচকে নেশা হিসেবেই নিয়েছি। এর পাশাপাশি ১৩ বছর চাকরি করার পর যখন সন্তানের কথা চিন্তা করে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ঘরে বসে থাকি, তখন অনেকটা সময় জীবন থেকে চলে গেছে। প্রায় ৭ বছর পর আমার সহযোদ্ধা বিপ্লব করের অনুপ্রেরণা, উৎসাহ ও সহযোগিতায় আজ আমি উদ্যোক্তা। জামদানি নিয়ে আমার পথ [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab/">নাচের পাশাপাশি নিজেকে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরী কর&#x200d;তে চান বনানী এস চৌধুরী</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, নিজের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেছেন বনানী এস চৌধুরী। চলুন শুনি তার উদ্যোক্তা জীবনের গল্প।</strong></p>
<p>আমি বনানী এস চৌধুরী। সিলেটে জন্ম ও সেখানেই বেড়ে ওঠা। আমি একজন নৃত্যশিল্পী। ৬ বছর বয়স থেকেই আমার নাচের প্রতি একটা ভালোবাসা কাজ করে, সেই থেকে এখন পর্যন্ত আমি আমার নাচকে নেশা হিসেবেই নিয়েছি। এর পাশাপাশি ১৩ বছর চাকরি করার পর যখন সন্তানের কথা চিন্তা করে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ঘরে বসে থাকি, তখন অনেকটা সময় জীবন থেকে চলে গেছে। প্রায় ৭ বছর পর আমার সহযোদ্ধা বিপ্লব করের অনুপ্রেরণা, উৎসাহ ও সহযোগিতায় আজ আমি উদ্যোক্তা। জামদানি নিয়ে আমার পথ চলা শুরু। আমার প্রতিষ্ঠানের নাম &#8220;বঙ্গজ&#8221;/<a href="http://bangaj.com/" target="_blank" rel="nofollow noopener">bangaj.com</a></p>
<p>জামদানি ইনোভেশন, জামদানি শার্ট যা জামদানির ইতিহাসে &#8220;বঙ্গজ&#8221; প্রথম করে। প্রথম বলার কারণ হলো এতোদিন আমরা দেখে আসছি জামদানি শাড়ি বা কাপড় কেটে শার্ট, ফতুয়া তৈরি করতে যা ট্রান্সফর্মেশন। আর আমি ও বঙ্গজের ডিজাইনার বিপ্লব করের নিজস্ব ভাবনা ও ডিজাইনে জামদানির শার্ট ও ফতুয়া তৈরি করেছি, যা বাসায় খুব সহজে নরমাল ওয়াশ করে নিতে পারবেন। আগে যে শার্টগুলো তৈরি হতো তা ধোয়া যেতো না এবং কয়েকদিন ড্রাই ওয়াশ করার ফলে সুতা নষ্ট হয়ে ফ্যাকাশে হয়ে যেতো। আমি সেই সমস্যার সমাধান বের করে জামদানিতে শার্ট তৈরি করেছি।</p>
<p>&#8220;বঙ্গজ&#8221; স্পেশাল জামদানি থ্রি পিস জামদানি শার্টের মতো এটিও আমার প্রথম ইনোভেশন, যা আগে কেউ করেননি। &#8220;বঙ্গজ&#8221; স্পেশাল জামদানি থ্রি পিস বানানোর আইডিয়া মাথায় আসলো কারণ জামদানি থ্রি পিস সবসময়ই দেখে আসছি ড্রেসের গলায় কাজ, নিচের অংশে সামান্য পাড় দেয়া থাকে। যারা বড় ওড়না পরেন বা হিজাব পরেন তারা অনেকেই এক সাইডে ওড়না পরেন না, তাই জামদানি থ্রি পিসের দিকে আকর্ষণ কম থাকে। কিন্তু কাপড়ের কোয়ালিটি, ধোয়া এবং পরতে এতোটাই আরামদায়ক, যে একবার ব্যবহার করবেন সে বারবারই পরতে চাইবেন। সেই চিন্তা মাথায় নিয়ে আমরা বঙ্গজে নতুন কিছু করার প্ল্যান করি।</p>
<p>এই ড্রেস বানানোর পরই মাথায় আসে এতো সুন্দর জামার সাথে যদি ম্যাচিং জামদানি হিজাব থাকে তাহলে পুরো গর্জিয়াস একটা লুক আসবে হিজাব প্রেমীদের।</p>
<p>বঙ্গজের বিশেষত্ব হলো &#8211;</p>
<p>&#x1f4a5; বঙ্গজ- বঙ্গে জন্মেছে যে, এখানে দেশীয় কাপড় ছাড়া বিদেশি কোনো পণ্য পাওয়া যাবে না।</p>
<p>&#x1f4a5; ডিজাইন এবং কালার কাস্টমাইজ করার সুবিধা</p>
<p>&#x1f4a5; কোয়ালিটি ঠিক রেখে সাধ্যের মধ্যে জামদানিকে নিয়ে আসা</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter wp-image-7175 size-full" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/08/Grey-Brown-Simple-Photo-Collage-7.jpg" alt="Grey Brown Simple Photo Collage 7" width="600" height="480"><br />
২০২০ সালের করোনাকালীন সময়ে নিজের হাত খরচের জমানো ৩০ হাজার টাকা দিয়ে বঙ্গজের যাত্রা শুরু করি ১২ জুলাই। উদ্যোগ শুরুর ৪ মাসের মাথায় ৪ লাখ টাকার জামদানি সেল করি। সেই নিউজ &#8220;আমাদের সময়&#8221; পত্রিকায় বের হবার পর &#8220;গ্রামীণ ফোন&#8221; কোম্পানি আমাকে নিয়ে OVC তৈরি করে, যার নাম ছিলো &#8220;আমরা চাইলে কী না সম্ভব&#8221;।</p>
<p>তারপর গত ঈদে বঙ্গজের জামদানি শার্ট এর ক্রেতা ছিলেন নায়ক রিয়াজ। আমি আমার &#8220;বঙ্গজ&#8221; কে একনামে সবার কাছে পরিচিত করে তুলে ধরতে চাই। নাচের পাশাপাশি আমি নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করতে চাই।</p>
<p>সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা পাইনি। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে সিলেট হাইটেক পার্কের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে &#8220;বঙ্গজ&#8221; সিলেট হাইটেক এ একটি স্পেস বরাদ্দ পেয়েছে এবং জলবায়ু সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডকে র‌্যাম্প আপ করার জন্য এবং এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে SDG গুলিকে এগিয়ে নিতে জলবায়ু অর্থায়ন এবং বিনিয়োগের প্রবাহকে অনুঘটক করা বিষয়ক আসন্ন গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যা COP27-এর মিশরীয় প্রেসিডেন্সি, জলবায়ুর জন্য জাতিসংঘের উচ্চ স্তরের চ্যাম্পিয়নদের দ্বারা সহ-সংগঠিত। গোলটেবিলটি আগামী ২৫ আগস্ট ২০২২ তারিখে ব্যাংককের জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে (UNCC) অনুষ্ঠিত হবে। এটি আমার উদ্যোগের ২ বছরের মাঝে সবথেকে বড় অর্জন।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/">নিজস্ব গার্মেন্টস কারখানা করতে চান উদ্যোক্তা সৈয়দ মোঃ হোসাইন</a></p>
<p>বঙ্গজে এ পর্যন্ত সেল হয়েছে প্রায় ২৫ লাখ টাকার উপর এবং প্রতিটি ক্রেতা পণ্যের গুনগত মান ঠিক থাকায় আবার রিপিট ক্রেতা হোন খুব তাড়াতাড়ি দেশে ও প্রবাসে।</p>
<p>আগামী ৫ বছরের মধ্যে জামদানিতে নিজস্ব স্বকীয়তা ঠিক রেখে আরো নতুন নতুন ইনোভেশন করা ও দেশের ৬৪ জেলাসহ বাইরের ১০ টি দেশে বঙ্গজকে সুন্দরভাবে পৌঁছে দিয়েছি এবং আগামীতে বিশ্বের দরবারে দেখতে চাই। &#8220;বঙ্গজ&#8221; ও দেশীয় পণ্যের মাধ্যমে দেশকে আরো এগিয়ে নিতে চাই। প্রবল ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম আর দৃঢ় মনোবল স্বপ্নের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে আমি মনে করি।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab/">নাচের পাশাপাশি নিজেকে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরী কর&#x200d;তে চান বনানী এস চৌধুরী</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>2</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নিজস্ব গার্মেন্টস কারখানা করতে চান উদ্যোক্তা সৈয়দ মোঃ হোসাইন</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 15 Aug 2022 06:47:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[কারখানা]]></category>
		<category><![CDATA[কুমিল্লা]]></category>
		<category><![CDATA[গার্মেন্টস]]></category>
		<category><![CDATA[পাঞ্জাবি]]></category>
		<category><![CDATA[রশিদা ফ্যাশন]]></category>
		<category><![CDATA[সৈয়দ মোঃ হোসাইন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=7159</guid>

					<description><![CDATA[<p>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, কথা হলো উদ্যোক্তা সৈয়দ মোঃ হোসাইনের সঙ্গে। আজ শুনবো তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প। আমি সৈয়দ মোঃ হোসাইন। জন্ম ও বেড়ে ওঠা রসমালাই ও খাদি/খদ্দর এর জন্য বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা জেলায়। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের সাকছি সৈয়দ বাড়ি আমার গ্ৰাম। ঢাকার একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ৭ম সেমিস্টারে অধ্যয়নরত (৩য় বর্ষ)। ছোটবেলা থেকেই স্বাধীনভাবে কিছু করার ইচ্ছে ছিলো, বিজনেস এর প্রতি ঝোঁক ছিলো বেশি। যা কিছুই করি না কেনো, আমার একটা নিজস্ব বিজনেস থাকবে এমনটাই আমার সংকল্প ছিলো। আমার প্রতিষ্ঠানের নাম &#8220;Roshida Fashion&#8221; (রশিদা ফ্যাশন), যেটি আমার মায়ের নামে। আমার মূলত পাইকারি [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/">নিজস্ব গার্মেন্টস কারখানা করতে চান উদ্যোক্তা সৈয়দ মোঃ হোসাইন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, কথা হলো উদ্যোক্তা সৈয়দ মোঃ হোসাইনের সঙ্গে। আজ শুনবো তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প।</strong></p>
<p>আমি সৈয়দ মোঃ হোসাইন। জন্ম ও বেড়ে ওঠা রসমালাই ও খাদি/খদ্দর এর জন্য বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা জেলায়। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের সাকছি সৈয়দ বাড়ি আমার গ্ৰাম। ঢাকার একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ৭ম সেমিস্টারে অধ্যয়নরত (৩য় বর্ষ)।</p>
<p>ছোটবেলা থেকেই স্বাধীনভাবে কিছু করার ইচ্ছে ছিলো, বিজনেস এর প্রতি ঝোঁক ছিলো বেশি। যা কিছুই করি না কেনো, আমার একটা নিজস্ব বিজনেস থাকবে এমনটাই আমার সংকল্প ছিলো।</p>
<p>আমার প্রতিষ্ঠানের নাম &#8220;Roshida Fashion&#8221; (রশিদা ফ্যাশন), যেটি আমার মায়ের নামে। আমার মূলত পাইকারি বিজনেস। তবে কিছু কিছু প্রোডাক্ট পাইকারি ও খুচরা সেল করা হয়। কাজ করছি এক্সপোর্ট কোয়ালিটি গার্মেন্টস আইটেম নিয়ে। আমার সিগনেচার পণ্য পাঞ্জাবি। বর্তমান চাহিদার শীর্ষে আড়ং কটন যা হ্যান্ড পেইন্ট, স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট, বাটিক প্রিন্ট ও সুঁই-সুতা ইত্যাদি কাজের উপযোগী। ২০২০ সালের ১ নভেম্বর আমার উদ্যোগ শুরু মাত্র ২,৫০০ টাকা মূলধন নিয়ে।</p>
<p>উদ্যোগের শুরুতে অনেক প্রতিবন্ধকতা ছিলো, সে কথা বলতে গেলে শেষ হবে না। তবে আমি তাদের কথায় পাত্তা দেইনি, ছিলাম নিজ উদ্যোগে অটল। প্রতিবেশীরা আমার উদ্যোগ বন্ধ করার জন্য সরাসরি বাধা দেয়, আমি ছিলাম তখন নিশ্চুপ। আমার উদ্যোগের জন্য নাকি তাদের মানহানি হচ্ছে! এক পর্যায়ে আমার বাবাকে ফোর্স করে যাতে আমার উদ্যোগ বন্ধ করে দেই। তবে &#8220;বাবা&#8221; বলে আব্বু আমি অনলাইন বিজনেস এইসব কিছু বুঝিনা, তুমি পড়াশোনা ঠিক রেখে করতে পারলে করো আমার কোনো আপত্তি নেই। &#8220;মা&#8221; ও একই কথা বলেন। আমার দুই বোন আমাকে খুব সাপোর্ট করে। এখন আমার সমালোচকদের মুখে তালা!</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter wp-image-7160 size-full" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/08/Grey-Brown-Simple-Photo-Collage-6.jpg" alt="Grey Brown Simple Photo Collage 6" width="600" height="480"><br />
আপনার সার্ভিসের মান ভালো হলে অটো সেল আসতে থাকবেই। আলহামদুলিল্লাহ আমার একদিনের সর্বোচ্চ সেল প্রায় ২ লক্ষ টাকা। আমার সার্ভিসে কাস্টমার সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট। এটা আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি, কারণ আমার রিপিট ও রেগুলার কাস্টমারই বেশি।</p>
<p>আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো আমার নিজস্ব গার্মেন্টস কারখানা/বায়িং হাউস থাকবে। আমার পোশাক বিশ্বদরবারে রপ্তানি হবে, ইতিমধ্যে রপ্তানি করার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে আলহামদুলিল্লাহ। এখন পর্যন্ত সরকারি বা বেসরকারি কোনো সহযোগিতা পাইনি।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be/">কাজ প্রেমী কাকন আক্তার সায়মা এখন উদ্যোক্তা</a></p>
<p>একজন উদ্যোক্তাকে কোনো ভুল চোখে পড়া মাত্রই, সেই ভুল সমাধান করার মানসিকতা থাকতে হবে। ভয় নিয়ে আপনি কখনো একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেন না। একজন উদ্যোক্তা হবার যাত্রায় আপনি যদি ভয় নিয়ে চলতে থাকেন, তাহলে আপনি কখনো এগিয়ে যেতে পারবেন না। আপনাকে ভয় দূর করে, যেকোনো সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেয়ার মানসিকতা রাখতে হবে।</p>
<p>আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অনলাইন ভিত্তিক উদ্যোগ সবচেয়ে বেশি উপযোগী বলে আমি মনে করি। কেননা এতে করে তাদের সংসার ও কর্মজীবন দুটোই খুব সহজে চালিয়ে নিতে পারবেন।</p>
<p>আমাদের দেশে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষে চাকরির পেছনে ছুটে অযথা সময় নষ্ট করে, শুধু চাকরিই কেনো করতে হবে? বরং আমি মনে করি, পড়াশোনা অবস্থায়ই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর উচিত নিজ উদ্যোগে কিছু করার চেষ্টা করা। চাকরি করবো না বরং চাকরি দিবো, নিজের মধ্যে এই মানসিকতা তৈরি করতে হবে। এতে করে নতুন নতুন কর্মসংস্থান গড়ে উঠেবে। দেশ থেকে দূর হবে অভিশপ্ত বেকার নামক উপাধি। আমাদের মাতৃভূমি হবে উন্নয়নশীল দেশ।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/">নিজস্ব গার্মেন্টস কারখানা করতে চান উদ্যোক্তা সৈয়দ মোঃ হোসাইন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কাজ প্রেমী কাকন আক্তার সায়মা এখন উদ্যোক্তা</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 13 Aug 2022 08:41:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[উই]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[কাকন আক্তার সায়মা]]></category>
		<category><![CDATA[নারী উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভিলেজ ফুড উইথ সায়মা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=7134</guid>

					<description><![CDATA[<p>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, নিজের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেছেন কাকন আক্তার সায়মা। চলুন শুনি তার উদ্যোক্তা জীবনের গল্প। আমি কাকন আক্তার সায়মা। জন্ম পদ্মার তীর ঘেঁষে বেড়ে ওঠা শরীয়তপুর জেলায়। নড়িয়া থানার ঘড়িষার আমার গ্রাম। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেছি। আমি একজন কাজ প্রেমী মানুষ। সবসময় কিছু না কিছু কাজ করার চেষ্টা করি। খুব ছোট থেকে আমার স্বপ্ন ছিলো নিজে কিছু করবো, নিজের একটা শপ থাকবে সেখানে কিছু ওয়ার্কার থাকবে। তাই হাতের কাজ থেকে শুরু করে সেলাই করা, নকশী আঁকা ও ঘরের সব ধরনের কাজ শিখতে শুরু করলাম। আমার মা ও আমার প্রিয় বোনরা আমাকে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be/">কাজ প্রেমী কাকন আক্তার সায়মা এখন উদ্যোক্তা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, নিজের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেছেন কাকন আক্তার সায়মা। চলুন শুনি তার উদ্যোক্তা জীবনের গল্প।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">আমি কাকন আক্তার সায়মা। জন্ম পদ্মার তীর ঘেঁষে বেড়ে ওঠা শরীয়তপুর জেলায়। নড়িয়া থানার ঘড়িষার আমার গ্রাম। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেছি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমি একজন কাজ প্রেমী মানুষ। সবসময় কিছু না কিছু কাজ করার চেষ্টা করি। খুব ছোট থেকে আমার স্বপ্ন ছিলো নিজে কিছু করবো, নিজের একটা শপ থাকবে সেখানে কিছু ওয়ার্কার থাকবে। তাই হাতের কাজ থেকে শুরু করে সেলাই করা, নকশী আঁকা ও ঘরের সব ধরনের কাজ শিখতে শুরু করলাম। আমার মা ও আমার প্রিয় বোনরা আমাকে কাজ শিখতে সাহায্য করেছেন। আমার বাবা সবসময় আমাকে বলতেন, নিজের কাজ কে ভালোবেসে করলে কাজে সফলতা আসে। আমাকে বলতেন নিজে কিছু করো। আজ বাবা নেই, তবে বাবার দোয়া সর্বদা আমার পাশে আছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">২০২০ সালের ২০ নভেম্বর আমার বন্ধু শরীফ নেওয়াজ আমাকে &#8216;উই&#8217;তে যুক্ত করেন। তখন তেমন কিছু বুঝতাম না, ভাবতাম আমাকে কেনো যুক্ত করলো? কি হবে এখানে থেকে? একদিন এক আপুর পোষ্ট খুব মনযোগ দিয়ে পড়লাম, তার জীবনের পথচলার কথা, তার সফলতার গল্প আমাকে উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত করলো। সাথে আমার কাজিন মাহফুজ রহমান ও মাকসুদা মুন্নি এরা আমাকে অনেক উৎসাহিত করলো। ওরা আমাকে অনলাইন বিজনেস কিভাবে করতে হয় কিছুটা শিখিয়ে দেন। তাদের প্রতি ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমার জীবনের বড় সাপোর্ট আমার মা। সবসময় মা আমার পাশে থেকেছেন এবং কাজে মনযোগী করে তুলেন। তার সাথে ভালোবাসি &#8216;উই&#8217;কে, ভালোবাসি &#8216;উই&#8217; জননী নিশা আপুকে। আমি কাজ করছি নকশীকাঁথা, বেবি নকশীকাঁথা, নকশী মাটির আসবাবপত্র, খাঁটি ঘি ও নারকেল নাড়ু নিয়ে। আমার উদ্যেগের নাম &#8220;Village Food with Sayma&#8221; (ভিলেজ ফুড উইথ সায়মা)।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কাজের শুরুটা খুব একটা সহজ ছিলো না। কিভাবে করবো, সেল হবে কিনা, লোকে কি বলবে এই নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। আর অনেকে অনেক কথা বলেছেন, তখন মন কে একটাই বুঝ দিলাম লোকে যা বলে বলুক, আমার পিছে ফিরলে চলবে না এগিয়ে যেতে হবে।</p>



<figure class="wp-block-gallery has-nested-images columns-default is-cropped wp-block-gallery-1 is-layout-flex wp-block-gallery-is-layout-flex">
<figure class="wp-block-image size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="600" height="480" data-id="7135" class="wp-image-7135" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/08/Grey-Brown-Simple-Photo-Collage-5.jpg" alt="Grey Brown Simple Photo Collage 5"></figure>
</figure>



<p class="wp-block-paragraph">৩৫০ টাকা দিয়ে আমার উদ্যোক্তা জীবন শুরু করি। একজন উদ্যোক্তা কে কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে, তবেই না সে তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো। এখন পর্যন্ত আমার উদ্যোগের কাজ আমি নিজেই করে থাকি। আমার পেইজের পণ্য সোর্সিং, প্যাকেজিং ও ডেলিভারি ম্যানের হাতে পৌঁছে দেয়ার যাবতীয় কাজ আমি নিজেই করে থাকি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমার প্রিয় ভাই ও বোনদের কে একটা কথা বলবো, পড়াশোনা শেষ করে চাকরির পিছে না ছুটে নিজে কিছু করো এবং অন্য কে কিছু করার সুযোগ করে দাও। আমার কাছে এটাই সর্বোত্তম পন্থা মনে হয়েছে তাই আমিও উদ্যোক্তা হয়েছি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বর্তমানে আমি নারীদের নিয়ে গঠিত এশিয়ার সবচেয়ে বড় অনলাইন গ্রুপ Women and e-Commerce Trust (WE) এর শরীয়তপুর জেলার অ্যাসিস্ট্যান্ট কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্বরত আছি। &#8216;উই&#8217; উদ্যোক্তাদের এগিয়ে যেতে অনেক ধরনের সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও &#8216;উই&#8217; এর কল্যাণে পেয়েছি কাছের দূরের অনেক মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া। ১২ লাখ এর বেশি সদস্য বিশিষ্ট গ্রুপটিতে আমাকে অনেকেই চিনেন, আমার পরিচিতি অনেকেই তুলে ধরেন।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4/">আমি কখনোই সমালোচকদের পাত্তা দেইনি- দোলনা আক্তার মিতু</a></p>



<p class="wp-block-paragraph">আমার উদ্যোগে আমি চাই পণ্য যাচাই করে গুনগত মান সবসময় ভালো দিতে। সাধ্যের মধ্যে সেরাটা দেয়া আমার উদ্যোগের কাজ। যারাই আমার ক্রেতা বা রিপিট ক্রেতা হয়েছেন, তাদের মাধ্যমে আমি বুঝতে পেরেছি আমার পণ্যের মান কতটুকু ভালো দিতে পেরেছি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমাদের দেশের প্রক্ষাপট বর্তমানে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বেশ উপযোগী। তাইতো আমার মতো হাজারও নারী নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অনেকেই আমার উদ্যোগের কথা শুনেছেন বা জেনেছেন, অনেকে অনেক কথা বলেছেন। আমি এখন আর তাদের কথায় কান দেইনা। বরঞ্চ সমালোচনা কে সামনে রেখে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এখন পর্যন্ত সেল যা হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ। আমার উদ্যোগে যারাই আমার ক্রেতা, রিপিট ক্রেতা হয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ তারা আমার সার্ভিসে খুশি ও সন্তুষ্ট হয়েছেন। সরকারি-বেসরকারি কোনো সহযোগিতা এখনো পাইনি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো &#8220;Village Food With Sayma&#8221; ক্রেতা সন্তুষ্টি নিয়ে দেশ-বিদেশে যেনো পরিচিতি পায়। সেই লক্ষ্যে আমি প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আগামী ৫ বছর পর আমি নিজেকে একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be/">কাজ প্রেমী কাকন আক্তার সায়মা এখন উদ্যোক্তা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আমি কখনোই সমালোচকদের পাত্তা দেইনি- দোলনা আক্তার মিতু</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Aug 2022 08:26:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[অরিন&#039;স কালেকশন]]></category>
		<category><![CDATA[উই]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[দোলনা আক্তার মিতু]]></category>
		<category><![CDATA[নারী উদ্যোক্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=7126</guid>

					<description><![CDATA[<p>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, কথা হলো উদ্যোক্তা দোলনা আক্তার মিতুর সঙ্গে। আজ শুনবো তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প। আমি দোলনা আক্তার মিতু। আমার জন্ম পদ্মার তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানায়। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক দুটোই শেষ করে ফিন্যান্স এর উপর বি.বি.এ সম্পন্ন করেছি। নিজে কিছু করার ইচ্ছা ছিলো আগে থেকেই। ২০২০ সালের ১৩ই আগস্ট আমার বন্ধু আমাকে &#8216;উই&#8217; তে যুক্ত করে। তারপর অনেকটা শখ থেকেই আমার অনলাইন বিজনেস শুরু করা। সেই সাথে &#8216;উই&#8217; পরিবারের বিভিন্ন উদ্যোক্তা আপুদের বিভিন্ন রকমের প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে এগিয়ে যাওয়ার গল্পগুলো আমার সবচাইতে বড় অনুপ্রেরণা। আমি কাজ করছি টাংগাইলের খেশ শাড়ি, [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4/">আমি কখনোই সমালোচকদের পাত্তা দেইনি- দোলনা আক্তার মিতু</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, কথা হলো উদ্যোক্তা দোলনা আক্তার মিতুর সঙ্গে। আজ শুনবো তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">আমি দোলনা আক্তার মিতু। আমার জন্ম পদ্মার তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানায়। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক দুটোই শেষ করে ফিন্যান্স এর উপর বি.বি.এ সম্পন্ন করেছি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">নিজে কিছু করার ইচ্ছা ছিলো আগে থেকেই। ২০২০ সালের ১৩ই আগস্ট আমার বন্ধু আমাকে &#8216;উই&#8217; তে যুক্ত করে। তারপর অনেকটা শখ থেকেই আমার অনলাইন বিজনেস শুরু করা। সেই সাথে &#8216;উই&#8217; পরিবারের বিভিন্ন উদ্যোক্তা আপুদের বিভিন্ন রকমের প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে এগিয়ে যাওয়ার গল্পগুলো আমার সবচাইতে বড় অনুপ্রেরণা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমি কাজ করছি টাংগাইলের খেশ শাড়ি, খাদি পাঞ্জাবি, জামদানী শাড়ি ও বিভিন্ন হাতের কাজের থ্রিপিস ও পার্টি ড্রেস নিয়ে। আমার উদ্যেগের নাম &#8220;অরিন&#8217;স কালেকশন&#8221;। অরিন আমার একমাত্র মেয়ে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">শুরুটা তেমন ভালো ছিলো না, পড়ালেখা করে কেনো একটি মেয়ে অনলাইন বিজনেস করবে এটা সবার প্রশ্ন। আমাকে তো এইভাবে প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়েছে। এতো পড়াশোনা করে কি লাভ হলো? চাকরি তো আর করে না! শেষ অব্দি কাপড় বিক্রি করছে?</p>



<p class="wp-block-paragraph">কিন্তু আমি কখনোই সমালোচকদের পাত্তা দেইনি। তাদের কথা কানে নেইনি। মাএ ২,৫০০ টাকা দিয়ে আমি আমার উদ্যোগ শুরু করেছি। আমার মতে একজন উদ্যোক্তা হতে গেলে অবশ্যই তার ধৈর্য্য, বুদ্ধিমত্তা, আত্নবিশ্বাসী ও পরিশ্রমী হওয়া প্রয়োজন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এখন পর্যন্ত আমার উদ্যোগের সকল কাজ আমি নিজেই করে থাকি। আমার পেইজের পণ্য সোর্সিং, পণ্যের প্যাকেজিং ও তা ডেলিভারি ম্যানের হাতে পৌঁছে দেয়ার যাবতীয় কাজ আমি নিজেই করে থাকি।</p>



<figure class="wp-block-gallery has-nested-images columns-default is-cropped wp-block-gallery-2 is-layout-flex wp-block-gallery-is-layout-flex">
<figure class="wp-block-image size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="600" height="600" data-id="7127" class="wp-image-7127" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/08/297708365_1011802416159615_3610307109918586772_n.png" alt="297708365 1011802416159615 3610307109918586772 n"></figure>
</figure>



<p class="wp-block-paragraph">বর্তমানে চাকরির পিছনে ছোটা মানে সোনার হরিণের পিছনে ছোটা। চাকরির বাজারে এখন ৪/৫ বছরের অভিজ্ঞতা ছাড়া ভালো কোনো চাকরি হয় না। পড়ালেখা করে ভালো রেজাল্ট নিয়েও চাকরি না পাওয়ায় অনেকেই হতাশায় ভুগছেন। ভবিষ্যতে চাকরি করা হোক বা না হোক, আমার মতে অন্যের অধীনে চাকরি না করে নিজে নিজে কিছু করাটা অনেক আত্মসম্মানের।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বর্তমানে আমি নারীদের নিয়ে গঠিত এশিয়ার সবচেয়ে বড় অনলাইন গ্রুপ Women and e-Commerce Trust (WE) এর শরিয়তপুর জেলা এসিস্ট্যান্ট কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্বরত আছি। &#8216;উই&#8217; গ্রুপটি আমাকে উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে যেতে অনেক ধরনের সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে। এর সাথে পেয়েছি কাছের দূরের অনেক মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া। ১২ লাখ এরও বেশি সদস্য বিশিষ্ট গ্রুপটিতে এখন অনেকেই আমাকে চেনে, আমার পরিচিতি তারা অন্যকে তুলে ধরে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমার উদ্যোগে আমি চাই পণ্যের গুণগত মান সবসময় ভালো দিতে। সাধ্যের মধ্যে সেরাটা দেয়াই হলো আমার উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। যারাই আমার ক্রেতা এবং রিপিট ক্রেতা হয়েছেন, তাদের মাধ্যমে বুঝতে পারছি আমি পণ্যের মান কতোটুকু ভালো দিচ্ছি। ক্রেতার সন্তুষ্টি নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই হলো আমার উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অনেকটাই উপযোগী। তাইতো আমার মতো হাজারো নারীরা আজ উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে নিয়ে এগিয়ে যেতে পারছে। আশেপাশে যারাই আমার উদ্যোগ সম্পর্কে জেনেছে, তাদের অনেকেই অনেক রকমের কথা বার্তা বলে। আমি এখন আর ওসব সমালোচনা কে গুরুত্ব দেইনা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বরং তাদের সমালোচনা কে পাত্তা না দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আর তারা নিজেরাও একদিন উপলব্ধি করবে, নারীদের নিজের পায়ে দাঁড়ানো উচিত শুধুমাত্র টাকার জন্য নয়, নিজের একটি পরিচয় তৈরী করার জন্য।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ<a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d/"> চাকরির পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তা নুসরাত সুলতানা রেখা</a></p>



<p class="wp-block-paragraph">সেল যা হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ, আমি সন্তুষ্ট। আমার উদ্যোগের শুরুতে এখন পর্যন্ত যারাই আমার ক্রেতা এবং রিপিট ক্রেতা হয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ সবাই আমার সার্ভিসে খুব সন্তুষ্ট। সরকারি এবং বেসরকারি কোনো সহযোগিতা বা অনুদান এখনো পাইনি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো, &#8220;অরিন&#8217;স কালেকশন&#8221; ক্রেতা সন্তুষ্টি নিয়ে দেশ-বিদেশে পরিচিতি পাক এটাই আমার সব থেকে বড় স্বপ্ন। আজ থেকে ৫ বছর পর আমি নিজেকে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে এমন একটি আসনে দেখতে চাই, যাতে সবাই আমাকে এক নামে চেনে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4/">আমি কখনোই সমালোচকদের পাত্তা দেইনি- দোলনা আক্তার মিতু</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চাকরির পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তা নুসরাত সুলতানা রেখা</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 Aug 2022 07:23:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[উই]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[নারী উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[নুসরাত সুলতানা রেখা]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যতিক্রম এভিনিউ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=7116</guid>

					<description><![CDATA[<p>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, নিজের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেছেন নুসরাত সুলতানা রেখা। চলুন শুনি তার উদ্যোক্তা জীবনের গল্প। আমি নুসরাত সুলতানা রেখা, নরসিংদীর মনোহরদীতে জন্ম এবং সেখানেই বেড়ে উঠা। আমার খুব কাছের এক বান্ধবী, আমরা একসাথে চাকরি করেছি, সে এখন অনেক বড় বিজনেস উইমেন। সে সবসময়ই চাইতো আমিও তার মতো বিজনেস করি, আমার যে মেধা আছে তা যদি ক্রিয়েটিভ কোনো কাজে ব্যবহার করি তাহলে খুব ভালো করতে পারবো। পাশাপাশি আমার স্বামীও খুব সহযোগিতা করেছে। বান্ধবীর অনুপ্রেরণায় এবং স্বামীর সহযোগিতায়, ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়াশোনা করে মানব-সম্পদ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা হয়েও আজ আমি উদ্যোক্তা। আমি কাজ করছি বাচ্চাদের কাস্টমাইজ [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d/">চাকরির পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তা নুসরাত সুলতানা রেখা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>উদ্যোক্তা জার্নালের বিশেষ আয়োজন ‌‘উদ্যোক্তা গল্প’-র আজকের পর্বে, নিজের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেছেন নুসরাত সুলতানা রেখা। চলুন শুনি তার উদ্যোক্তা জীবনের গল্প।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">আমি নুসরাত সুলতানা রেখা, নরসিংদীর মনোহরদীতে জন্ম এবং সেখানেই বেড়ে উঠা। আমার খুব কাছের এক বান্ধবী, আমরা একসাথে চাকরি করেছি, সে এখন অনেক বড় বিজনেস উইমেন। সে সবসময়ই চাইতো আমিও তার মতো বিজনেস করি, আমার যে মেধা আছে তা যদি ক্রিয়েটিভ কোনো কাজে ব্যবহার করি তাহলে খুব ভালো করতে পারবো। পাশাপাশি আমার স্বামীও খুব সহযোগিতা করেছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বান্ধবীর অনুপ্রেরণায় এবং স্বামীর সহযোগিতায়, ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়াশোনা করে মানব-সম্পদ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা হয়েও আজ আমি উদ্যোক্তা। আমি কাজ করছি বাচ্চাদের কাস্টমাইজ পোশাক নিয়ে। আমার প্রতিষ্ঠানের নাম &#8220;Beticrome Avenue-ব্যতিক্রম এভিনিউ&#8221;।<br /><br />আমার ড্রেসের বিশেষত্বঃ<br />&#8211; দেশীয় কাপড়ের ছোঁয়া<br />&#8211; আরামদায়ক এবং ফ্যাশনের সমন্বয়<br />&#8211; ডিজাইন এবং কালার কাষ্টমাইজ সুবিধা<br />&#8211; সাধ ও সাধ্যের সমন্বয়<br />&#8211; কোয়ালিটির নিশ্চয়তা</p>



<p class="wp-block-paragraph">৭ লাখ টাকা দিয়ে নরসিংদীতে শোরুম এর মাধ্যমে ২০১৮ সালে আমার উদ্যোগ শুরু করি। সেখানে আমার বান্ধবী সাড়ে চার লাখ টাকা দিয়েছিলো। ২০২০ সালে সবাই যখন করোনা মহামারির মধ্যে ঘরবন্দী, তখনই আমি অনলাইনে আমার উদ্যোগ শুরু করি। আমার মতে একজন উদ্যোক্তা হতে গেলে প্রয়োজন পরিশ্রম, ধৈর্য এবং দুরদর্শিতা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বর্তমানে আমার প্রতিষ্ঠানে ৩ জন কর্মী রয়েছে। আমি চাকরির পাশাপাশি স্বপ্ন দেখি একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার। সবার থেকে আলাদা, ভিন্ন কিছু করার লক্ষ্যে আমার &#8220;ব্যতিক্রম এভিনিউ&#8221; এগিয়ে চলছে।</p>



<figure class="wp-block-gallery has-nested-images columns-default is-cropped wp-block-gallery-3 is-layout-flex wp-block-gallery-is-layout-flex">
<figure class="wp-block-image size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="600" height="480" data-id="7117" class="wp-image-7117" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/08/Grey-Brown-Simple-Photo-Collage-4.jpg" alt="Grey Brown Simple Photo Collage 4"></figure>
</figure>



<p class="wp-block-paragraph">আমরা নারীরা আগের থেকে এখন অনেক এগিয়ে। সরকার এবং বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ঋন সহায়তাসহ বিভিন্ন ট্রেনিং এর মাধ্যমে নারীদেরকে স্বাবলম্বী করছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমি যেহেতু চাকরিজীবী নারী, সেক্ষেত্রে সময় ম্যানেজ করাটা অনেক ক্ষেত্রে কঠিন হয়ে পড়ে। প্রতিবন্ধকতা বলতে আমি অনেক সময় বিভিন্ন ট্রেনিং, এক্সিবিশন এর সুযোগ পাওয়া স্বত্বেও অফিস থাকার কারনে অংশগ্রহণ করতে পারি না।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আলহামদুলিল্লাহ সেল ভালো হচ্ছে। আমার &#8220;ব্যতিক্রম এভিনিউ&#8221; এর প্রতি কাষ্টমার এর আস্থাই আমাকে আরো বেশি কাজ করার আগ্রহ তৈরি করে।আলহামদুলিল্লাহ আমি &#8216;উইমেন এন্ড ই-কমার্স ট্রাস্ট (উই)&#8217; থেকে উইন্সপায়ার গ্র্যান্ট হিসেবে টাকা পেয়েছি। কাষ্টমার এর বিশ্বস্ততা আমার প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় অর্জন।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%9f/">নারীদের স্বাবলম্বী হওয়াটা বেশি জরুরি: নূর-ই-নাজমীন লুনা</a></p>



<p class="wp-block-paragraph">বর্তমান বিশ্ব স্মার্ট ডিভাইস এর মাধ্যমে ভার্চুয়াল জগতের সাথে বেশি মিশে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত মানুষ আরো বেশি অনলাইনে কেনাকাটার প্রতি আসক্ত হবে। আমি আমার &#8220;ব্যতিক্রম এভিনিউ&#8221; কে অনলাইন জগতে সবার কাছে একনামে পরিচিত করে তুলতে চাই।</p>



<p class="wp-block-paragraph">চাকরির পাশাপাশি আমি নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ৫ বছরের মধ্যে আমি আমার &#8220;ব্যতিক্রম এভিনিউ&#8221; এর মাধ্যমে অন্তত ২০ জন লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই। আমি মনে করি প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও দৃঢ় মনোবল মানুষকে তার স্বপ্নের দাড়প্রান্তে পৌঁছে দিতে সহায়তা করে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d/">চাকরির পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তা নুসরাত সুলতানা রেখা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>8</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
