<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>জৈব সার &#8211; Uddokta Journal</title>
	<atom:link href="https://uddoktajournal.com/tag/%e0%a6%9c%e0%a7%88%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://uddoktajournal.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 06 Aug 2023 05:25:29 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.3</generator>

<image>
	<url>https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/01/cropped-Untitled-3-32x32.png</url>
	<title>জৈব সার &#8211; Uddokta Journal</title>
	<link>https://uddoktajournal.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>কেঁচো সার উৎপাদনে সাইফুলের সাফল্য</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a7%8b-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a7%8b-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Aug 2023 05:05:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[কুমিল্লা]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[কেঁচো সার]]></category>
		<category><![CDATA[জৈব সার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=10257</guid>

					<description><![CDATA[<p>কুমিল্লা জেলার চান্দিনার সাইফুল কেঁচো সার উৎপাদনে সাফল্য পেয়েছেন। প্রথমে সাইফুল ১৬টি রিং দিয়ে কেঁচো সার উৎপাদন শুরু করলেও এখন রিংয়ের সংখ্যা ২০০টি। প্রতি মাসে তার সার উৎপাদন হয় ৭ টনের মতো। কেজি প্রতি ১৫ টাকা দরে বিক্রি করেন। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও বাইরের জেলা থেকেও ক্রেতারা সার নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ক্রেতার চাহিদা পূরণ করতে হিমশিম খান। সাইফুল ইসলাম বলেন, তিনি বেসরকারি সংগঠনের একটি আইটি সেকশনে কাজ করতেন। ওদের কেঁচো সারের উদ্যোগ তার নজরে পড়ে। তিনি জানতে পারেন, মাটির জৈব পদার্থের পরিমাণ পাঁচ ভাগ থাকতে হয়। দেশের অনেক জায়গায় তা দুই ভাগেরও কম। এজন্য প্রয়োজন মাটিতে জৈব সার প্রয়োগ। এছাড়া [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a7%8b-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8/">কেঁচো সার উৎপাদনে সাইফুলের সাফল্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কুমিল্লা জেলার চান্দিনার সাইফুল কেঁচো সার উৎপাদনে সাফল্য পেয়েছেন। প্রথমে সাইফুল ১৬টি রিং দিয়ে কেঁচো সার উৎপাদন শুরু করলেও এখন রিংয়ের সংখ্যা ২০০টি। প্রতি মাসে তার সার উৎপাদন হয় ৭ টনের মতো। কেজি প্রতি ১৫ টাকা দরে বিক্রি করেন। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও বাইরের জেলা থেকেও ক্রেতারা সার নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ক্রেতার চাহিদা পূরণ করতে হিমশিম খান।</p>
<p>সাইফুল ইসলাম বলেন, তিনি বেসরকারি সংগঠনের একটি আইটি সেকশনে কাজ করতেন। ওদের কেঁচো সারের উদ্যোগ তার নজরে পড়ে। তিনি জানতে পারেন, মাটির জৈব পদার্থের পরিমাণ পাঁচ ভাগ থাকতে হয়। দেশের অনেক জায়গায় তা দুই ভাগেরও কম। এজন্য প্রয়োজন মাটিতে জৈব সার প্রয়োগ। এছাড়া এ সারের চাহিদা রয়েছে। মনোযোগ দিয়ে করলে ভালো আয়ও সম্ভব। সে ভাবনা থেকে তার বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার পিহর গ্রামে ফিরে আসেন।</p>
<p>তার এই ভাবনার কথা স্ত্রীকে জানান। স্ত্রী কৃষি ডিপ্লোমা করা। তিনি তার উদ্যোগে সমর্থন দেন। স্ত্রীর অনুমতি পেলেও প্রতিবেশী এবং গ্রামের লোকজন সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখতে থাকেন। ছেলেটা যেনো বদলে গেছে। টয়লেটে ব্যবহার করার মতো রিং সংগ্রহ করছে। গোবর মাটি সংগ্রহ করছে। তার মধ্যে ছাড়ছে কেঁচো। মেধাবী ছেলেটার মাথা মনে হয় গেছে। এভাবেই শুরু করেন তরুণ সাইফুল ইসলাম।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a7%8c%e0%a6%b8/">সন্তানদের কথা চিন্তা করে চাকরি ছেড়ে উদ্যোক্তা হলেন জান্নাতুল ফেরদৌস</a></p>
<p>পিহর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাশে একটি লম্বা টিনের চালার ঘর। ঘরের গায়ে ব্যানারে লেখা- প্ল্যান পাওয়ার কেঁচো সার। ঘরের ভিতরে রিংয়ের সারি। রিংয়ে মাটি ও কেঁচো দেয়া। সার সংগ্রহ, চালুনি, ওজনের পর বস্তায় নেয়ার কাজ চলছে। সহকারীদের সঙ্গে ব্যস্ত উদ্যোক্তা সাইফুল ইসলামও। নতুন অনেকে সেখানে প্রবেশ করে কেঁচো দেখলে হয়তো গা ঘিন ঘিন করে উঠবে। কিন্তু তারা হাসিমুখে কাজ করে যাচ্ছেন।</p>
<p>২০২১ সালে কাজ শুরু করেন সাইফুল ইসলাম। স্ত্রী কৃষি নিয়ে লেখাপড়া করায় সহযোগিতা পেয়েছি। এ কাজ তাকে আনন্দ দেয়। কারণ তিনি মাটির প্রাণ ফিরিয়ে দিতে জৈব সার তৈরি করছেন। এছাড়া এটা তার পরিবারের আয়েরও উৎস। মানুষ নিরাপদ ফসল চায়। যখন শুরু করেন তখন এলাকার অনেকে বলেন- এটা পাগলামি। কিন্তু তার বিশ্বাস ছিলো, তাই সফলতা পেয়েছেন। ধৈর্য নিয়ে লেগে থাকলে সফলতা আসবেই। কৃষি অফিসের সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন বলেও তিনি জানান।</p>
<p>কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, কৃষক এখন রাসায়নিক সার ত্যাগ করে জৈব প্রযুক্তির কেঁচো সার ব্যবহার করছেন। এর মধ্যে সুয়ালক, গোয়ালিখোলা, ডলুপাড়া ও ক্যামলংয়ের চাষিদের মধ্যে এটি জনপ্রিয় হয়েছে। ছড়িয়ে পড়ছে অন্য উপজেলায়ও।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a7%8b-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8/">কেঁচো সার উৎপাদনে সাইফুলের সাফল্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a7%8b-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জৈব সার উৎপাদন করে সফল নারী উদ্যোক্তা হালিমা</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9c%e0%a7%88%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9c%e0%a7%88%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 Jun 2023 08:38:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[জৈব সার]]></category>
		<category><![CDATA[টাঙ্গাইল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=10156</guid>

					<description><![CDATA[<p>টাঙ্গাইল জেলার রাবনা নয়াপাড়ার হালিমা বেগম অভাব অনটনের সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে কেঁচো সার বা জৈব সার উৎপাদন করে সফল হয়েছেন। বাড়ির ভিটিতে টিনের ঘর তুলে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার বা জৈব সার উৎপাদন করে খরচ বাদ দিয়ে প্রতি মাসে ৩০-৪০ হাজার টাকা আয় করছেন তিনি। অর্জিত আয় থেকে তিনি সংসারের যাবতীয় খরচ মেটানোর পর ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করছেন। কৃষকের মেয়ে হালিমা বেগমের বাল্য বিয়ে হয়। গ্রামের স্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০০৩ সালে হালিমা বেগমের রাবনা নয়াপাড়ার মোয়াজ্জেম হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দুটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। স্বামীর তেমন আয়-রোজগার না থাকায় সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকতো। মেয়ে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9c%e0%a7%88%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7/">জৈব সার উৎপাদন করে সফল নারী উদ্যোক্তা হালিমা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>টাঙ্গাইল জেলার রাবনা নয়াপাড়ার হালিমা বেগম অভাব অনটনের সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে কেঁচো সার বা জৈব সার উৎপাদন করে সফল হয়েছেন। বাড়ির ভিটিতে টিনের ঘর তুলে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার বা জৈব সার উৎপাদন করে খরচ বাদ দিয়ে প্রতি মাসে ৩০-৪০ হাজার টাকা আয় করছেন তিনি। অর্জিত আয় থেকে তিনি সংসারের যাবতীয় খরচ মেটানোর পর ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করছেন।</p>
<p>কৃষকের মেয়ে হালিমা বেগমের বাল্য বিয়ে হয়। গ্রামের স্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০০৩ সালে হালিমা বেগমের রাবনা নয়াপাড়ার মোয়াজ্জেম হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দুটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। স্বামীর তেমন আয়-রোজগার না থাকায় সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকতো। মেয়ে দুটিকেও স্কুলে দিতে পারেন নি। এমতাবস্থায় তিনি গরু লালন-পালন করে দুধ বিক্রির মাধ্যমে মেয়ে দুটিকে স্থানীয় বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে ভর্তি করে দেন।</p>
<p>শুরুতে বাড়ির টিনের ঘরে তিনটি গরু দিয়ে ফার্ম তৈরি করে দুধ বিক্রি করে সংসারের খরচের পাশাপাশি মেয়ে দুটিকে লেখাপড়া করাতে থাকেন। পরে গৃহপালিত গরুর গোবরকে কাজে লাগিয়ে জাপানী কেঁচো কিনে কয়েকটি ছোট টিনের ঘর তুলে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার বা জৈব সার উৎপাদন শুরু করেন। গত ২০০৮ সালে কেঁচো সার উৎপাদনের যাত্রা শুরু করলেও প্রথম দিকে তেমন সুবিধা করতে পারেননি।</p>
<p>মূলত প্রচারের আলোয় না থাকা ও চাহিদা কম থাকায় উৎপাদিত কেঁচো সার বা জৈব সার বিক্রি করতে সমস্যা হচ্ছিলো। যে কারণে দুই বছর পর কেঁচো সার বা জৈব সার উৎপাদন বন্ধ করে গরু লালন-পালন নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তবে বিগত ২০১৫ সাল থেকে আবারো কেঁচো সার বা জৈব সার উৎপাদন শুরু করেন।</p>
<p>এবার আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। কেঁচো সার বা জৈব সার উৎপাদন করে বিক্রি করেন। সাড়াও পান আশানুরূপ। তার তৈরি কেঁচো সার বা জৈব সারের সুনাম আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। জেলা-উপজেলা ছাড়াও বিভাগীয় শহরের বড় বড় দোকানে টনে টনে জৈব সার সরবরাহ করেন তিনি। কেঁচো সার বা জৈব সার উৎপাদন ও বিক্রি করে এখন তিনি সফল উদ্যোক্তা।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%93-%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%81/">স্বামী ও ছেলের অনুপ্রেরণায় উদ্যোক্তা হলেন মমতাজ মিতু</a></p>
<p>জৈব সারের খামারে শুরুর দিকে একা কাজ করলেও এখন তার স্বামী মোয়াজ্জেম হোসেন, ছোট ভাই ও দুইজন মহিলা শ্রমিক নিয়ে সারাদিন কাজ করেন। তার উৎপাদিত কেঁচো সার বা জৈব সারের নাম দিয়েছেন ‘এমএম ভার্মি কম্পোস্ট’। বিভিন্ন উপজেলার কৃষি কর্মকতারা ছাড়াও বিদেশি পর্যটকরা তার তৈরি জৈব সারের খামার দেখতে আসেন এবং পরামর্শ দিয়ে যান।</p>
<p>বর্তমানে হালিমা বেগম নিজে কেঁচো সার বা জৈব সার উৎপাদন করছেন এবং অন্যকে উৎসাহিত করছেন। গৃহিনী, দুস্থ, বিধবা মহিলাদের কেঁচো সার উৎপাদনে উৎসাহিত করে ‘নারী স্বপ্ন উন্নয়ন সংগঠন’ নামে একটি সংগঠনও প্রতিষ্ঠা করেছেন। সংগঠনের সদস্য সংখ্যা ৫২জন। এর সভাপতি হালিমা বেগম এবং সাধারণ সম্পাদক সাথী আক্তার।</p>
<p>প্রতি বৃহস্পতিবার তারা একত্র হয়ে উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা করে পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন। হালিমা বেগম কেঁচো সার বা জৈব সারের সফল উৎপাদকের পাশাপাশি সফল কৃষিকর্মীও। তার তৈরি জৈব সার দিয়ে বাড়ির আশপাশে বিভিন্ন রকমের সবজি চাষ করেছেন। তার এ কৃষিতে করলা, ডাটা, পাটশাক, ঢেঁড়শ, লাউ, কুমরা, আলু ছাড়াও বিভিন্ন জাতের আম, কাঁঠাল ও ফুল-ফল রয়েছে।</p>
<p>সফল উদ্যোক্তা হালিমা বেগম জানান, তিনি গৃহপালিত গরু লালন-পালন করে গোবরকে কাজে লাগানোর জন্য আগে দেখে আসা কেঁচো সার উৎপাদনে এগিয়ে আসেন। তার তৈরি জৈব সার রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি হয়। ড্রাগন চাষি ও সবজি চাষিরা এ সার ব্যবহার করে থাকেন। শহরের উঁচু ভবনের ছাদে ফল ও ফুলের চাষে জৈব সার ব্যবহার হয়। তিনি শুরুতে হোম ডেলীভারীর মাধ্যমে প্রচুর বিক্রি করতেন। পরে পাইকারী বিক্রি শুরু করেন। তার তৈরি জৈব সার প্রতি কেজির খুচরা দাম ২৫ টাকা এবং পাইকারী প্রতি কেজি ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।</p>
<p>এ বিষয়ে টাঙ্গাইল কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন উপ-সহকারী পরিচালক লতিফা আক্তার জানান, হালিমা বেগম পরিশ্রম ও দক্ষতার গুণেই সফল উদ্যোক্তা হতে পেরেছেন। তিনি তার প্রকল্পে একাধিকবার গিয়েছেন। কেঁচো সার বা জৈব সার প্রয়োগে যেকোনো ফসলের ফলন ভালো হয়। ফসলে রোগবালাই কম হয়। মাটির গুনাগুন বেড়ে যায়। কৃষি অফিস থেকে উদ্যোক্তাদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেয়া হয়।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9c%e0%a7%88%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7/">জৈব সার উৎপাদন করে সফল নারী উদ্যোক্তা হালিমা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9c%e0%a7%88%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জৈব সার কারখানা গড়ে সফল কৃষি উদ্যোক্তা সাইফুল</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9c%e0%a7%88%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%bf-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9c%e0%a7%88%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%bf-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[রিপোর্টার]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Sep 2022 14:26:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[জৈব সার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=8169</guid>

					<description><![CDATA[<p>দাগনভূঞা উপজেলার একজন আদর্শ কৃষি উদ্যোক্তা সাইফুল ইসলাম শাহেদ। ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের বাতশিরি গ্রামে ২০০৯ সালে তিনি গড়ে তুলেছেন একটি জৈব সার কারখানা। পরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি থেকে ২০১৬ সালে নিবন্ধন পান। সাইফুল জানান, ২০২১ সালে গোবর, মুরগির বিষ্ঠা/লিটার, ব্যবহৃত চা-পাতা ও ট্রাইকোডার্মা ব্যবহারের মাধ্যমে জৈব সার উৎপাদান করেন প্রায় ২১০ টন। প্রতি কেজি জৈব সার পাইকারিতে ১০ টাকা করে বিক্রি করেছেন। ২০২১ সালে মোট ২১ লাখ টাকার জৈব সার বিক্রি করেছেন। এছাড়া ও তিনি তার উৎপাদিত জৈব সার ব্যবহারের মাধ্যমে প্রায়৫০ শতাংশ জমিতে সবজি বাগান (টমেটো, লাউ, কুমড়া, বেগুন ও লেটুস) এবং প্রায় ৫০ শতাংশ [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9c%e0%a7%88%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%bf-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2/">জৈব সার কারখানা গড়ে সফল কৃষি উদ্যোক্তা সাইফুল</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দাগনভূঞা উপজেলার একজন আদর্শ কৃষি উদ্যোক্তা সাইফুল ইসলাম শাহেদ। ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের বাতশিরি গ্রামে ২০০৯ সালে তিনি গড়ে তুলেছেন একটি জৈব সার কারখানা। পরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি থেকে ২০১৬ সালে নিবন্ধন পান।</p>
<p>সাইফুল জানান, ২০২১ সালে গোবর, মুরগির বিষ্ঠা/লিটার, ব্যবহৃত চা-পাতা ও ট্রাইকোডার্মা ব্যবহারের মাধ্যমে<a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%88%E0%A6%AC_%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0#:~:text=%E0%A6%9C%E0%A7%88%E0%A6%AC%20%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%20%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%20%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0,%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%20%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%87%20%E0%A6%9C%E0%A7%88%E0%A6%AC%20%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A5%A4" target="_blank" rel="noopener"> জৈব সার</a> উৎপাদান করেন প্রায় ২১০ টন। প্রতি কেজি জৈব সার পাইকারিতে ১০ টাকা করে বিক্রি করেছেন। ২০২১ সালে মোট ২১ লাখ টাকার জৈব সার বিক্রি করেছেন। এছাড়া ও তিনি তার উৎপাদিত জৈব সার ব্যবহারের মাধ্যমে প্রায়৫০ শতাংশ জমিতে সবজি বাগান (টমেটো, লাউ, কুমড়া, বেগুন ও লেটুস) এবং প্রায় ৫০ শতাংশ জমিতে ফল বাগান (লেবু, আম) চাষ করেছেন।</p>
<p>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%ac-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0/">ড্রাগন ফল চাষে ভাগ্য ঘুরলো রাকিব হোসেনের</a></p>
<p>সাইফুল জানান, বছরে সবজি ও ফল বাগান হতে আয় করেন প্রায় ৮০ হাজার টাকা। ট্রাইকোডার্মা মিশ্রিত কম্পোস্ট থেকে নিয়মিত জৈব সার উৎপাদন ও সরবরাহ করছেন। এ সার এখন ফেনী, নোয়াখালী, পার্বত্য চট্টগ্রাম, শেরপুর, জামালপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে, রয়েছে ভালো চাহিদা। উদ্যোক্তা সাইফুল বলেন, জৈব সার প্রতি শতকে সবজির জন্যে ৫ কেজি, পেঁয়াজ আলু, ধান, গম, পাটসহ অন্যান্য ফসলের জন্য ৩ থেকে ৪ কেজি, মাছে বিঘা প্রতি ৪০ থেকে ৬০ কেজি, ফল গাছে ৫ থেকে ৭ কেজি করে ব্যবহার করলেই ভালো সুফল পাওয়া যায়। ২০০৯ সাল থেকে এর উৎপাদন ও ব্যবহার শুরু করি। ১৬০ শতক জায়গার মধ্যে আমার জৈব সার (এমআরসি) উৎপাদন খামার রয়েছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, উদ্যোক্তা হিসেবে সাইফুল &#8216;বঙ্গবন্ধু জাতীয়কৃষি পুরস্কার&#8217; এর জন্য উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে মনোনীত হয়েছন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9c%e0%a7%88%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%bf-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2/">জৈব সার কারখানা গড়ে সফল কৃষি উদ্যোক্তা সাইফুল</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9c%e0%a7%88%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%bf-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
