খবরজাতীয়

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী পাসের আহ্বান তামাক বিরোধী তরুণ ফোরামের

1
tmk

তরুণ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুততম সময়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী পাসের দাবি জানিয়েছে তামাক বিরোধী তরুণ ফোরাম। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) নারী মৈত্রীর আয়োজনে তরুণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় “তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণে তরুণদের করনীয়” শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানান তারা।

নারী মৈত্রীর প্রজেক্ট কো–অর্ডিনেটর নাসরিন আক্তার আলোচনার বিষয়বস্তু উপস্থাপনের সময় বলেন, প্রতিবছর তামাক সেবনের কারণে বাংলাদেশে ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ প্রাণ হারান। ‘গ্লোবাল ইয়ুথ টোব্যাকো’ জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রায় ১২ শতাংশ কিশোর-কিশোরী নিয়মিত ধূমপানে আসক্ত, যা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গভীর অশনি সংকেত। এই মর্মান্তিক পরিসংখ্যান আমাদের জনস্বাস্থ্য ও জীবন রক্ষার ক্ষেত্রে গভীর এক সংকট সৃষ্টি করেছে। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোলে (এফসিটিসি) স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। তবুও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ ও তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন এবং প্রণোদনা নিষিদ্ধের ক্ষেত্রে সর্বোত্তম মান অর্জনে আমরা এখনও পিছিয়ে আছি।

আরও পড়ুনঃ পানিতে ডোবা প্রতিরোধে ইউনিসেফ’র সচেতনতামূলক কর্মশালা

নাসরিন আক্তার বলেন, এফসিটিসির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের যে সংশোধনীগুলো প্রস্তাব করা হয়েছে, তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী গুলো হচ্ছে পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান বিলুপ্ত করা, তামাক পণ্যের প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা, ই-সিগারেটে নিষিদ্ধ করা, তামাক কোম্পানির যেকোনো ধরনের সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা, বিড়ি-সিগারেটের খুচরা শলাকা, মোড়কহীন ও খোলা ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা এবং সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার আকার ৫০-৯০ শতাংশ বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তামাক বিরোধী তরুণ ফোরাম এর আহ্বায়ক আশরাফিয়া বলেন আমাদের নিজেদের কণ্ঠস্বর বলিষ্ঠ করতে হবে। উপদেষ্টা পরিষদের সামনে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনীগুলো পাসের দাবি জোরালোভাবে উপস্থাপন করতে আমরা এগিয়ে আসবো, আমরা চাই আমাদের সুস্থ ভবিষ্যৎ।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর সমন্বয়ক হাসনাত বলেন “তরুণ প্রজন্মকে তামাকের প্রভাব থেকে দূরে রাখতে আমাদেরকে তামাকের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। আমাদের মতো তরুণদের লক্ষ্য করে তামাক কোম্পানিগুলো আগ্রাসনী প্রচারণা চালাছে। তামাক কোম্পানিগুলোকে রুখতে না পারলে, তরুণরা দেশের সম্পদ না হয়ে বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই তরুণদের রক্ষায় তামাক কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে আইনের সংশোধন এখন সময়ের দাবী।”

মুন্সিগঞ্জের কামারখাড়া ইউনিয়নে যুবদলের অফিস উদ্ধোধন

Previous article

সংবাদ মাধ্যমে শব্দ ব্যবহারে আরো সচেতন হতে হবে

Next article

You may also like

1 Comment

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More in খবর