<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Uddokta Journal</title>
	<atom:link href="https://uddoktajournal.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://uddoktajournal.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 18 Oct 2026 06:55:15 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.3</generator>

<image>
	<url>https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2022/01/cropped-Untitled-3-32x32.png</url>
	<title>Uddokta Journal</title>
	<link>https://uddoktajournal.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>শিক্ষকসংকট ও শিক্ষার মান : দায় কার, সমাধান কোথায়?</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Oct 2026 06:36:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষক]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাব্যবস্থা]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষার্থী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=12639</guid>

					<description><![CDATA[<p>গত ১৬ অক্টোবর প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “স্নাতক অন্য বিষয়ে, তবু মাধ্যমিকে ইংরেজি ও গণিত পড়ান ২০ হাজারের বেশি শিক্ষক।” এই প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম সামনে এসেছে। যার মাধ্যমে সম্মানিত শিক্ষকসমাজের মান, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু আসলে কি এর জন্য শিক্ষকগণ দায়ী, নাকি অন্য কিছু আছে? প্রশ্নের উত্তর নেই, কিন্তু প্রশ্নের মাধ্যমে নতুন প্রশ্নের আগমন। ধরে নিই, একজন আরবি শিক্ষক গণিত এবং ইংরেজি পড়ান, কারণ তাঁর গণিত এবং ইংরেজিতে পড়ানোর দক্ষতা রয়েছে। কিন্তু যোগ্যতা কি আছে? বিষয়ভিত্তিক পড়ার ফলে যে মৌলিক জ্ঞান একজন শিক্ষকের থাকে, সেটি কি অন্য বিষয়ের শিক্ষকের থাকবে? ভাববেন [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/">শিক্ষকসংকট ও শিক্ষার মান : দায় কার, সমাধান কোথায়?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">গত ১৬ অক্টোবর প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “স্নাতক অন্য বিষয়ে, তবু মাধ্যমিকে ইংরেজি ও গণিত পড়ান ২০ হাজারের বেশি শিক্ষক।”</p>
<p dir="ltr">এই প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম সামনে এসেছে। যার মাধ্যমে সম্মানিত শিক্ষকসমাজের মান, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু আসলে কি এর জন্য শিক্ষকগণ দায়ী, নাকি অন্য কিছু আছে?</p>
<p dir="ltr">প্রশ্নের উত্তর নেই, কিন্তু প্রশ্নের মাধ্যমে নতুন প্রশ্নের আগমন। ধরে নিই, একজন আরবি শিক্ষক গণিত এবং ইংরেজি পড়ান, কারণ তাঁর গণিত এবং ইংরেজিতে পড়ানোর দক্ষতা রয়েছে। কিন্তু যোগ্যতা কি আছে? বিষয়ভিত্তিক পড়ার ফলে যে মৌলিক জ্ঞান একজন শিক্ষকের থাকে, সেটি কি অন্য বিষয়ের শিক্ষকের থাকবে? ভাববেন বিষয়টি।</p>
<p dir="ltr">ইংরেজি এবং গণিত এমন দুটি বিষয়, যেগুলোর মৌলিক ধারণা একজন শিক্ষার্থীর পরবর্তী শিক্ষাজীবনের ভিত্তি গড়ে দেয়। অথচ প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছ-</p>
<p dir="ltr"><em>ইংরেজি পড়ানো ৯,৯৮২ জন শিক্ষকের স্নাতকের বিষয় ভিন্ন।</em></p>
<p dir="ltr"><em>গণিত পড়ানো ১০,১৬৯ জন শিক্ষকের গণিত বিষয়ে কোনো স্নাতক নেই; সবাই বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।</em></p>
<p dir="ltr">এছাড়া প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অধিকাংশ শিক্ষকের প্রশিক্ষণও নেই। ব্যানবেইসের তথ্যমতে, দেশে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৬ হাজার ৭৩৭টি এবং শিক্ষকের সংখ্যা ২ লাখ ৪৩ হাজার।</p>
<p dir="ltr">এবার ভাবুন তো, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক কেন প্রয়োজন? প্রতি বছর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বাংলাদেশে ইংরেজিতে পাসের হার ৮০ শতাংশের নিচে এবং গণিতে ৭০ শতাংশের নিচে। তাহলে প্রশ্ন হলো, এর দায়ভার কার? মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের এই দুর্বল ভিত্তির প্রভাব পরবর্তী জীবনেও পড়ে।</p>
<p dir="ltr">আমাদের শিক্ষার্থীরা সাধারণ যোগাযোগও করতে পারে না। কথা বলছি ইংরেজি ও গণিত বিষয় নিয়ে, কিন্তু আপনি যদি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন, তখন দেখবেন, সব বিষয়েই একই অবস্থা; একেক বিষয় একেকজন পড়ান। এবার এই শিক্ষকদের নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কি বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডি এবং শিক্ষা প্রশাসনের কোনো ভূমিকা নেই? যেকোনো সনদে যেকোনো বিষয় পাঠদানের যোগ্যতা রাখা হয়? বিষয়জ্ঞান এবং পাঠদানের যোগ্যতা ছাড়া কি শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছেন?</p>
<p dir="ltr">দুর্বল পাঠদানের ফলে শিক্ষার্থীরা শেখার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ আমরা জানি, আমাদের শিক্ষা প্রশাসন এবং নীতিনির্ধারকেরা রয়েছেন। আশা করি, তাঁরা দ্রুত শিক্ষকসংকট দূর করবেন। শিক্ষকের মর্যাদা রক্ষা এবং শিক্ষার্থীর শেখার অধিকার নিশ্চিত করা পরস্পরবিরোধী নয়।</p>
<p dir="ltr">যোগ্য শিক্ষক, কার্যকর প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থার সমন্বয়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব। তাই বাস্তবসম্মত সমাধান গ্রহণ করাই হোক আমাদের অগ্রাধিকার।</p>
<p dir="ltr"><em>-মো. হাবিবুর রহমান</em><br />
<em>শিক্ষক ও লেখক</em></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/">শিক্ষকসংকট ও শিক্ষার মান : দায় কার, সমাধান কোথায়?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কাঁটাচামচে চারটি কাঁটাই কেন থাকে, ভেবে দেখেছেন কখনো?</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Oct 2026 10:31:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জীবনযাপন]]></category>
		<category><![CDATA[কাঁটাচামচ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=12635</guid>

					<description><![CDATA[<p>কখনো কাঁটাচামচের সাহায্যে নুডলস কিংবা চাউমিন খাওয়ার সময় ভেবেছেন, এতে কেন চারটি কাঁটা থাকে? তিনটি কিংবা পাঁচটি নয় কেন? এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। প্রাচীন মিশর, গ্রিস ও রোমে কাঁটাচামচের মতো দেখতে বিভিন্ন সরঞ্জামের ব্যবহার ছিল। তবে সেগুলি মূলত রান্নার কাজে ব্যবহার করা হতো, খাবার খাওয়ার জন্য নয়। মধ্যযুগের ইউরোপে আবার অধিকাংশ মানুষ হাত অথবা ছুরি দিয়েই খাবার খেতেন। সেই সময় খাবার খাওয়ার জন্য কাঁটাচামচের ব্যবহার অনেকের কাছেই অস্বাভাবিক কিংবা অপ্রয়োজনীয় বলে মনে হতো। প্রথমে ছিল দুইটি কাঁটা প্রথম দিকের কাঁটাচামচে চারটির বদলে মাত্র দুইটি কাঁটা থাকত। মাংসের টুকরো গেঁথে খাওয়ার ক্ষেত্রে এই নকশা কার্যকর হলেও নুডলস, পাস্তা বা ভাতের [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b/">কাঁটাচামচে চারটি কাঁটাই কেন থাকে, ভেবে দেখেছেন কখনো?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">কখনো কাঁটাচামচের সাহায্যে নুডলস কিংবা চাউমিন খাওয়ার সময় ভেবেছেন, এতে কেন চারটি কাঁটা থাকে? তিনটি কিংবা পাঁচটি নয় কেন? এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস।</p>
<p dir="ltr">প্রাচীন মিশর, গ্রিস ও রোমে কাঁটাচামচের মতো দেখতে বিভিন্ন সরঞ্জামের ব্যবহার ছিল। তবে সেগুলি মূলত রান্নার কাজে ব্যবহার করা হতো, খাবার খাওয়ার জন্য নয়। মধ্যযুগের ইউরোপে আবার অধিকাংশ মানুষ হাত অথবা ছুরি দিয়েই খাবার খেতেন। সেই সময় খাবার খাওয়ার জন্য কাঁটাচামচের ব্যবহার অনেকের কাছেই অস্বাভাবিক কিংবা অপ্রয়োজনীয় বলে মনে হতো।</p>
<p dir="ltr"><strong>প্রথমে ছিল দুইটি কাঁটা</strong></p>
<p dir="ltr">প্রথম দিকের কাঁটাচামচে চারটির বদলে মাত্র দুইটি কাঁটা থাকত। মাংসের টুকরো গেঁথে খাওয়ার ক্ষেত্রে এই নকশা কার্যকর হলেও নুডলস, পাস্তা বা ভাতের মতো খাবার খেতে সমস্যা হতো। দুই কাঁটার মাঝখান দিয়ে খাবার পড়ে যেত। পরবর্তীতে ইটালিতে পাস্তার জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও তিন কাঁটার চামচের ব্যবহার শুরু হয়। তবে, তাও সব ধরনের খাবারের জন্য যথেষ্ট সুবিধাজনক ছিল না।</p>
<p dir="ltr"><strong>চার কাঁটার নকশা এল কীভাবে?</strong></p>
<p dir="ltr">অষ্টাদশ শতকে কাঁটাচামচের নকশায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে। জানা গেছে, নেপলসের জেনারো স্পাডাসিনি চারটি কাঁটার নকশা চালু করেন। চারটি কাঁটা থাকায় খাবার খাওয়া আরও সহজ হয়। ধীরে ধীরে এই নকশাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।</p>
<p dir="ltr"><strong>কেন চারটি কাঁটাই সুবিধাজনক?</strong></p>
<p dir="ltr">চার কাঁটার চামচ সাধারণত খাবারকে তুলনামূলক বেশি সাপোর্ট ও গ্রিপ দেয়। ফলে পাস্তা বা নুডলসের মতো খাবার সহজে আটকে রাখা যায়। আবার মাংসের টুকরো গেঁথে নেওয়া থেকে নরম বা ছোট খাবার তুলে নেওয়া, সব ক্ষেত্রেই চার কাঁটার চামচের নকশা কার্যকর।</p>
<p dir="ltr">চারটির বেশি কাঁটা দেওয়া সম্ভব হলেও তাতে কাঁটাচামচ চওড়া ও ভারী হয়ে যেতে পারে। ফলে দৈনন্দিন ব্যবহারে সেটি তুলনামূলক কম সুবিধাজনক। পাশাপাশি কাঁটাচামচের সামান্য বাঁকানো গঠনও খাবার ধরে রাখতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন ব্যবহৃত সাধারণ কাঁটাচামচের চারটি ভাগ নিছক নকশা নয়। দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বদলাতে বদলাতে চার কাঁটার নকশাই সবচেয়ে প্রচলিত হয়ে উঠেছে।</p>
<p dir="ltr"><em>-মাসুদুজ্জামান রাসেল</em></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b/">কাঁটাচামচে চারটি কাঁটাই কেন থাকে, ভেবে দেখেছেন কখনো?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ওরাকল থেকে ফালুদার দোকান, বছরে আয় ১১ কোটি টাকা</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%93%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a7%a7%e0%a7%a7-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%93%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a7%a7%e0%a7%a7-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 12:40:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[বিদেশী উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ওরাকল]]></category>
		<category><![CDATA[ডেজার্ট]]></category>
		<category><![CDATA[ফালুদা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=12629</guid>

					<description><![CDATA[<p>স্বপ্ন পূরণের জন্য বয়স কোনো বাধা নয়। ভারতের উদ্যোক্তা প্রদীপ কান্নানের যাত্রা যেন তারই বাস্তব উদাহরণ। বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকলে প্রায় এক দশক কাজ করার পর স্থিতিশীল ও ভালো বেতনের চাকরি ছেড়ে নিজের ব্যবসা শুরু করেন তিনি। একটি ছোট ডেজার্ট কিয়স্ক থেকে শুরু হওয়া সেই উদ্যোগই পরবর্তী সময়ে রূপ নেয় ‘দ্য ফালুদা শপ’ নামে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্র্যান্ডে। ২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করা এই ব্র্যান্ডের বার্ষিক আয় বর্তমানে ৯ কোটি রুপির বেশি বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১১ কোটি টাকা। ভারতের বিভিন্ন স্থানের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতেও রয়েছে এর আউটলেট। এবার উত্তর ভারতেও ব্যবসা সম্প্রসারণের [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%93%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a7%a7%e0%a7%a7-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be/">ওরাকল থেকে ফালুদার দোকান, বছরে আয় ১১ কোটি টাকা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">স্বপ্ন পূরণের জন্য বয়স কোনো বাধা নয়। ভারতের উদ্যোক্তা প্রদীপ কান্নানের যাত্রা যেন তারই বাস্তব উদাহরণ। বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকলে প্রায় এক দশক কাজ করার পর স্থিতিশীল ও ভালো বেতনের চাকরি ছেড়ে নিজের ব্যবসা শুরু করেন তিনি। একটি ছোট ডেজার্ট কিয়স্ক থেকে শুরু হওয়া সেই উদ্যোগই পরবর্তী সময়ে রূপ নেয় ‘দ্য ফালুদা শপ’ নামে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্র্যান্ডে।</p>
<p dir="ltr">২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করা এই ব্র্যান্ডের বার্ষিক আয় বর্তমানে ৯ কোটি রুপির বেশি বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১১ কোটি টাকা। ভারতের বিভিন্ন স্থানের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতেও রয়েছে এর আউটলেট। এবার উত্তর ভারতেও ব্যবসা সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p dir="ltr"><strong>করপোরেট চাকরি ছেড়ে উদ্যোক্তার পথে</strong></p>
<p dir="ltr">প্রদীপ কান্নানের শিক্ষাজীবনের শুরু ভারতের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজিতে। স্নাতক শেষে পোশাকশিল্পে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরবর্তীতে মুম্বাই থেকে ব্যবস্থাপনায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় কাজ করার সুবাদে ভারত ও দুবাইয়ে পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জনের পর যোগ দেন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকলে।</p>
<p dir="ltr">২০১৯ সালে ওরাকলে কর্মরত অবস্থায় তার মাসিক বেতন প্রায় ১ লাখ রুপি ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অর্থাৎ ক্যারিয়ারে তখন তার সামনে ছিল একটি স্থিতিশীল ও সম্ভাবনাময় পথ। তবে নিজের কিছু করার ইচ্ছা থেকেই শেষ পর্যন্ত করপোরেট চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।</p>
<p dir="ltr">নিজের শহর তামিলনাড়ুর কারুরে ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করেন কান্নান। তার ব্যবসার ধারণার কেন্দ্রে ছিল ভারতীয়দের পরিচিত ও জনপ্রিয় ডেজার্ট ফালুদা।</p>
<p dir="ltr"><strong>পরিচিত ফালুদাকে নতুন রূপ দেওয়ার চেষ্টা</strong></p>
<p dir="ltr">ফালুদাকে শুধু একটি সাধারণ ডেজার্ট হিসেবে বিক্রি না করে আধুনিক ও আকর্ষণীয় একটি ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নেন কান্নান। দ্য ফালুদা শপের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফালুদাকে আধুনিক, প্রিমিয়াম এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি উপযোগী একটি ব্র্যান্ডে পরিণত করাই ছিল তার অন্যতম লক্ষ্য।</p>
<p dir="ltr">এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কারুরে মাত্র ১০×১০ ফুট জায়গার একটি ছোট কিয়স্ক দিয়ে শুরু করেন ব্যবসা। বড় কোনো উদ্বোধন কিংবা ব্যাপক প্রচারণা ছাড়াই শুরু হয় তার উদ্যোক্তা যাত্রা।</p>
<p dir="ltr">আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b6%e0%a6%96-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%ac/">শখ থেকে সফল নারী উদ্যোক্তা</a></p>
<p dir="ltr">তবে অল্প সময়ের মধ্যেই ক্রেতাদের মধ্যে সাড়া তৈরি হয়। একটি কিয়স্ক থেকে ধীরে ধীরে ব্যবসার পরিধি বাড়তে থাকে। বর্তমানে ব্র্যান্ডটির মোট আউটলেটের সংখ্যা ১৮টির কাছাকাছি, যার মধ্যে দুবাইয়ের একটি শাখাও রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p dir="ltr"><strong>ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলে বিস্তার</strong></p>
<p dir="ltr">ব্যবসার পরিধি বাড়াতে ‘দ্য ফালুদা শপ’ মূলত ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেল অনুসরণ করছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশীদারদের জন্য কর্মী ব্যবস্থাপনা, কাঁচামাল সরবরাহ ও প্রশিক্ষণের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। অন্যদিকে ফ্র্যাঞ্চাইজি গ্রহণকারীদের নির্ধারিত অগ্রিম ফি দিতে হয়।</p>
<p dir="ltr">ফলে কারুরের ছোট কিয়স্কের উদ্যোগটি ধীরে ধীরে নিজস্ব আউটলেটের পাশাপাশি একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবসায়িক মডেলেও রূপ নিয়েছে।</p>
<p dir="ltr">সম্প্রতি প্রদীপ কান্নান জানিয়েছেন, ভারতের উত্তরাঞ্চলেও ব্র্যান্ডটির কার্যক্রম সম্প্রসারিত হতে যাচ্ছে। এ অঞ্চলের প্রথম আউটলেট হিসেবে গুরুগ্রামে একটি স্টোর চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে।</p>
<p dir="ltr">এই সম্প্রসারণকে নিজের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন কান্নান। ছোট শহরের একটি কিয়স্ক থেকে শুরু করে ব্যবসাটি দেশের অন্য অঞ্চলে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছেছে, তার কাছে বিষয়টি এখনো অনেকটা অবিশ্বাস্য বলেই মনে হচ্ছে।</p>
<p dir="ltr"><strong>নতুন প্রজন্মকে লক্ষ্য করে ডেজার্টের বৈচিত্র্য</strong></p>
<p dir="ltr">সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ফালুদাকে ঘিরে নতুন নতুন পণ্যও যুক্ত করেছে ব্র্যান্ডটি। বিশেষ করে মিলেনিয়াল ও জেন-জি প্রজন্মের ভোক্তাদের চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে ডেজার্টের ধরন ও পরিবেশনে বৈচিত্র্য আনা হয়েছে।</p>
<p dir="ltr">এর মধ্যে রয়েছে পানীয় হিসেবে গ্রহণের উপযোগী ফালুদা। পাশাপাশি ক্যানজাত ও প্রস্তুত খাওয়ার উপযোগী ফালুদাও বাজারে এনেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মাধ্যমে প্রচলিত ফালুদাকে আরও আধুনিক ও সহজে গ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করছে ব্র্যান্ডটি।</p>
<p dir="ltr"><strong>ছোট শুরু থেকে বড় স্বপ্ন</strong></p>
<p dir="ltr">উচ্চ বেতনের করপোরেট চাকরি ছেড়ে মাত্র ১০×১০ ফুটের একটি কিয়স্ক দিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন প্রদীপ কান্নান। সেই ছোট উদ্যোগই কয়েক বছরের মধ্যে একাধিক আউটলেটের একটি ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে।</p>
<p dir="ltr">ভারতের বাজার ছাড়িয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছানোর পর এবার উত্তর ভারতেও সম্প্রসারণের পথে ‘দ্য ফালুদা শপ’। কান্নানের উদ্যোক্তা যাত্রা দেখাচ্ছে, বড় ব্যবসার শুরু সবসময় বড় পরিসরে হতে হয় না; কখনো কখনো একটি ছোট জায়গা, একটি ভিন্ন চিন্তা এবং সেটিকে বাস্তবায়নের উদ্যোগ থেকেই তৈরি হতে পারে নতুন একটি ব্র্যান্ড।</p>
<p><em>-মাসুদুজ্জামান রাসেল</em></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%93%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a7%a7%e0%a7%a7-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be/">ওরাকল থেকে ফালুদার দোকান, বছরে আয় ১১ কোটি টাকা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%93%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a7%a7%e0%a7%a7-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যে ৮টি কথা আপনার প্রফেশনাল ইমেজ নষ্ট করে দিতে পারে</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%ae%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%9c-%e0%a6%a8%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%ae%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%9c-%e0%a6%a8%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 07:50:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[ইমেজ]]></category>
		<category><![CDATA[কর্মক্ষেত্র]]></category>
		<category><![CDATA[প্রফেশনাল]]></category>
		<category><![CDATA[সাপ্লাই চেইন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=12615</guid>

					<description><![CDATA[<p>কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শুধু কাজ জানলেই একজন মানুষকে প্রকৃত অর্থে প্রফেশনাল বলা যায় না। তার কথাবার্তা, দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং নতুন কিছু শেখার আগ্রহ সবকিছু মিলেই তৈরি হয় তার প্রফেশনাল ইমেজ। অনেক সময় আমরা এমন কিছু কথা খুব স্বাভাবিকভাবে বলে ফেলি, যেগুলো ধীরে ধীরে আমাদের সম্পর্কে সহকর্মী, ম্যানেজার বা প্রতিষ্ঠানের কাছে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে। চলুন এমন আটটি কথার দিকে নজর দেওয়া যাক। ১. আমাকে কেউ এই কাজ করার কথা বলে নি এই কথাটি অনেক সময় দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার মানসিকতা প্রকাশ করে। একজন প্রফেশনাল শুধু তাকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া কাজের মধ্যেই [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%ae%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%9c-%e0%a6%a8%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87/">যে ৮টি কথা আপনার প্রফেশনাল ইমেজ নষ্ট করে দিতে পারে</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শুধু কাজ জানলেই একজন মানুষকে প্রকৃত অর্থে প্রফেশনাল বলা যায় না। তার কথাবার্তা, দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং নতুন কিছু শেখার আগ্রহ সবকিছু মিলেই তৈরি হয় তার প্রফেশনাল ইমেজ।</p>
<p dir="ltr">অনেক সময় আমরা এমন কিছু কথা খুব স্বাভাবিকভাবে বলে ফেলি, যেগুলো ধীরে ধীরে আমাদের সম্পর্কে সহকর্মী, ম্যানেজার বা প্রতিষ্ঠানের কাছে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে। চলুন এমন আটটি কথার দিকে নজর দেওয়া যাক।</p>
<p dir="ltr"><strong>১. আমাকে কেউ এই কাজ করার কথা বলে নি</strong></p>
<p dir="ltr">এই কথাটি অনেক সময় দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার মানসিকতা প্রকাশ করে। একজন প্রফেশনাল শুধু তাকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া কাজের মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেন না। তিনি পরিস্থিতি বোঝেন, প্রয়োজনীয় জায়গায় দায়িত্ব নেন এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে উদ্যোগী হন।</p>
<p dir="ltr">সব কাজের জন্য নির্দেশনার অপেক্ষা না করে নিজেকে প্রশ্ন করুন &#8220;এখানে আমি কীভাবে সাহায্য করতে পারি?&#8221;</p>
<p dir="ltr"><strong>২. আমি চেষ্টা করে দেখবো</strong></p>
<p dir="ltr">চেষ্টা করা অবশ্যই ভালো বিষয়। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের ক্ষেত্রে শুধু &#8220;চেষ্টা করবো&#8221; বললে অনেক সময় আপনার আত্মবিশ্বাস ও কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।</p>
<p dir="ltr">সম্ভব হলে বলুন &#8220;আমি কাজটি সম্পন্ন করার জন্য এই পদক্ষেপগুলো নিচ্ছি।&#8221; এতে আপনার পরিকল্পনা এবং দায়িত্ববোধ দুটোই প্রকাশ পাবে।</p>
<p dir="ltr"><strong>৩. আমি সময় পাইনি</strong></p>
<p dir="ltr">সময় না পাওয়া আমাদের প্রায় সবার পরিচিত একটি অজুহাত। কিন্তু বাস্তবতা হলো সময় সবার জন্যই সমান। পার্থক্য তৈরি হয় কে তার সময়কে কতটা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারছে।</p>
<p dir="ltr">যদি কোনো কাজ সময়মতো শেষ না হয়, তাহলে শুধু অজুহাত না দিয়ে কারণ ব্যাখ্যা করুন এবং নতুন একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণ করুন।</p>
<p dir="ltr"><strong>৪. এটা তো আমার সমস্যা না</strong></p>
<p dir="ltr">কোনো ভুল বা জটিলতা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে দায় থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতা একজন কর্মীর নেতিবাচক ইমেজ তৈরি করে। প্রতিষ্ঠানের যেকোনো সমস্যা প্রকৃতপক্ষে পুরো টিমেরই সমস্যা তা যার বিভাগেই হোক না কেন।</p>
<p dir="ltr">দায় খোঁজার পরিবর্তে বলুন &#8220;চলুন দেখি আমরা এখান থেকে কীভাবে এগোতে পারি।&#8221; এতে আপনি একজন সমস্যা-সমাধানকারী হিসেবে পরিচিত হবেন, দোষারোপকারী হিসেবে নয়।</p>
<p dir="ltr"><strong>৫. এই কাজটা অসম্ভব</strong></p>
<p dir="ltr">কোনো কাজ কঠিন হতে পারে, কিন্তু শুরুতেই সেটিকে &#8220;অসম্ভব&#8221; বলে দেওয়া একজন মানুষের সমস্যা সমাধানের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।</p>
<p dir="ltr">এর পরিবর্তে সমস্যাটিকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করুন। কোথায় বাধা আছে তা চিহ্নিত করুন এবং সম্ভাব্য সমাধান খুঁজুন। অনেক সময় অসম্ভব মনে হওয়া কাজটিই সঠিক পরিকল্পনায় সম্ভব হয়ে যায়।</p>
<p dir="ltr"><strong>৬. আমি ডেডলাইনটা অন্য কাউকে করতে বলবো</strong></p>
<p dir="ltr">নিজের দায়িত্ব অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা টিমের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। অবশ্যই প্রয়োজনে সহযোগিতা চাইতে হবে, কিন্তু দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য নয়।</p>
<p dir="ltr">সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়। বরং সঠিক সময়ে সঠিক সহযোগিতা নেওয়া একজন দক্ষ প্রফেশনালের বৈশিষ্ট্য।</p>
<p dir="ltr"><strong>৭. আমরা সব সময় এভাবেই করি</strong></p>
<p dir="ltr">এই একটি বাক্য নতুন আইডিয়া, উন্নয়ন এবং পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় বাধা হতে পারে। পৃথিবী দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। প্রযুক্তি, ব্যবসা এবং কাজের পদ্ধতি প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে।</p>
<p dir="ltr">তাই শুধু পুরোনো পদ্ধতি অনুসরণ করার পরিবর্তে প্রশ্ন করুন &#8220;এর চেয়ে ভালো কোনো উপায় কি আছে?&#8221;</p>
<p dir="ltr">নতুন কিছু শেখার এবং গ্রহণ করার মানসিকতাই একজন মানুষকে সময়ের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক রাখে।</p>
<p dir="ltr"><strong>৮. এই কাজের জন্য এখন সময় নেই আমার</strong></p>
<p dir="ltr">এই কথার পেছনে অনেক সময় সময়ের অভাবের চেয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণের সমস্যা বেশি থাকে। একজন দক্ষ প্রফেশনাল জানেন কোন কাজটি আগে করতে হবে এবং কোনটি পরে করা যেতে পারে।</p>
<p dir="ltr">সব কাজ একসঙ্গে করার চেষ্টা না করে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দিন। প্রয়োজন হলে কাজ ভাগ করুন, সময় নির্ধারণ করুন এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যস্ততা কমান।</p>
<p dir="ltr">একজন মানুষের প্রফেশনাল ইমেজ একদিনে তৈরি হয় না। প্রতিদিনের ছোট ছোট আচরণ, কথাবার্তা, দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা এবং কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই ধীরে ধীরে তৈরি হয় তার পরিচয়।</p>
<p dir="ltr"><strong>মনে রাখতে হবে-</strong></p>
<p dir="ltr">আপনার অভ্যাস আপনার ইমেজ তৈরি করে, আর আপনার ইমেজ আপনার ভবিষ্যৎ তৈরি করে।</p>
<p dir="ltr">তাই কর্মক্ষেত্রে শুধু দক্ষ হওয়ার চেষ্টা করলেই হবে না; দায়িত্বশীল, ইতিবাচক, সমাধানমুখী এবং শেখার প্রতি আগ্রহী হওয়ারও প্রয়োজন আছে। কারণ আপনার প্রতিটি কথা এবং প্রতিটি আচরণই অন্যদের কাছে আপনার ব্যক্তিত্ব ও প্রফেশনালিজমের একটি বার্তা পৌঁছে দেয়।</p>
<p dir="ltr"><em>লেখক- মো. ইব্রাহীম ঢালী</em><br />
<em>সাপ্লাই চেইন প্রফেশনাল</em></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%ae%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%9c-%e0%a6%a8%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87/">যে ৮টি কথা আপনার প্রফেশনাল ইমেজ নষ্ট করে দিতে পারে</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%ae%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%9c-%e0%a6%a8%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মালয়েশিয়ায় বিশেষ সম্মাননা পেল বাংলাদেশের নূর ট্রাভেল করপোরেশন</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 23 Jun 2026 05:19:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[এওয়ার্ড]]></category>
		<category><![CDATA[এপিইউ]]></category>
		<category><![CDATA[নূর ট্রাভেল করপোরেশন]]></category>
		<category><![CDATA[মালয়েশিয়া]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=12598</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের শিক্ষা পরামর্শ ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সেবাখাতে আরেকটি গৌরবময় সাফল্যের স্বাক্ষর রাখল নূর ট্রাভেল করপোরেশন। সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন (এপিইউ) এর গ্লোবাল পার্টনার্স কনফারেন্স ২০২৬-এ প্রতিষ্ঠানটি মর্যাদাপূর্ণ ‘ভ্যালুড পার্টনার এপ্রিসিয়েশন এওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাতে অসামান্য অবদান, শিক্ষার্থী সহায়তায় ধারাবাহিক সাফল্য এবং এপিইউ’র সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর অংশীদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে নূর ট্রাভেল করপোরেশনকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এই সম্মেলনে নূর ট্রাভেল করপোরেশনের অর্জন বাংলাদেশের জন্যও একটি উল্লেখযোগ্য সম্মান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে ১২০টি দেশ থেকে এপিইউ এর ২৩০ জন আন্তর্জাতিক পার্টনার, শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাখাত সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সম্মানজনক অনুষ্ঠানে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8/">মালয়েশিয়ায় বিশেষ সম্মাননা পেল বাংলাদেশের নূর ট্রাভেল করপোরেশন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">বাংলাদেশের শিক্ষা পরামর্শ ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সেবাখাতে আরেকটি গৌরবময় সাফল্যের স্বাক্ষর রাখল নূর ট্রাভেল করপোরেশন। সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন (এপিইউ) এর গ্লোবাল পার্টনার্স কনফারেন্স ২০২৬-এ প্রতিষ্ঠানটি মর্যাদাপূর্ণ ‘ভ্যালুড পার্টনার এপ্রিসিয়েশন এওয়ার্ড’ অর্জন করেছে।</p>
<p dir="ltr">আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাতে অসামান্য অবদান, শিক্ষার্থী সহায়তায় ধারাবাহিক সাফল্য এবং এপিইউ’র সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর অংশীদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে নূর ট্রাভেল করপোরেশনকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এই সম্মেলনে নূর ট্রাভেল করপোরেশনের অর্জন বাংলাদেশের জন্যও একটি উল্লেখযোগ্য সম্মান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
<p dir="ltr">বিশ্বজুড়ে ১২০টি দেশ থেকে এপিইউ এর ২৩০ জন আন্তর্জাতিক পার্টনার, শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাখাত সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সম্মানজনক অনুষ্ঠানে এওয়ার্ডটি তুলে দেন এপিইউ মালয়েশিয়ার সিইও এবং কো-ফাউন্ডার দাতুক পরমজিত সিং। তাঁর হাত থেকে সম্মাননাটি গ্রহণ করেন নূর ট্রাভেল করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবু মুসা মো. আয়াতুল্লাহ।<img fetchpriority="high" decoding="async" class="aligncenter wp-image-12601 size-full" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2026/06/uj2-1.jpg" alt="uj2 1" width="600" height="614">নূর ট্রাভেল করপোরেশন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, ভর্তি প্রক্রিয়া, ভিসা সহায়তা এবং শিক্ষা-পরবর্তী বিভিন্ন বিষয়ে পেশাদার সেবা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা অর্জন করেছে।</p>
<p dir="ltr">প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোত্তম সুযোগ সৃষ্টি করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এপিইউ’র মতো বিশ্বমানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে এমন স্বীকৃতি অর্জন প্রতিষ্ঠানটির জন্য যেমন গর্বের, তেমনি ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও মানসম্মত সেবা প্রদানের অনুপ্রেরণাও।</p>
<p dir="ltr">এ বিষয়ে নূর ট্রাভেল করপোরেশনের সিইও আবু মুসা মো. আয়াতুল্লাহ বলেন,<img decoding="async" class="aligncenter wp-image-12603 size-full" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2026/06/uj3.jpg" alt="uj3" width="600" height="568">&#8220;এপিইউ’র কাছ থেকে এই সম্মাননা অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এটি শুধু নূর ট্রাভেল করপোরেশনের অর্জন নয়, বরং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাতের জন্যও একটি ইতিবাচক বার্তা। আমরা ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বমানের শিক্ষা সুযোগ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাব।&#8221;</p>
<div>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%89%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8c%e0%a6%b6%e0%a6%b2%e0%a6%97%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%a0%e0%a6%95/">মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষার দিগন্ত উন্মোচন : এনটিসি ও ইউনিরাজ্জাকের কৌশলগত বৈঠক</a></div>
<p dir="ltr">বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে বাংলাদেশি শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী অংশীদারিত্ব দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষার দ্বার আরও উন্মুক্ত করছে। নূর ট্রাভেল করপোরেশনের এ অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিক্ষা পরামর্শ খাতের গ্রহণযোগ্যতা ও সক্ষমতারও একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।</p>
<p dir="ltr">শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে দীর্ঘদিনের নিরলস প্রচেষ্টা, বিশ্বস্ত সেবা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা অর্জনের ধারাবাহিকতার ফলস্বরূপ নূর ট্রাভেল করপোরেশনের এই সম্মাননা ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির সাফল্যের যাত্রাকে আরও বেগবান করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।</p>
<p dir="ltr"><em>-মাসুদুজ্জামান রাসেল</em></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8/">মালয়েশিয়ায় বিশেষ সম্মাননা পেল বাংলাদেশের নূর ট্রাভেল করপোরেশন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অস্ত্রোপচার না করে শব্দ তরঙ্গেই জব্দ হবে পারকিনসন্সের মতো জটিল স্নায়ু রোগ</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%9c%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%9c%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 06 Jun 2026 07:29:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[আলট্রাসাউন্ড]]></category>
		<category><![CDATA[চিকিৎসা]]></category>
		<category><![CDATA[পারকিনসন্স]]></category>
		<category><![CDATA[শব্দ তরঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[স্নায়ু রোগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=12592</guid>

					<description><![CDATA[<p>মস্তিষ্কের ভিতরে কী ঘটছে, স্মৃতির পাতা কতটা ঝাপসা হয়েছে, কোনো রোগ ঘাপটি মেরে রয়েছে কি না, তা ধরা যাবে কাটাছেঁড়া ছাড়াই। চিকিৎসাও হবে অনুরূপ। পারকিনসন্সের মতো জটিল স্নায়ুর রোগ জব্দ হবে শব্দের ধাক্কায়। সে উপায় আবিষ্কার করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা। পারকিনসন্স নামটি পরিচিত। তবে রোগটি কী, তা বোধগম্য না-ও হতে পারে। সহজ করে বললে, এটি স্নায়ুর এমন অসুখ যা একবার হলেই হাত-পা কাঁপা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, হাঁটাচলা করার সমস্যা শুরু হয়। স্নায়ুর রোগটিকে আগে থেকে চেনা সহজ নয়। ধরা তার চেয়েও বেশি কঠিন। এর উপযুক্ত চিকিৎসা নেই, ওষুধ নিয়ে রোগটিকে নির্মূল করা যায় না। পারকিনসন্সের রোগীর জীবনের একটা বড় পর্যায় কেটে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%9c%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97/">অস্ত্রোপচার না করে শব্দ তরঙ্গেই জব্দ হবে পারকিনসন্সের মতো জটিল স্নায়ু রোগ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">মস্তিষ্কের ভিতরে কী ঘটছে, স্মৃতির পাতা কতটা ঝাপসা হয়েছে, কোনো রোগ ঘাপটি মেরে রয়েছে কি না, তা ধরা যাবে কাটাছেঁড়া ছাড়াই। চিকিৎসাও হবে অনুরূপ। পারকিনসন্সের মতো জটিল স্নায়ুর রোগ জব্দ হবে শব্দের ধাক্কায়। সে উপায় আবিষ্কার করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা।</p>
<p dir="ltr">পারকিনসন্স নামটি পরিচিত। তবে রোগটি কী, তা বোধগম্য না-ও হতে পারে। সহজ করে বললে, এটি স্নায়ুর এমন অসুখ যা একবার হলেই হাত-পা কাঁপা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, হাঁটাচলা করার সমস্যা শুরু হয়। স্নায়ুর রোগটিকে আগে থেকে চেনা সহজ নয়। ধরা তার চেয়েও বেশি কঠিন। এর উপযুক্ত চিকিৎসা নেই, ওষুধ নিয়ে রোগটিকে নির্মূল করা যায় না। পারকিনসন্সের রোগীর জীবনের একটা বড় পর্যায় কেটে যেতে পারে হুইলচেয়ারে বন্দি অবস্থায়।</p>
<p dir="ltr">এমন জটিল ও দুরারোগ্য রোগও যে নির্মূল করা যেতে পারে, তা নিয়ে বিশ্ব জুড়েই মাথা ঘামাচ্ছেন গবেষকেরা। এক উপায় বেরিয়ে এসেছে। তা হল শব্দশক্তি। অস্ত্রোপচার নয়, খুলিতে কাটাছেঁড়া নয়, ওষুধ নয়— কেবল শব্দের তাণ্ডবেই জব্দ হবে স্নায়ুর রোগ। মগজে পাঠাতে হবে শব্দতরঙ্গ। তার ধাক্কাতেই নষ্ট হয়ে যাওয়া স্নায়ুগুলি ধ্বংস হবে।</p>
<p dir="ltr"><strong>শব্দেই জব্দ স্নায়ুর ব্যাধি</strong></p>
<p dir="ltr">চিকিৎসাটির নাম ‘ফোকাসড আলট্রাসাউন্ড’। মগজের যে অঞ্চলের স্নায়ুগুলি জট পাকিয়ে শরীরে কাঁপুনি জাগায় ও স্মৃতিশক্তি ঝাপসা করে দেয়, সেই স্নায়ুগুলিকে কব্জা করাই লক্ষ্য। তবে স্নায়ুকে বাগে আনা সহজ নয়। খুলি ভেদ করে স্নায়ুর ‘সার্কিট’ অবধি পৌঁছোনো যথেষ্টই কঠিন। কিছু ক্ষেত্রে অসম্ভবও বটে। সেই কাজই করবে শব্দতরঙ্গ।</p>
<p dir="ltr">আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97/">বাতিল-অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমানোর নেশাই যখন রোগ</a></p>
<p dir="ltr">শব্দের জোর কতটা, তা আলাদা করে বলে দিতে হয় না। তাই শব্দ দিয়েই ঝাপটা দেওয়া হবে স্নায়ুর জটকে। উচ্চ কম্পাঙ্কের কিছু শব্দতরঙ্গকে খুলির শক্ত আবরণ ভেদ করে পাঠানো হবে মগজের অন্দরে। সেই তরঙ্গ নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে তালগোল পাকিয়ে থাকা স্নায়ুকে সঠিক পথে আনবে। ক্ষতিগ্রস্ত স্নায়ুর কোষকেও নষ্ট করবে। মস্তিষ্কের যে এলাকার কোষ নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়ে স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে দিয়েছিল, সেগুলিকে জাগিয়ে তোলাও হবে এর কাজ।</p>
<p dir="ltr">দু’ভাবে হবে শব্দের চিকিৎসা। একটি ‘থার্মাল অ্যাবলেশন’। একাধিক শব্দতরঙ্গ এমন ভাবে মগজে পাঠানো হবে যাতে সুস্থ কোষের ক্ষতি না হয়। সমস্ত তরঙ্গ একত্রিত হয়ে তাপ উৎপন্ন করবে, যা ক্ষতিগ্রস্ত স্নায়ুকোষগুলিকে ধ্বংস করবে।</p>
<p dir="ltr">দ্বিতীয় পদ্ধতি হল মস্তিষ্কের রোগাক্রান্ত জায়গাটিতে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা। মস্তিষ্কের রক্তনালিগুলির দেওয়ালে একটি প্রাকৃতিক সুরক্ষা প্রাচীর থাকে, যাকে ‘ব্লাড-ব্রেন ব্যারিয়ার’ বলে। এই আস্তরণ এতটাই মজবুত যে, তা ভেদ করে ওষুধ বা অ্যান্টিবডি স্নায়ু অবধি পৌঁছোতে পারে না।</p>
<p dir="ltr">শব্দের কাজ হবে জোরালো ধাক্কায় এই প্রাচীরকে সাময়িকভাবে আলগা করে দেওয়া, যাতে সঠিক পথে ওষুধ বা অ্যান্টিবডি মগজে পৌঁছে দেওয়া যায়। এর সুবিধা হল, মস্তিষ্কে কাটাছেঁড়া করার প্রয়োজন হবে না। খুলিতে ছিদ্র করলে বা কেটে সেই প্রাচীর আলগা করার চেষ্টা করলে রোগীর বিপদ বাড়তে পারে। সেই কাজই শব্দতরঙ্গ দিয়ে করা হবে।</p>
<p dir="ltr">বিশ্বের অনেক জায়গাতেই ফোকাসড আলট্রাসাউন্ডের গবেষণা হচ্ছে। আমেরিকার ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিসিন এবং কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এই পদ্ধতিতে পারকিনসন্স শুধু নয়, মস্তিষ্কের অন্য জটিল স্নায়বিক ব্যাধি নিরাময়েরও চেষ্টা করছেন। কিছুক্ষেত্রে সাফল্য এসেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।</p>
<p dir="ltr"><em>-মাসুদুজ্জামান রাসেল</em></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%9c%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97/">অস্ত্রোপচার না করে শব্দ তরঙ্গেই জব্দ হবে পারকিনসন্সের মতো জটিল স্নায়ু রোগ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%9c%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>টিফিনের টাকায় শুরু, স্বপ্ন এক সবুজ বাংলাদেশ</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 06 Jun 2026 04:49:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[দেশি উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[প্রকৃতি ও পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[গাছ সংরক্ষণ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশকর্মী]]></category>
		<category><![CDATA[বৃক্ষরোপণ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=12584</guid>

					<description><![CDATA[<p>একটি গাছের চারা। দাম হয়তো খুব বেশি নয়। কিন্তু সেই ছোট্ট চারাটিই কখনো কখনো একজন মানুষের জীবনের দর্শন হয়ে উঠতে পারে। স্কুলজীবনে টিফিনের টাকা জমিয়ে গাছের চারা কিনতেন তিনি। বন্ধুরা যখন টিফিন খেত, তখন তিনি রাস্তার পাশে, স্কুলের মাঠে কিংবা খালি জমিতে নিঃশব্দে একটি করে গাছ লাগিয়ে দিতেন। আজ সেই ছোট্ট উদ্যোগ রূপ নিয়েছে এক দীর্ঘ সবুজ আন্দোলনে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি কাজ করে চলেছেন পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ এবং বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির গাছ রক্ষায়। দেশের ৬৪ জেলায় বিনামূল্যে বৃক্ষ বিতরণ ও পরিবেশ সচেতনতা তৈরির উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার বার্তা। সমালোচনা, উপহাস, আর্থিক সীমাবদ্ধতা কিংবা [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/">টিফিনের টাকায় শুরু, স্বপ্ন এক সবুজ বাংলাদেশ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">একটি গাছের চারা। দাম হয়তো খুব বেশি নয়। কিন্তু সেই ছোট্ট চারাটিই কখনো কখনো একজন মানুষের জীবনের দর্শন হয়ে উঠতে পারে। স্কুলজীবনে টিফিনের টাকা জমিয়ে গাছের চারা কিনতেন তিনি। বন্ধুরা যখন টিফিন খেত, তখন তিনি রাস্তার পাশে, স্কুলের মাঠে কিংবা খালি জমিতে নিঃশব্দে একটি করে গাছ লাগিয়ে দিতেন।</p>
<p dir="ltr">আজ সেই ছোট্ট উদ্যোগ রূপ নিয়েছে এক দীর্ঘ সবুজ আন্দোলনে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি কাজ করে চলেছেন পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ এবং বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির গাছ রক্ষায়। দেশের ৬৪ জেলায় বিনামূল্যে বৃক্ষ বিতরণ ও পরিবেশ সচেতনতা তৈরির উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার বার্তা।</p>
<p dir="ltr">সমালোচনা, উপহাস, আর্থিক সীমাবদ্ধতা কিংবা জীবনের ঝুঁকি, কোনো কিছুই তাকে থামাতে পারেনি। কখনো গভীর রাতে মাথায় করে বিরল গাছের চারা বহন করেছেন, কখনো বন্য হাতির মুখোমুখি হয়েও ফিরে আসেননি তার স্বপ্ন থেকে।</p>
<p dir="ltr">প্রকৃতিকে শুধু ভালোবাসা নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়েই এগিয়ে চলেছেন পরিবেশকর্মী মাহবুবুল ইসলাম পলাশ। তার দীর্ঘ পথচলা, সংগ্রাম, স্বপ্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় তুলে ধরেছেন জয়া মাহবুব।</p>
<p dir="ltr"><strong>আপনি যখন প্রথমবার গাছ ও পরিবেশ নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন, সেই সময়ের এমন কোনো ব্যক্তিগত ঘটনা বা মুহূর্ত আছে কি, যেটি আপনার চিন্তা ও জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছিল?</strong></p>
<p dir="ltr">ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি, গাছপালা আর সবুজের প্রতি আমার এক অন্যরকম ভালোবাসা ছিল। গ্রামের খোলা মাঠ, পাখির ডাক, বড় বড় ছায়াঘেরা গাছ এসবের মধ্যেই আমার বেড়ে ওঠা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমি দেখলাম, আমাদের আশপাশের সেই পরিচিত গাছগুলো একে একে হারিয়ে যাচ্ছে। যেসব গাছের নিচে আমরা খেলতাম, গল্প করতাম, বিশ্রাম নিতাম সেগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে নানা কারণে। তখন হয়তো ছোট ছিলাম, কিন্তু ভেতরে একটা কষ্ট কাজ করত। মনে হতো, আমরা শুধু গাছ কাটছি না, আমাদের শৈশব, প্রকৃতি আর ভবিষ্যৎও হারিয়ে ফেলছি।</p>
<p dir="ltr">২০০০ সাল থেকে আমি নিয়মিতভাবে পরিবেশ, প্রকৃতি ও বৃক্ষরোপণ নিয়ে কাজ শুরু করি। তখন আমি স্কুলে পড়তাম। খুব বেশি সামর্থ্য ছিল না, কিন্তু ইচ্ছেটা ছিল প্রবল। আমি স্কুলের টিফিনের টাকা জমিয়ে গাছের চারা কিনতাম। অনেক সময় বন্ধুরা টিফিন খেত, আর আমি সেই টাকা দিয়ে ছোট ছোট গাছ কিনে রাস্তার পাশে, স্কুল প্রাঙ্গণে কিংবা খালি জায়গায় রোপণ করতাম।</p>
<p dir="ltr">কেউ কেউ বিষয়টা দেখে হাসত, কেউ বলত, “এই গাছ লাগিয়ে কী হবে?” কিন্তু আমি ভেতর থেকে অনুভব করতাম, একদিন এই ছোট ছোট গাছই বড় হয়ে মানুষকে ছায়া দেবে, অক্সিজেন দেবে, পাখির আশ্রয় হবে।</p>
<p dir="ltr">একদিন প্রচণ্ড গরমে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। আশপাশে কোথাও ছায়া ছিল না। তখন একটি বড় গাছের নিচে গিয়ে দাঁড়াতেই শরীর ও মনে এক ধরনের শান্তি অনুভব করি। সেদিন উপলব্ধি করি একটি গাছ শুধু পরিবেশ সুন্দর করে না, মানুষের জীবনও রক্ষা করে। সেই মুহূর্তটি আমার চিন্তাধারাকে পুরোপুরি বদলে দেয়।</p>
<p dir="ltr">ধীরে ধীরে গাছ লাগানো আমার অভ্যাস থেকে দায়িত্বে পরিণত হয়। আমি বুঝতে শিখি, প্রকৃতি বাঁচানো মানে শুধু পরিবেশ রক্ষা নয়; এটি মানুষের ভবিষ্যৎ, জীববৈচিত্র্য এবং পৃথিবীকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই। সেই বিশ্বাস থেকেই আজও আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যেন আগামী প্রজন্ম একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী পায়।</p>
<p dir="ltr"><strong>এই পরিবেশ আন্দোলনের শুরুতে পরিবার, বন্ধু বা আশপাশের মানুষ আপনার কাজকে কীভাবে দেখেছিল? কখনো কি নিরুৎসাহিত হতে হয়েছিল?</strong></p>
<p dir="ltr">আমার পরিবেশ ও বৃক্ষরোপণের কাজের শুরুর সময়টা মোটেও সহজ ছিল না। আজ মানুষ যেভাবে উৎসাহ দেয়, শুরুতে পরিস্থিতি ছিল একেবারেই ভিন্ন। তখন গ্রামের অনেক মানুষই আমার কাজকে অদ্ভুতভাবে দেখত। কেউ বুঝতে পারত না কেন আমি এত সময়, শ্রম আর ভালোবাসা গাছের পেছনে দিচ্ছি।</p>
<p dir="ltr">অনেকে সরাসরি আমাকে “পাগল” বলত। কেউ হাসাহাসি করত, আবার কেউ বলত—“এসব করে কী হবে?”, “গাছ লাগিয়ে কি সংসার চলবে?”, “চাষাবাদ না করে জমিতে গাছ লাগাচ্ছে!”</p>
<p dir="ltr">বিশেষ করে আমি যখন নিজের জমিতে বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির গাছ রোপণ শুরু করি, তখন অনেকেই বিষয়টাকে উপহাস করত। গ্রামের মানুষের কাছে জমি মানেই ছিল ধান, ফসল বা অর্থ উপার্জনের মাধ্যম। সেখানে আমি ফলন বা লাভের কথা না ভেবে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগাচ্ছিলাম। অনেকে বলত, “এই গাছ দিয়ে কী লাভ হবে?”, “এত কষ্ট করে বৃক্ষ লাগিয়ে ভবিষ্যতে কী পাবে?”</p>
<p dir="ltr">তাদের কথাগুলো অনেক সময় কষ্ট দিত, কিন্তু আমি জানতাম আমি কী উদ্দেশ্যে কাজ করছি। আমার বিশ্বাস ছিল—আজ যেটা মানুষ বুঝছে না, একদিন সেটাই তারা উপলব্ধি করবে।</p>
<p dir="ltr">বন্ধুদের মধ্যেও কেউ কেউ আমাকে নিয়ে মজা করত। যখন আমি স্কুলের টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে গাছের চারা কিনতাম, তখন অনেকেই অবাক হতো। তারা হয়তো তখন বুঝতে পারেনি, একটা ছোট গাছও ভবিষ্যতের জন্য কত বড় আশীর্বাদ হতে পারে।</p>
<p dir="ltr">তবে এই দীর্ঘ পথে সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল আমার পরিবার, বিশেষ করে আমার মা। সবাই যখন সমালোচনা করত, মা তখন আমাকে সাহস দিতেন। তিনি কখনো আমার স্বপ্নকে ছোট করে দেখেননি। বরং বলতেন, “ভালো কাজ করলে একদিন মানুষ ঠিকই বুঝবে।”</p>
<p dir="ltr">মায়ের এই বিশ্বাস আর সমর্থন আমাকে ভেতর থেকে অনেক শক্তি দিয়েছে। হয়তো সেই সমর্থন না পেলে এত বাধা-বিপত্তির মধ্যে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যেত।</p>
<div id="attachment_12587" style="width: 610px" class="wp-caption aligncenter"><img decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-12587" class="wp-image-12587 size-full" src="https://uddoktajournal.com/wp-content/uploads/2026/06/uj2.jpg" alt="uj2" width="600" height="338"><p id="caption-attachment-12587" class="wp-caption-text">বিরল ও দেশি-বিদেশি উদ্ভিদের সমারোহে সমৃদ্ধ মাহবুবুল ইসলাম পলাশের বাগানটি বর্তমানে ৩০০টিরও বেশি দুর্লভ উদ্ভিদ প্রজাতির আশ্রয়স্থল। ছবি সৌজন্যে: মাহবুবুল ইসলাম পলাশ।</p></div>
<p dir="ltr">সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ধীরে ধীরে আমার কাজের গুরুত্ব বুঝতে শুরু করে। যেসব গাছ একসময় ছোট চারা ছিল, সেগুলো বড় হয়ে ছায়া দিতে শুরু করে, পরিবেশ বদলাতে শুরু করে। তখন অনেকেই এসে বলেছে—“তুমি ঠিক কাজটাই করেছিলে।”</p>
<p dir="ltr">আজ যারা একসময় সমালোচনা করত, তারাই এখন উৎসাহ দেয়, গাছ নেয়, বৃক্ষরোপণে অংশ নেয়। এই পরিবর্তন আমাকে আরও বিশ্বাসী করে তুলেছে যে, ভালো কাজের ফল একদিন না একদিন অবশ্যই মানুষের সামনে আসে।</p>
<p dir="ltr"><strong>এমন কোনো কঠিন সময় কি এসেছে, যখন আপনি মনে করেছিলেন এই কাজ আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না? সেই সময়ের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?</strong></p>
<p dir="ltr">হ্যাঁ, অনেকবারই এমন পরিস্থিতি এসেছে। বিশেষ করে যখন নিজের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে কাজ চালাতে হয়েছে, তখন খুব অসহায় লেগেছে। অনেক সময় গাছ লাগানোর পর সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে, মানুষ যত্ন নেয়নি, কিংবা প্রকৃতির বিরূপ প্রভাবেও ক্ষতি হয়েছে।</p>
<p dir="ltr">কখনো কখনো মনে হয়েছে, এত কষ্ট করে কী লাভ? কিন্তু পরে যখন কোনো ছোট শিশু এসে বলে, “ভাইয়া, আমিও একটা গাছ লাগাতে চাই”—তখন আবার নতুন করে শক্তি পাই। বুঝতে পারি, পরিবর্তন ধীরে আসে, কিন্তু আসে।</p>
<p dir="ltr"><strong>বিরল বা বিলুপ্তপ্রায় গাছ সংরক্ষণ করতে গিয়ে এমন কোনো অভিজ্ঞতা কি হয়েছে, যা আপনাকে প্রকৃতি সম্পর্কে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে?</strong></p>
<p dir="ltr">বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় গাছ সংরক্ষণের কাজ করতে গিয়ে জীবনের অনেক স্মরণীয় ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এই পথ শুধু গাছ লাগানোর নয়, বরং প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক অনুভব করার একটি যাত্রা।</p>
<p dir="ltr">একবার একটি বিরল প্রজাতির গান্ধী গজারি গাছ সংগ্রহ করতে অনেক দূরের এলাকায় যেতে হয়েছিল। গাছটি সংগ্রহ করার পর গভীর রাতে ফেরার পথে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। তখন রাত প্রায় তিনটা। চারপাশ অন্ধকার, রাস্তা কাদায় ভরা, কোনো যানবাহনের ব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু গাছটিকে নিরাপদে নিয়ে আসার জন্য আমি সেটি মাথায় নিয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার হেঁটে ফিরেছিলাম।</p>
<p dir="ltr">সেদিন বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে আমার মনে হচ্ছিল—একটি গাছকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য মানুষ কতটুকু কষ্ট করতে পারে, আর প্রকৃতি আমাদের জন্য প্রতিদিন কত কিছু নিঃস্বার্থভাবে দিয়ে যাচ্ছে। সেই রাতটি আজও আমার জীবনের অন্যতম আবেগঘন স্মৃতি।</p>
<p dir="ltr">আবার একবার কুটাখালি মালুমঘাট এলাকায় বিরল গাছ সংগ্রহ করতে গিয়ে ভয়ংকর এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলাম। পাহাড়ি ও বনাঞ্চল এলাকায় গাছের সন্ধানে ঘুরতে গিয়ে হঠাৎ বন্য হাতির খুব কাছাকাছি চলে যাই। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অল্পের জন্য হাতির আক্রমণ থেকে রক্ষা পাই।</p>
<p dir="ltr">সেই সময় আমি উপলব্ধি করি, প্রকৃতি যেমন সুন্দর, তেমনি শক্তিশালীও। বন, বন্যপ্রাণী ও গাছপালা—সবকিছু মিলিয়েই প্রকৃতির ভারসাম্য তৈরি হয়। আমরা যখন বন ধ্বংস করি, তখন শুধু গাছ নয়, অসংখ্য প্রাণীর বাসস্থানও ধ্বংস করি।</p>
<p dir="ltr">এই অভিজ্ঞতাগুলো আমাকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। আমি বুঝেছি, পরিবেশ রক্ষা মানে শুধু গাছ লাগানো নয়; এটি আমাদের ইতিহাস, জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করার দায়িত্ব।</p>
<p dir="ltr">আজ যখন কোনো বিরল গাছের চারা দেখি, তখন শুধু একটি গাছ দেখি না—আমি সেখানে একটি হারিয়ে যেতে বসা ইতিহাস, একটি পরিবেশব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা দেখতে পাই।</p>
<p dir="ltr"><strong>আপনার এই দীর্ঘ যাত্রার পেছনে এমন কোনো মানুষ আছেন কি, যিনি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে আপনাকে অনুপ্রাণিত করেছেন?</strong></p>
<p dir="ltr">আমার জীবনে অনেক মানুষ আছেন, যারা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন। তবে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে প্রকৃতি নিজেই। পাশাপাশি কিছু শিক্ষক, প্রবীণ বৃক্ষপ্রেমী এবং সমাজের নিঃস্বার্থ মানুষদের কাজ দেখে আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি।</p>
<p dir="ltr">বিশেষ করে যারা কোনো স্বার্থ ছাড়াই সমাজের জন্য কাজ করেন, তাদের দেখেই শিখেছি—মানুষের জীবনের আসল সৌন্দর্য অন্যের জন্য কিছু করার মধ্যে। বিশেষ করে আমার মা সাপোর্ট দিয়েছেন।</p>
<p dir="ltr"><strong>মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে এমন কোনো ঘটনা কি ঘটেছে, যা আপনাকে সবচেয়ে বেশি আবেগপ্রবণ বা মানবিকভাবে নাড়া দিয়েছে?</strong></p>
<p dir="ltr">একবার একটি বৃদ্ধ মানুষ আমার কাছ থেকে একটি গাছের চারা নিয়ে বলেছিলেন, “আমি হয়তো এই গাছের পুরো ফল দেখতে পারব না, কিন্তু আমার নাতিরা দেখবে।” কথাটা শুনে আমি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম।</p>
<p dir="ltr">তখন মনে হয়েছিল, গাছ লাগানো আসলে ভবিষ্যতের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করার মতো একটি কাজ। এই অনুভূতিগুলোই আমাকে বারবার মানুষ ও প্রকৃতির সম্পর্ক নতুনভাবে বুঝতে সাহায্য করে।</p>
<p dir="ltr"><strong>আপনি যখন বিনামূল্যে গাছ বিতরণ করেন, তখন মানুষের প্রতিক্রিয়া থেকে এমন কী অভিজ্ঞতা পেয়েছেন, যা আপনাকে নতুনভাবে কিছু শিখিয়েছে?</strong></p>
<p dir="ltr">অনেক সময় দেখেছি, একজন দরিদ্র মানুষও খুব যত্ন করে একটি গাছ নিয়ে যায়, যেন সেটি তার পরিবারের সদস্য। আবার এমনও হয়েছে, কেউ শুধু শখের বশে গাছ নিয়েছে কিন্তু পরে যত্ন নেয়নি।</p>
<p dir="ltr">আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/">শহরে ইচ্ছেমতো গাছ লাগালেই তাপমাত্রা কমে না!</a></p>
<p dir="ltr">এসব অভিজ্ঞতা থেকে আমি শিখেছি—গাছ বিতরণ করাই যথেষ্ট নয়, মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ যখন গাছকে নিজের জীবনের অংশ হিসেবে ভাবতে শিখবে, তখনই প্রকৃত পরিবর্তন আসবে। ৬৪ জেলায় বিনামূল্যে বৃক্ষ রোপণ করেছি সবাই অনেক ভালোবাসা দিয়েছে</p>
<p dir="ltr"><strong>আপনার মতে, পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে মানুষের সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা বা মিসকনসেপশন কোনটি, যা এখনো সমাজে প্রচলিত আছে?</strong></p>
<p dir="ltr">সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা হলো, মানুষ মনে করে পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকার বা কিছু সংগঠনের দায়িত্ব। অথচ প্রকৃতি রক্ষা প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিগত দায়িত্ব।</p>
<p dir="ltr">আরেকটি বিষয় হলো, অনেকে মনে করে শুধু একটি দিবস পালন করলেই দায়িত্ব শেষ। কিন্তু পরিবেশ রক্ষা কোনো একদিনের কাজ নয়; এটি প্রতিদিনের অভ্যাস ও সচেতনতার বিষয়।</p>
<p dir="ltr"><strong>এই দীর্ঘ পথচলায় একজন মানুষ হিসেবে আপনার নিজের ভেতরে কী ধরনের পরিবর্তন এসেছে? আগের “পলাশ” আর বর্তমান “পলাশ”-এর মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য কী?</strong></p>
<p dir="ltr">আগে আমি শুধু নিজের স্বপ্ন নিয়ে ভাবতাম, এখন সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথাও ভাবি। এই কাজ আমাকে অনেক বেশি ধৈর্যশীল, দায়িত্বশীল এবং মানবিক করেছে।</p>
<p dir="ltr">প্রকৃতির কাছ থেকে আমি সবচেয়ে বড় যে শিক্ষা পেয়েছি, তা হলো নিঃস্বার্থভাবে দিতে জানতে হয়। আজ আমি আগের চেয়ে অনেক বেশি মানুষকে বুঝতে শিখেছি এবং ছোট ছোট কাজের মধ্যেও বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখতে পাই।</p>
<p dir="ltr"><strong>আপনি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় পরিবেশ ও প্রকৃতি নিয়ে কাজ ছড়িয়ে দেওয়ার যে স্বপ্ন দেখছেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, ভয় বা ব্যক্তিগত ঝুঁকি কোথায় দেখেন?</strong></p>
<p dir="ltr">বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় পরিবেশ ও প্রকৃতি নিয়ে কাজ করার স্বপ্নটা আমার কাছে শুধু একটি পরিকল্পনা নয়, এটি একটি দায়িত্ব ও ভালোবাসার জায়গা থেকে তৈরি হওয়া দীর্ঘ আন্দোলন। আমি বিশ্বাস করি, পরিবেশ রক্ষার কাজ কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। দেশের প্রতিটি জেলা, প্রতিটি মানুষকে এই আন্দোলনের অংশ হতে হবে।</p>
<p dir="ltr">এই লক্ষ্য নিয়েই আমি দেশের ৬৪ জেলায় পরিবেশ যাত্রা করেছি। বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে মানুষকে পরিবেশ সচেতন করার চেষ্টা করেছি। বিশেষ করে প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য পাটের ব্যাগ ব্যবহারের প্রচার করেছি। আমি মানুষের কাছে বারবার একটি কথাই তুলে ধরেছি—প্রকৃতিকে বাঁচাতে হলে আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাস বদলাতে হবে।</p>
<p dir="ltr">অনেক জায়গায় মানুষ আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে এসেছে, আবার কোথাও উদাসীনতাও দেখেছি। তবে প্রতিটি যাত্রা আমাকে নতুন অভিজ্ঞতা ও নতুন শিক্ষা দিয়েছে।</p>
<p dir="ltr">এই দীর্ঘ পথচলায় আমি শুধু সাধারণ গাছ নয়, মহাবিপন্ন ও বিরল প্রজাতির গাছ সংরক্ষণ ও রোপণের দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। এর মধ্যে “বৈলাম” গাছ নিয়ে কাজ করা আমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অভিজ্ঞতা।</p>
<p dir="ltr">বৈলাম গাছ এমন একটি মহাবিপন্ন বৃক্ষ, যা প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে এবং প্রায় ৭০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে সক্ষম। এই গাছ শুধু একটি বৃক্ষ নয়, এটি প্রকৃতির দীর্ঘ ইতিহাস ও জীববৈচিত্র্যের এক অসাধারণ নিদর্শন।</p>
<p dir="ltr">আমি যখন এই গাছ রোপণ করি, তখন মনে হয় আমি শুধু একটি চারা লাগাচ্ছি না; বরং ভবিষ্যৎ কয়েকশ বছরের জন্য একটি জীবন্ত ঐতিহ্য রেখে যাচ্ছি।</p>
<p dir="ltr">তবে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো মানুষের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করা। অনেক সময় মানুষ শুরুতে আগ্রহ দেখালেও পরে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে না। আবার পরিবেশের চেয়ে ব্যক্তিগত লাভকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতাও বড় একটি বাধা।</p>
<p dir="ltr">ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে বড় ভয় হলো যদি আমরা এখনই প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা না রাখি, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি অসুস্থ, উষ্ণ ও বিপর্যস্ত পৃথিবী পাবে। নদী হারাবে, বন কমে যাবে, প্রাণবৈচিত্র্য ধ্বংস হবে। তখন হয়তো মানুষ বুঝবে, কিন্তু অনেক দেরি হয়ে যাবে।</p>
<p dir="ltr">তবুও আমি আশাবাদী। কারণ আমি দেখেছি, দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ নিয়ে কাজ করার আগ্রহ ধীরে ধীরে বাড়ছে। আমি বিশ্বাস করি, যদি তরুণরা এগিয়ে আসে এবং সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নেয়, তাহলে একদিন বাংলাদেশজুড়ে একটি শক্তিশালী সবুজ আন্দোলন গড়ে উঠবে।</p>
<p dir="ltr">আমার স্বপ্ন শুধু গাছ লাগানো নয়; আমি এমন একটি সচেতন প্রজন্ম তৈরি করতে চাই, যারা প্রকৃতিকে ভালোবাসবে, পরিবেশ রক্ষাকে দায়িত্ব মনে করবে এবং ভবিষ্যতের পৃথিবীকে আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য করে যাবে।</p>
<p dir="ltr"><em>লেখা ও সাক্ষাৎকার : জয়া মাহবুব</em></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/">টিফিনের টাকায় শুরু, স্বপ্ন এক সবুজ বাংলাদেশ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শহরে ইচ্ছেমতো গাছ লাগালেই তাপমাত্রা কমে না!</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 12:37:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রকৃতি ও পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আবহাওয়া]]></category>
		<category><![CDATA[গরমকাল]]></category>
		<category><![CDATA[গাছ]]></category>
		<category><![CDATA[তাপমাত্রা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=12578</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিশ্বের বিভিন্ন বড় শহরে উষ্ণায়নের হাত থেকে রক্ষা পেতে আরও বেশি করে গাছ লাগানো হচ্ছে। কিন্তু গবেষণা বলছে, শুধু প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগিয়ে গরম থেকে রেহাই মিলবে না। পরিকল্পনা করে সঠিক ধরনের গাছ লাগানোর প্রয়োজন। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, কিছু গাছ খুব গরমের দিনে অস্বস্তি আরও বৃদ্ধি করতে পারে। আবার কিছু গাছ বসালে তাপমাত্রা কমতে পারে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। ‘দ্য কনভার্সেশন’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন এবং জার্মানির মিউনিখ, হংকং শহরে একটি পরীক্ষা চালিয়েছিলেন গবেষকেরা। দেখার চেষ্টা করেছিলেন, সেখানকার গাছপালা তাপমাত্রার উপর কেমন প্রভাব ফেলে। মোদ্দা কথা, ওই তিন শহরে বাসিন্দারা বাড়ির বাইরে বেরোলে কেমন গরম বোধ করেন, তার [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/">শহরে ইচ্ছেমতো গাছ লাগালেই তাপমাত্রা কমে না!</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">বিশ্বের বিভিন্ন বড় শহরে উষ্ণায়নের হাত থেকে রক্ষা পেতে আরও বেশি করে গাছ লাগানো হচ্ছে। কিন্তু গবেষণা বলছে, শুধু প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগিয়ে গরম থেকে রেহাই মিলবে না। পরিকল্পনা করে সঠিক ধরনের গাছ লাগানোর প্রয়োজন। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, কিছু গাছ খুব গরমের দিনে অস্বস্তি আরও বৃদ্ধি করতে পারে। আবার কিছু গাছ বসালে তাপমাত্রা কমতে পারে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।</p>
<p dir="ltr">‘দ্য কনভার্সেশন’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন এবং জার্মানির মিউনিখ, হংকং শহরে একটি পরীক্ষা চালিয়েছিলেন গবেষকেরা। দেখার চেষ্টা করেছিলেন, সেখানকার গাছপালা তাপমাত্রার উপর কেমন প্রভাব ফেলে। মোদ্দা কথা, ওই তিন শহরে বাসিন্দারা বাড়ির বাইরে বেরোলে কেমন গরম বোধ করেন, তার নেপথ্যে গাছপালার কী ভূমিকা রয়েছে, তা পরীক্ষা করে দেখেন গবেষকেরা।</p>
<p dir="ltr">গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যে শহরে বড় গাছের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রয়েছে ঝোপ, ছোট গাছ, সেই শহরে গরমকালেও অস্বস্তি অনেকটাই কম। যে শহরে শুধুই বড় বড় গাছ রয়েছে, সেখানে কিন্তু গরমকালে আবহাওয়া তুলনায় অস্বস্তিকর। অর্থাৎ শুধু সারি সারি বড় গাছ প্রকৃতিকে শীতল করতে পারে না। এই গবেষণা গুরুত্বপূ্র্ণ কারণ, এখন শুধু সাজানোর জন্য শহরে বৃক্ষরোপণ করা হয় না। কীভাবে পরিকল্পনা করে বৃক্ষরোপণ করলে শহরের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে, সেটাই লক্ষ্য প্রশাসনের। সেক্ষেত্রে এই গবেষণা অনেক বেশি সাহায্য করতে পারে বলে মনে করেন অনেকে।</p>
<p dir="ltr">দিনের বেলা শহরের রাস্তা, পাকা বাড়িঘর, ইমারত সূর্যের তাপ শোষণ করে। রাতে তা বিকিরণ করে দেয়। সে কারণে উষ্ণায়নের যুগে ইট-কাট-পাথরের ইমারত ঠাসা শহরগুলিতে গরম আরও বাড়ছে। তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও বাড়ছে। এই পরিবেশে একটু আরাম দেয় গাছ। তবে বাইরের আবহাওয়া কতটা আরামদায়ক হবে, তা শুধু তাপমাত্রার উপরে নির্ভর করে না। আর্দ্রতা বেশি হলে, হাওয়া চলাচল বাধা পেলে গাছের ছায়া-ঘেরা রাস্তাতেও অস্বস্তি হতে পারে।</p>
<p dir="ltr">আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/">জলবায়ু পরিবর্তনের মুখে টিকে থাকার লড়াইয়ে বাংলাদেশ</a></p>
<p dir="ltr">বাড়ির বাইরে সেই অস্বস্তি কতটা, তা পৃথিবীর তিন শহরে ঘুরে বোঝার চেষ্টা করেছেন বিজ্ঞানীরা। শুধু তাপমাত্রা বা আর্দ্রতার পরিসংখ্যান গ্রহণেই গবেষণা সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাস্তায় ঘুরে ‘রেডিয়ান্ট হিট’ (বিকিরণ তাপ) গ্রহণের চেষ্টা করেছেন গবেষকেরা। বাতাস ছাড়াও ইট, কাঠ, রাস্তা, বাড়ি থেকে বিকিরিত তাপ মানব শরীর প্রবাহিত হয়। সেই বিকিরণ তাপ মাপার চেষ্টা করেছেন তাঁরা।</p>
<p dir="ltr">বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, মেলবোর্নে গাছের ছায়া যেখানে রয়েছে, সেখানে আবহাওয়া অনেক বেশি আরামদায়ক। খোলা রাস্তার তুলনায় গাছগাছালি ঘেরা ওই সব ঘাসজমিতে তাপমাত্রার হয়তো খুব একটা হেরফের হচ্ছে না, তবে আরাম অনেক বেশি। গাছের ছায়া রয়েছে, এমন জায়গায় পথচারীদের শরীর অনেক বেশি ঠান্ডা থাকে। খোলা জায়গার তুলনায় গাছে ঢাকা জায়গায় মানুষের শরীরে শোষিত বিকিরণ তাপ ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম।</p>
<p dir="ltr">এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট ভাবে দেখা গিয়েছে মিউনিখে। সেখানে গরমের দুপুরে খোলা রাস্তার তুলনায় গাছে ঢাকা ঘাসজমি, যেখানে ঝোপও রয়েছে, সে রকম জায়গায় তাপমাত্রা প্রায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। হংকংয়েও গাছের চাদোয়া ঘেরা এলাকায় দিনের বেলা আবহাওয়া বেশ আরামদায়কই থাকে। তবে সেখানে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় স্বস্তি তুলনায় কম।</p>
<p dir="ltr">তবে গবেষণায় এ-ও দেখা গিয়েছে, কোনো জায়গায় অনেক গাছ থাকলেই যে সেখানে পরিবেশ স্বস্তিদায়ক হবে, তা কিন্তু নয়। হংকংয়ের কোনো কোনো এলাকায় দেখা গিয়েছে, বড় বড় গাছের জঙ্গল হয়ে গিয়েছে। তা বলে সেই জায়গা কিন্তু আরামদায়ক নয়, বরং আর্দ্রতা বেশি থাকায় অস্বস্তি খুব বেশি। বিজ্ঞানীদের মতে, গাছ থেকে নির্গত জলীয় বাষ্প শুষ্ক আবহাওয়া শীতল করে। কিন্তু যেখানে আর্দ্রতা এমনিতেই বেশি, সেখানে নতুন করে স্বস্তি আনতে পারে না। মিউনিখের কিছু এলাকায় বড় বড় গাছ থাকায় বায়ু চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে উষ্ণ বায়ু আবদ্ধ হয়ে যায়। গাড়ি থেকে নির্গত দূষণও অপসারিত হতে পারে না।</p>
<p dir="ltr">তাই বলে বড় গাছ রোপণ বন্ধ করলে চলবে না, এমনটাই মনে করেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে, বুঝেশুনে পরিকল্পনা করে শহরে গাছ লাগাতে হবে। পার্কে বা শহরের মধ্যে বিস্তীর্ণ অংশে মাটিতে ঘাস লাগানোর পাশাপাশি বড় গাছ, গুল্ম, দুইই রোপণ করতে হবে।</p>
<p dir="ltr"><em>-মাসুদুজ্জামান রাসেল</em></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/">শহরে ইচ্ছেমতো গাছ লাগালেই তাপমাত্রা কমে না!</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভোকাট্টা</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ad%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ad%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 21 May 2026 09:50:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আইন-আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[আইনজীবী]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পর্ক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=12569</guid>

					<description><![CDATA[<p>ছেলেটির নাম রোকনুজ্জামান কল্লোল। আজকের গল্প এই কল্লোলকে নিয়ে। কল্লোল সবেমাত্র বিসিএস ক্যাডারের কাস্টমস অফিসার হয়েছে। বুনিয়াদি ট্রেনিং শেষে ঢাকায় নতুন পোস্টিং। অফিসের ক্লার্ক ছেলেটির সাহায্যে দুদিনের মধ্যে একটি ছোট ফ্লাটও ভাড়া নিয়েছে কল্লোল। আর একটু গোছাতে পারলেই গ্রাম থেকে মাকে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে সে। কল্লোল নিজেই কোনরকম হাত পুড়িয়ে একবেলা রান্না করে। এছাড়া পাশের ফ্লাটের তাহেরা আন্টির কল্যাণে খাবারের কষ্ট নাই কল্লোলের। ১৪ বছর বয়সী একমাত্র মেয়ে রিমিকে নিয়ে তাহেরার সংসার। স্বামী চিটাগং নাকি কিসের ব্যবসা করে। তাহেরা আন্টি বেশ আন্তরিক। ১০/১২ দিনের মধ্যেই আন্টি ও আন্টির একমাত্র মেয়ে রিমির সাথে ভালো একটা সম্পর্ক তৈরি হলো। বাসায় তিন/চার [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ad%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be/">ভোকাট্টা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><strong>ছেলেটির নাম রোকনুজ্জামান কল্লোল। আজকের গল্প এই কল্লোলকে নিয়ে। </strong></p>
<p dir="ltr">কল্লোল সবেমাত্র বিসিএস ক্যাডারের কাস্টমস অফিসার হয়েছে। বুনিয়াদি ট্রেনিং শেষে ঢাকায় নতুন পোস্টিং। অফিসের ক্লার্ক ছেলেটির সাহায্যে দুদিনের মধ্যে একটি ছোট ফ্লাটও ভাড়া নিয়েছে কল্লোল। আর একটু গোছাতে পারলেই গ্রাম থেকে মাকে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে সে।</p>
<p dir="ltr">কল্লোল নিজেই কোনরকম হাত পুড়িয়ে একবেলা রান্না করে। এছাড়া পাশের ফ্লাটের তাহেরা আন্টির কল্যাণে খাবারের কষ্ট নাই কল্লোলের। ১৪ বছর বয়সী একমাত্র মেয়ে রিমিকে নিয়ে তাহেরার সংসার। স্বামী চিটাগং নাকি কিসের ব্যবসা করে। তাহেরা আন্টি বেশ আন্তরিক। ১০/১২ দিনের মধ্যেই আন্টি ও আন্টির একমাত্র মেয়ে রিমির সাথে ভালো একটা সম্পর্ক তৈরি হলো। বাসায় তিন/চার পদ যা রান্না হয়, তাই আন্টি ট্রে সাজিয়ে কল্লোলের জন্য নিয়ে আসে।</p>
<p dir="ltr">তাহেরাকে আন্টি ডাকার চেয়ে আপু ডাকতে ইজি মনে হয় কল্লোলের। মহিলার বয়স বোঝা যায় না। ৩২/৩৩ বছর বলে মনে হয়। তার উপর মারাত্মক সুন্দরী। তাহেরাই কল্লোলকে &#8220;আন্টি&#8221; বলে ডাকতে বলেছে। যাই হোক, আপু বা আন্টি একটা হলেই চলে কল্লোলের। তাহেরা সকালের নাস্তা, বিকেলে চা, রান্না করা বিভিন্ন তরকারি, ভর্তা পাঠাতেই থাকে। প্রথমে তাহেরা নিজেই ট্রে সাজিয়ে খাবার দিয়ে যেতো। পরে রিমি নিয়ে আসতো।</p>
<p dir="ltr">রিমি অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। মায়ের সবটুকু সৌন্দর্য পেয়েছে রিমি। রিমি সামনে আসলেই মনে হয় একটা জীবন্ত গোলাপ দাঁড়িয়ে আছে। এই জীবন্ত গোলাপের দিকে তাকালে কেমন যেন মনে শান্তি শান্তি লাগে।</p>
<p dir="ltr">কয়েকদিন পরেই তাহেরা কল্লোলকে রিকোয়েষ্ট করলো- সে যেন রিমিকে একটু অংক শেখায়। রিমি অংকে খুব কাঁচা। সত্যিই রিমি অংকে খুবই কাঁচা।  মাথায় অংক কিচ্ছু ঢুকে না। স্কুলের স্যারের কাছে অন্য মেয়েদের সাথে ব্যাচে অংকের কোচিং করে। কিন্তু কি সব পাটিগণিত, বীজগণিত, ত্রিকোনমিতি আর ছাতার জ্যামিতি স্যার শেখায়, যা তার মাথার উপর দিয়ে যায়।</p>
<p dir="ltr">কল্লোল রাজি হয়। কখনো  রিমিদের বাসার ডাইনিং টেবিলে, আবার কখনো রিমির পড়ার  টেবিলে চলে অংক শেখা। প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরে সন্ধ্যায় কল্লোল রিমিকে অংক শেখাতে যায়। তাহেরা আদর করে কল্লোলকে বিভিন্ন ধরনের নাস্তা খাওয়ায়। তবে বেশিরভাগ সন্ধ্যাতে তাহেরা বাসায় থাকে না। বিভিন্ন কাজে সে বাইরে যায়।</p>
<p dir="ltr">এদিকে ফাঁকা ফ্লাটে কল্লোল রিমিকে পাটিগণিত অংক শেখানোর সাথে ভালোবাসাও শেখাতে থাকে। সদ্য কৈশোরে পা দেওয়া রিমি বুঝতে পারে তার মা কল্লোলকে খুবই পছন্দ করেছে। অতএব মায়ের প্রশ্রয় ও আগ্রহের কারনে রিমি কল্লোলের মাঝে হারিয়ে যেতে থাকে। এই প্রেম যখন অবাধ মেলামেশার পিচ্ছিল পথে দিশেহারা, তখন একদিন রাতে বাসায় ফিরেই তাহেরা কল্লোলকে বলে, তোমাকে অনেক ভরসা করে রিমিকে অংক শেখাতে দিয়েছিলাম আর তুমি কিনা রিমির সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ালে! শুধু যদি ভালোবাসতে তাও মেনে নিতাম। তুমি আমার কিশোরী মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্কও স্থাপন করেছো!!</p>
<p dir="ltr">ঘটনা সত্যি। কল্লোল মাথা নিচু করে আছে। তাহেরা বললেন, &#8220;তুমি আজই রিমিকে বিয়ে করবা&#8221;। কল্লোলের মাথা ঘুরছে। সেও রিমিকে ভালোবাসে। তবে এইভাবে হঠাৎ করে নিজের মায়ের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। কল্লোল বলল, &#8216;আমার পক্ষে এইভাবে এই বিয়ে করা সম্ভব নয়। আমার সময় লাগবে।&#8217;</p>
<p dir="ltr">ঘটনার বিহ্বলতায় রিমি আবেগপ্রবন হয়ে কান্নাকাটি শুরু করলো। কল্লোল তার প্রথম প্রেম। কল্লোলকে ভালোবেসে সে তার সবকিছু দিয়েছে। এখন কল্লোল যদি তাকে বিয়ে না করে, কল্লোলের মা যদি রাজি না হয়, তবে সে মরেই যাবে।</p>
<p dir="ltr">তাহেরার অনেক রাগারাগি, অনেক হুমকিতেও কোন কাজ হলো না। কল্লোল তার সিদ্ধান্তে অটল। কোনোকিছুতেই কল্লোলের মন নরম হলো না।  রেগেমেগে ও বিরক্ত হয়ে একমাস সময় লাগবে বলে সে রিমিদের ফ্লাট হতে চলে আসলো।</p>
<p dir="ltr">রিমি কাঁদতে কাঁদতে চোখমুখ ফুলিয়ে ফেলেছে। তাহেরা মেয়ের মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল, কল্লোলের মা বিয়েতে রাজি না হলে হয়তো কল্লোল তোমাকে বিয়ে করবে না। তাই রিমি সোনা তুমি যদি কল্লোলকে বিয়ে করতে চাও, নিজের করে পেতে চাও, তবে তোমাকে একটা কাজ করতে হবে। তাহলেই কল্লোল তোমার হবে। তুমি কি করবে সেই কাজ??</p>
<p dir="ltr">কল্লোলকে পাবার জন্য রিমি সবকিছু করতে পারে। কল্লোলকে সে সত্যি সত্যি অনেক ভালোবাসে। তাহেরা তখন বলল, তুমি এক্ষুনি আমার সাথে থানায় যাবে আর পুলিশের কাছে বলবে কল্লোল তোমার সাথে কি কি করেছে।</p>
<p dir="ltr">তাহেরা এলাকার ক্ষমতাধর তিনজন লোক নিয়ে থানায় গেলো। যেহেতু রিমি নাবালিকা, তাই তাহেরা নিজে বাদী হয়ে কল্লোলের বিরুদ্ধে রিমিকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করলো। এরপর বাকিটা ইতিহাস।</p>
<p dir="ltr">রিমির মেডিকেল হলো। রিমির জবানবন্দি নেয়া হলো। জবানবন্দিতে রিমি বলল, কল্লোল তাকে জোর করে কিছু করে নাই বা ধর্ষণ করে নাই। তাদের মধ্যে যা হয়েছে সবকিছু ভালবেসে হয়েছে। এক্ষেত্রে রিমির বয়স যেহেতু কম, সেহেতু রিমির সাথে যা হয়েছে তা আইনে ধর্ষণ হিসাবেই বিবেচিত হবে। যতই তাতে রিমির মতামত থাকুক বা না থাকুক। এটা ধর্ষণই।</p>
<p dir="ltr">রাত চারটার সময় পুলিশ কল্লোলের দরজায় কড়া নাড়লো। দরজা খুলেই কল্লোল বুঝলো তাহেরার বিছানো ফাঁদে সে ধরা পড়ে গেছে। পাশের ফ্লাট থেকে তাহেরা এবং তিন/চার জন লোক বের হয়ে এলো।</p>
<p dir="ltr">পুলিশ তো কল্লোলকে এরেস্ট করে নিয়ে যাবে। কল্লোল ভয় পেয়ে গেলো। তার নতুন চাকরি। জানাজানি হলে সে অবধারিতভাবে সাসপেন্ড হবে। কল্লোলের সাথে কথাবার্তা বলে এক পর্যায়ে তাহেরাই পুলিশকে আশ্বস্ত করে জানালো যে, &#8220;আগামীকাল সকালেই কল্লোল কোর্টে গিয়ে সারেন্ডার করে জামিন নিবে। আর জিম্মাদার হবে তাহেরা। তবে তার আগেই কল্লোল রিমিকে বিয়ে করবে।</p>
<p dir="ltr">অতএব পুলিশ অফিসারা যেন একটা দিন সময় তাদের দেয়&#8221;। এভাবেই আপাতত পুলিশকে ম্যানেজ করা হলো। নিরুপায় কল্লোল সব মেনে নিলো। এরপর পুলিশ বিদায় নিতে নিতে সকাল ৭টা। কিছুক্ষন পর বিয়ে পড়ানোর জন্য কাজী এলো। বিয়ে পড়ানোর সময় তাহেরা বলে দিল, দেনমোহর হবে ৫০ লক্ষ টাকা। কল্লোল একটু আপত্তি করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাহেরার কঠিন সিদ্ধান্তে তা চাপা পড়ে গেলো।</p>
<p dir="ltr">যাই হোক, ৫০ লক্ষ টাকা দেনমোহরে কল্লোল আর রিমির বিয়ে হয়ে গেলো। বিয়ের সময় কল্লোল আর রিমি দুজন দুই রুমে ছিল আর বিয়ের একটু পরেই তাহেরা কল্লোলকে নিয়ে দ্রুত রওনা দিল কোর্টের উদ্দেশ্যে। তাই বিয়ের পর রিমির সাথে  কল্লোলের আর দেখা হলো না। রিমি কল্লোলের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো। ঐদিনই সকাল ১০ টার সময় কোর্টে গিয়ে তাহেরা কল্লোলের জামিন করালো। জামিনের পর তাহেরা কল্লোলকে আর খুঁজে পায় নাই।</p>
<p dir="ltr">ছয় বছর সময় চলে গেছে। মামলাটি এখনোও চলমান। রিমি অনার্সে পড়ে। প্রতি মাসে কল্লোলের পক্ষ থেকে কেউ একজন রিমির নামে মানি ওর্ডার করে। তবে কল্লোল আর কখনোই রিমির সাথে কোন যোগাযোগ করে নাই। তাহেরাই বহুত ঝই-ঝামেলা করে কল্লোলের সাথে যোগাযোগ করতো। কল্লোল পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়েছিল, তাহেরা ও রিমির সাথে সে কোন সম্পর্ক রাখতে চায় না। তাহেরা কল্লোলের গ্রমের বাড়িতেও যায়। কিন্তু তেমন লাভ হয় না।</p>
<p dir="ltr">রিমিই কল্লোলকে কান্নাকাটি করে ফোন দিত, ম্যাসেজ দিত। কিন্তু কল্লোলের দিক থেকে ছিল নিরবতা। রিমি বুঝে গিয়েছিল মায়ের কথামতো পুলিশের কাছে গিয়ে সে কল্লোলকে রাগিয়ে দিয়েছে। কল্লোলের সম্মানহানী হয়েছে। হারিয়ে ফেলেছে কল্লোলকে। রিমি নিজের মাকে রিকোয়েস্ট করতে লাগলো মামলা তুলে ফেলে কল্লোলকে মুক্তি দেয়ার জন্য।</p>
<p dir="ltr">কিন্তু তাহেরা তাতে গলবার পাত্র নয়। মামলা সে তুলবে না। রিমির কান্নাকাটি এবং পাগলাামীতে অতিষ্ঠ হয়ে তাহেরা আইনজীবীর মাধ্যমে বলল, আমি মামলা তুলবো, কল্লোল যেন দেনমোহরের ৫০ লক্ষ টাকা আগে দিয়ে দেয়।</p>
<p dir="ltr">কল্লোল রাজি হলো। আজ সেই দিন। আজ তাহেরা আদালতে সাক্ষীর মাধ্যমে মামলা শেষ করেছে। তারপর আইনজীবী হিসাবে আমার চেম্বারে খোলা তালাক ও ৫০ লক্ষ টাকা বুঝে পাবার মাধ্যমে এই অসম্পূর্ণ সম্পর্কের অবসান হবে।</p>
<p dir="ltr">রিমি ভেতরের রুমে বসে আছে। অন্য রুমে বসে কল্লোল ও কল্লোলের পক্ষের লোকেরা তাহেরার হাতে নগদ ৫০ লক্ষ টাকা বুঝায়ে দিয়েছে। কাজী সাহেবও উপস্থিত আছেন খোলা তালাক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাতে।</p>
<p dir="ltr">আমি রিমিকে ডাকতে গিয়ে দেখি রিমি খুব কাঁদছে। ওর মাথায় হাত রাখতেই রিমি বড়বড় চোখ ভর্তি পানি নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, &#8220;সিগনেচারের আগে কল্লোল যেন তাকে পাঁচ মিনিট সময় দেয়।&#8221; আমি অবাক হয়ে বললাম, এ আবার কেমন আবদার! কিন্তু রিমি নাছোরবান্দা। বাধ্য হয়ে কল্লোলকে বললাম, রিমি আপনাকে একা কিছু বলবে, তারপর ডিভোর্সে সিগনেচার করবে।</p>
<p dir="ltr">প্রথমে কল্লোল ভয় পেয়ে এবং বিরক্ত হয়ে আপত্তি করলো। তাহেরাও আপত্তি করলো। আমি তাদেরকে আশ্বস্ত করে বললাম, &#8220;আমি থাকবো সাথে, ভয় পাবার কিছু নেই। একটু পরেই তো চিরকালের মত সব সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে। মেয়েটা কি বলতে চায় শুনলে তেমন ক্ষতি হবে না আশা করি।&#8221;</p>
<p dir="ltr">অবশেষে কল্লোল রিমির সাথে কথা বলতে রাজি হলো। চেম্বারের আর সবাই বাইরে বের হয়ে গেল। কল্লোলকে ভেতরের রুমে রিমির কাছে নিয়ে গেলাম। রিমি বসেছিলো। কল্ললকে দেখে উঠে দাড়ালো। সালাম দিল। কল্লোল কঠিন গলায় জিজ্ঞেস করলো, &#8216;ছয় বছর ধরে চলা এই সম্পর্কের টানাপোড়েন এখন শেষ হবার পথে, এই শেষ সময়ে পাঁচ মিনিট সময় দিয়ে কি করবা!&#8217;</p>
<p dir="ltr">ধরা গলায় রিমি বলল, &#8220;আপনার সাথে আমার সব স্মৃতিই ছোট বয়সের, বিয়ের আগের- যখন আপনি আমার হাসবেন্ড ছিলেন না। বিয়ের পর আপনাকে আমি এক মূহুর্তের জন্যও দেখি নাই। কোনো কথা বলতে পারি নাই। তাই হাসবেন্ড হিসাবে আপনার সাথে আমার কোন স্মৃতি নাই। আজকের এই পরিস্থিতির জন্য হয়তো আমরা প্রত্যেকেই দায়ী। আপনি যদি আমাকে নিয়ে সংসার করতেন, ভালোবাসতেন তবে বিয়ের আগের ঐসব ভালোবাসার স্মৃতি অনেক সুন্দর মনে হতো। কিন্তু আপনি তো আমাকে মেনেই নেন নাই। তাই ওগুলোকে নোংরা মনে হয়। এত্তো কিছুর পরও আপনি তো আমার হাসবেন্ড, ডিভোর্স হলেও আপনি আমার হাসবেন্ড। আমি  আমার হাসবেন্ডকে নিয়ে ভালো কোন স্মৃতি রাখতে চাই, আপনাকে কাছ থেকে দেখতে চাই। এক টেবিলে বসে দুজনে একবার চা খেতে চাই।</p>
<p dir="ltr">আমার কেন যেন মনে হলো- কল্লোলের কঠিন মুখটা খানিকটা নরম, কোমল, আর কেমন যেন দিশেহারা দেখাচ্ছে। কল্লোলকে রিমির পাশে রেখে আমি বাইরে বের হয়ে এলাম। জানি, সম্ভব না। তাও মনে মনে প্রার্থনা করতে লাগলাম, হে বিধাতা, কোনো ম্যাজিক করো। এই অল্প বয়সী মেয়েটি যেন কল্লোলকে নিয়ে পাঁচ মিনিট নয়, পঞ্চাশ বছরের সুন্দর স্মৃতি নিয়ে বাঁচে। ম্যাজিক করো বিধাতা। ম্যাজিক করো&#8230;</p>
<p dir="ltr"><em>-অ্যাডভোকেট তনিমা জাহিদা </em></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ad%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be/">ভোকাট্টা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ad%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মায়ের অদৃশ্য ত্যাগেই গড়ে ওঠে সফলতার সাম্রাজ্য</title>
		<link>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%a0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%a0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 10 May 2026 05:59:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[নারী উদ্যোক্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মা দিবস]]></category>
		<category><![CDATA[সফল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uddoktajournal.com/?p=12556</guid>

					<description><![CDATA[<p>একজন সফল উদ্যোক্তার গল্প যখন সংবাদমাধ্যমে আসে, তখন আমরা দেখি তার প্রতিষ্ঠানের নাম, ব্যবসার বিস্তার, কোটি টাকার টার্নওভার কিংবা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। কিন্তু এই দৃশ্যমান সাফল্যের পেছনে প্রায়ই থেকে যান একজন নীরব নির্মাতা মা। যিনি নিজের স্বপ্ন, আরাম, এমনকি অনেক সময় ব্যক্তিগত জীবন পর্যন্ত বিসর্জন দিয়ে সন্তানের স্বপ্নকে বড় করেছেন। উদ্যোক্তাদের ভাষায়, ব্যবসার প্রথম বিনিয়োগকারী হয়তো কোনো ব্যাংক নয়; বরং একজন মা, যিনি বিশ্বাস করেন—“আমার সন্তান পারবে।” বাংলাদেশের অসংখ্য উদ্যোক্তার গল্পে এই মায়ের উপস্থিতি অদৃশ্য হলেও অত্যন্ত শক্তিশালী। কেউ মায়ের গহনা বিক্রি করে ব্যবসা শুরু করেছেন, কেউ মায়ের রান্নার স্বাদকে ব্র্যান্ডে পরিণত করেছেন, আবার কেউ জীবনের কঠিন ব্যর্থতার সময় মায়ের কথাতেই [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%a0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af/">মায়ের অদৃশ্য ত্যাগেই গড়ে ওঠে সফলতার সাম্রাজ্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">একজন সফল উদ্যোক্তার গল্প যখন সংবাদমাধ্যমে আসে, তখন আমরা দেখি তার প্রতিষ্ঠানের নাম, ব্যবসার বিস্তার, কোটি টাকার টার্নওভার কিংবা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। কিন্তু এই দৃশ্যমান সাফল্যের পেছনে প্রায়ই থেকে যান একজন নীরব নির্মাতা মা।</p>
<p dir="ltr">যিনি নিজের স্বপ্ন, আরাম, এমনকি অনেক সময় ব্যক্তিগত জীবন পর্যন্ত বিসর্জন দিয়ে সন্তানের স্বপ্নকে বড় করেছেন। উদ্যোক্তাদের ভাষায়, ব্যবসার প্রথম বিনিয়োগকারী হয়তো কোনো ব্যাংক নয়; বরং একজন মা, যিনি বিশ্বাস করেন—“আমার সন্তান পারবে।”</p>
<p dir="ltr">বাংলাদেশের অসংখ্য উদ্যোক্তার গল্পে এই মায়ের উপস্থিতি অদৃশ্য হলেও অত্যন্ত শক্তিশালী। কেউ মায়ের গহনা বিক্রি করে ব্যবসা শুরু করেছেন, কেউ মায়ের রান্নার স্বাদকে ব্র্যান্ডে পরিণত করেছেন, আবার কেউ জীবনের কঠিন ব্যর্থতার সময় মায়ের কথাতেই নতুন করে দাঁড়ানোর সাহস পেয়েছেন।</p>
<p dir="ltr">উদ্যোক্তা হওয়ার পথ কখনোই সহজ নয়। অনিশ্চয়তা, আর্থিক সংকট, সামাজিক চাপ সব মিলিয়ে এটি এক দীর্ঘ মানসিক যুদ্ধ। বিশেষ করে বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় অনেক তরুণ যখন নিরাপদ চাকরির পরিবর্তে ব্যবসার ঝুঁকি নিতে চান, তখন পরিবার থেকেই আসে প্রথম প্রশ্ন—“নিশ্চিত আয় ছাড়া ভবিষ্যৎ কী?”</p>
<p dir="ltr">এই জায়গায় অনেক মা হয়ে ওঠেন সন্তানের সবচেয়ে বড় আশ্রয়। তিনি হয়তো ব্যবসার জটিল হিসাব বোঝেন না, কিন্তু বোঝেন সন্তানের চোখের স্বপ্ন। তাই সংসারের খরচ কমিয়ে, নিজের শখ বিসর্জন দিয়ে কিংবা আত্মীয়দের সমালোচনা সহ্য করেও সন্তানের পাশে দাঁড়ান।</p>
<div>আরও পড়ুনঃ <a href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a1-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%ac/">দরজা নেই, তবু চলছে ব্যবসা : ক্লাউড কিচেন বিপ্লব</a></div>
<p dir="ltr">অনেক উদ্যোক্তা স্বীকার করেন, ব্যবসার শুরুতে সবচেয়ে বড় পুঁজি ছিল মায়ের বিশ্বাস। কারণ পৃথিবী যখন সন্দেহ করেছে, মা তখনও বলেছেন—“চেষ্টা করো, একদিন সফল হবেই।”</p>
<p dir="ltr">বাংলাদেশে বর্তমানে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বড় একটি অংশ ফুড, হোমমেড পণ্য ও লাইফস্টাইল ভিত্তিক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এসব প্রতিষ্ঠানের পেছনে প্রায়ই থাকে মায়ের হাতের স্বাদ, অভ্যাস কিংবা শিক্ষা। অনেক জনপ্রিয় ফুড ব্র্যান্ডের গল্প শুরু হয়েছে একটি সাধারণ রান্নাঘর থেকে। মায়ের তৈরি আচার, পিঠা, মসলা বা রান্নার রেসিপি আজ হয়ে উঠেছে অনলাইন ব্যবসা কিংবা সফল ব্র্যান্ড।</p>
<p dir="ltr">এখানে ব্যবসার মূল শক্তি শুধু পণ্য নয়; বরং আবেগ, পারিবারিক স্মৃতি এবং মায়ের প্রতি মানুষের বিশ্বাস। একজন উদ্যোক্তা যখন বলেন, “এই রেসিপি আমার মায়ের,” তখন সেটি কেবল বিপণন কৌশল থাকে না; বরং হয়ে ওঠে আস্থার গল্প।</p>
<p dir="ltr">মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, একজন শিশুর আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের ভিত্তি গড়ে ওঠে পরিবারে। একজন মা সন্তানের মধ্যে যে ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও মানসিক দৃঢ়তা তৈরি করেন, সেটিই পরবর্তীতে উদ্যোক্তা জীবনে বড় সম্পদ হয়ে দাঁড়ায়।</p>
<p dir="ltr">ব্যবসা মানে কেবল মুনাফা নয়; এটি সংকটে টিকে থাকার ক্ষমতা। আর এই টিকে থাকার শিক্ষাই অনেক সন্তান প্রথম পান মায়ের কাছ থেকে। সংসারের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও যেসব মা পরিবারকে সামলে এগিয়ে যান, তারা অজান্তেই সন্তানকে শেখান কষ্টকে ভয় না পেতে, সীমিত সম্পদে পথ খুঁজতে এবং ভেঙে না পড়ে আবার শুরু করতে। এই শিক্ষাগুলো কোনো বিজনেস স্কুলে শেখানো হয় না।</p>
<p dir="ltr">সমাজ সাধারণত সফল উদ্যোক্তার অর্জন দেখে, কিন্তু খুব কম মানুষ খেয়াল করে সেই মায়ের নিঃশব্দ অপেক্ষার কথা—যিনি রাত জেগে সন্তানের ফেরার অপেক্ষা করেছেন, ব্যর্থতার পর ভেঙে পড়া মুখে সাহস দিয়েছেন, কিংবা নিজের প্রয়োজনকে ছোট করে সন্তানের স্বপ্নকে বড় করেছেন। অথচ বাস্তবতা হলো, অনেক ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের ভিত্তি তৈরি হয়েছে এই নীরব ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে।</p>
<p dir="ltr">মা দিবসে তাই উদ্যোক্তাদের সাফল্যের গল্প বলার পাশাপাশি প্রয়োজন সেই অদৃশ্য যোদ্ধাদের কথাও বলা, যাদের ভালোবাসা ও ত্যাগ ছাড়া হয়তো অনেক স্বপ্নই বাস্তব হতো না। কারণ প্রতিটি সফল প্রতিষ্ঠানের পেছনে শুধু একজন উদ্যোক্তা থাকেন না; অনেক সময় থাকেন একজন মা, যিনি নিজের জীবনকে নিঃশব্দে বিনিয়োগ করেছেন সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য।</p>
<p dir="ltr"><em>-এলিন মাহবুব</em></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%a0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af/">মায়ের অদৃশ্য ত্যাগেই গড়ে ওঠে সফলতার সাম্রাজ্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://uddoktajournal.com">Uddokta Journal</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uddoktajournal.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%a0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
